রাজশাহীর ঘরে-বাইরে নির্বাচনী আমেজ

প্রকাশ | ২০ জুন ২০১৮, ০৯:৩১ | আপডেট: ২০ জুন ২০১৮, ০৯:৫৮

আমির ফয়সাল, রাজশাহী

ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে ব্যস্ত সময় পার করেছেন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রধান দুই দলের মেয়র প্রার্থীরা। তবে কেউ সরবে আর কেউ নীরবে। প্রার্থীরা দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি।সাধারণ মানুষ চাইছেন সমস্যা দূরীকরণ, আরো উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ গতিশীল ব্যবস্থাপনায় চলুক রাজশাহী সিটি করপোরেশন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের আগেই ঈদ হওয়ায় নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত ছিল ভিন্ন আমেজ। এবারই প্রথমবারের মত দলীয় প্রতীকে সিটি নির্বাচন হওয়ায় প্রচারের মাধ্যমেও রয়েছে ভিন্নতা। ব্যানার পোস্টারের পাশাপাশি ফেসবুকসহ বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে প্রার্থীরা জানিয়েছেন ঈদের শুভেচ্ছা আর একই সাথে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতির দিয়ে ভোট চেয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। 

--------------------------------------------------------

আরও পড়ুন : ভোটারদের মন জয় করতে বৃষ্টিতেও প্রচারণা

--------------------------------------------------------

এদিকে, কেন্দ্রের নির্দেশনা না পাওয়ায় বর্তমান মেয়র বিএনপির সম্ভব্য মেয়র পদপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল কিছুটা নীরবেই করছেন নির্বাচনী প্রচারণা। এছাড়াও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের দুই প্রধান প্রার্থীই প্রায় ৯৭.১৮ বর্গ কি.মি. আয়তনের এলাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায়, বাজার ও বিভিন্ন প্রার্থনাশালায় গিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি চেয়েছেন ভোট।

এ বিষয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলছেন, জনগণ লিটন ভাইকেই চায়। নির্বাচনের সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন। এখন নির্বাচন কমিশন অনুমতি দিলেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নামা হবে।

অন্যদিকে, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন বলছেন, আশা করছি, বুলবুল ভাই মনোনয়ন পাবেন। মেয়র থাকাকালীন তিনি বারবার জেলে গেলেও নগরের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। জনগণও তার পাশে আছে। 

দড়িখড়বোনার বাসিন্দার রফিকুল ইসলাম আরটিভি অনলাইনকে জানান, এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নসহ রাস্তাঘাট, পয়-পরিষ্কার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণসহ সার্বিক উন্নয়নে যিনি জনগনের পাশে থাকবে তাকেই মেয়র হিসেবে বেছে নেবে এ অঞ্চলের সাধারণ  জনগণ।

আর গ্রেটার রোডের বাসিন্দার আব্দুল আওয়াল জানাচ্ছিলেন, সংস্কারের অভাবে রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা, গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা-ঘাটের ফুটপাত দখল আর এরই পাশাপাশি বেড়েই চলেছে যানজটের মাত্রা। এতে করে ভোগান্তিতে বেড়েছে রাজশাহী নগরবাসীর। এরই সাথে দিনকে দিন বেড়েছে মশার উপদ্রব সব কাজে রয়েছে ঘাটতি।

এদিকে, রাজশাহীর বর্তমানে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলছিলেন, রাজনৈতিক মামলার কারণে দীর্ঘ সময় নের বাইরে থাকায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাজ সুচারুভাবে করা সম্ভব হয়নি। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি পূর্ণ দমে প্রচারণায় নামবেন তিনি।

আর আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ডিজিটাল প্রচার মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় আর বিভিন্ন এলাকায় মানুষের কাছে পৌঁছে ভোট প্রার্থনা পাশাপাশি জানিয়েছি আমাকে নির্বাচিত করলে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি রাজশাহীকে মেগা সিটিতে পরিণত করাসহ আগামী দিনের সম্ভাবনার কথা। 

আরও পড়ুন : বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ

এসজে/এসএস