• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচন

বুলবুল দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি, বিএনপির সমালোচনায় লিটন

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
|  ১৪ জুলাই ২০১৮, ১৭:৪৫

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে ব্যস্ত সময় পার করেছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এবং বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা। দুই প্রার্থী ও তাদের নেতাকর্মীদের প্রচারণায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে মহানগরী। কর্মী ও সমর্থকরা নিজ নিজ প্রার্থীর প্রতীক নিয়ে মিছিলও করেন। এসময় তাদেরকে প্রার্থীদের পক্ষে স্লোগান দিতেও দেখা যায়।

২০ দলীয় জোট মনোনীত মেয়র প্রার্থী ধানের শীষের মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল সকাল আটটা থেকে প্রচারণা শুরু করেন মহানগরীর ২৮নং ওয়ার্ডের বাদুরতলা মোড় থেকে। তিনি এই ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় সাধারণ বাসিন্দাদের কাছে ভোট চান। দেন নানা প্রতিশ্রুতি।

সময় বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমাদের ন্যূনতম বিশ্বাস নেই। আমাদের জনগণ হলো আস্থার জায়গা। ধানের শিষ হলো মানুষের শান্তির প্রতীক, মানুষের উন্নয়নের প্রতীক। ইতোমধ্যে আপনারা দেখেছেন রাজশাহীর মানুষ ধানের শিষের পক্ষে। সবাই একযোগে আগামী ৩০ তারিখে ধানের শিষে ভোট দেবে।

এদিকে বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী এইচএম খায়রুজ্জামান লিটন নগরীর ৩০নং ওয়ার্ডের বুধপাড়া এলাকা থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মহিলা ও বয়স্কদের কাছে রাজশাহীর উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে হাত মেলান এবং লিফলেট বিতরণ করেন।

এসময় লিটন বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস চালানো হচ্ছে। বিএনপির কোনও কর্মকাণ্ডে বাধা দেয়া হয়নি। বরং তারা আমাদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়েছে। বিএনপির এটা পুরোনো অভ্যাস। তাদের কোনও অভিযোগ থাকলে নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসনকে জানাতে পারে।

তিনি বলেন, আমাকে কেন জড়ানো হচ্ছে? আমি তো প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা পুলিশ কমিশনার না। আমাদের দৃষ্টিতে নির্বাচন কমিশন খুবই স্বচ্ছভাবে কাজ করছে। অহেতুক কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে এমন অভিযোগ আমরা পাইনি। আমি মেয়র হতে পারলে রাজশাহীর উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

উল্লেখ্য, রাসিকে এবার মোট ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা এক লাখ ৫৬ হাজার ৮৫। আর নারীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৫। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩৭টি থেকে বেড়ে ১৩৮টি হয়েছে। বর্ধিত ভোটকেন্দ্রটি হচ্ছে অনন্যা শিশু শিক্ষালয়। এটি মহানগরীর ২৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত।

এসএস/কে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়