• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ৮ কার্তিক ১৪২৫

স্বৈরাচারের নমুনা দিলেন সোহেল তাজ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৭ আগস্ট ২০১৮, ১৩:০১ | আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৮, ১৩:১১
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ-এর ছেলে তানজিম আহমদ সোহেল তাজ বিদেশে থাকলেও দেশের সব খবরাখবর রাখেন। আওয়ামী লীগের স্থানীয় ও জাতীয় অনেক নেতাকর্মীর সঙ্গে তার নিবিড় সখ্যতা রয়েছে। দলের কিংবা নেতাকর্মীর দুঃখ-কষ্টে যেমন তিনি আহত হন তেমনি দলের প্রয়োজনে নিজেকে উজাড় করে দিতে পারেন।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সোহেল তাজ পদত্যাগ করার পর গুঞ্জন চলছিল তিনি আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন তিনি বিদেশে থাকায় রাজনীতি থেকে অনেক দূরেই বলা যায় তাকে।

হঠাৎ করেই তিনি রাজনীতি নিয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি নতুন প্রজন্মের জন্য স্বৈরাচারের নমুনা দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সতর্ক করে দেন।

আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো-

“বঙ্গবন্ধু এবং তাজউদ্দীন আহমদ-এর হাতে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগ তার জন্মলগ্ন থেকে গণমানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করেছে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনেছে, এই দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্যI পরবর্তীতে একই ধারায় আওয়ামী লীগ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেI

----------------------------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জামিন পেলেন খালেদা জিয়া
----------------------------------------------------------------------------------------

ইদানিংকালে আমরা অনেকেই স্বৈরাচারী শাসন কি তা হয়তো ভুলে গিয়েছিI নতুন প্রজন্মের জন্য ছোট্ট করে নিম্নে কিছু নমুনা দিলাম যাতে করে আমরা ভবিষ্যতে স্বৈরাচার কি তা চিহ্নিত করতে পারিI

স্বৈরাচারী শাসন চেকলিস্ট

১. যখন সাধারণ মানুষ তার মুক্তচিন্তা ব্যক্ত করতে ভয় পায়।

২. যখন দল, সরকার এবং রাষ্ট্র একাকার হয়ে যায় আর সরকারকে সমালোচনা করলে সেটাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা বলে আখ্যায়িত করা হয়।

৩. যখন দেশের প্রচলিত নানা আইন এবং নতুন নতুন আইন সৃষ্টি/তৈরি করে তার অপব্যবহার করে রিমান্ডে নেয়া এবং নির্যাতন করা হয়।

৪. বিনা বিচারে হত্যা ও গুম করে ফেলা হয়।

৫. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ব্যবহার করা হয়।

৬. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থাকে পেটোয়াবাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

৭. যখন সাধারণ নাগরিকসহ সকলের কথা-বার্তা, ফোন আলাপ, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট মনিটর ও রেকর্ড করা হয়।

৮. যখন এই সমস্ত বিষয় রিপোর্ট না করার জন্য সংবাদমাধ্যম, সাংবাদিকদের গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে হুমকি দেয়া হয়।”

আরও পড়ুন : 

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়