• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

খালেদার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে: ফখরুল

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২১ এপ্রিল ২০১৮, ১২:১০ | আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০১৮, ১৫:২৮
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে। কারাগারে খালেদা জিয়াকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী তাকে অর্থোপেডিক বেড দেয়া হয়নি।

বললেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, পছন্দ মতো চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ দিতে অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসনকে মুক্তি দিন।

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য কারাগারে ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আমরা যে খবর পাচ্ছি তাতে জাতি উৎকণ্ঠিত। শুক্রবার তার পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করতে পারেননি। তার আগে ১৮ এপ্রিল আমিসহ মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খানকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : সুফিয়া কামাল হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি
--------------------------------------------------------

ফখরুল বলেন, প্রায় ১০ দিন যাবৎ পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং দল দেশনেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পায়নি। এতে করে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সংবাদপত্র সূত্রে জানতে পেরেছি, সরকারের একটি মেডিকেল টিম খালেদা জিয়াকে পরীক্ষা করতে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে প্রফেসর মালিহার রশীদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি মেডিকেল টিম তাকে দেখতে যান। তারা বিএনপি চেয়ারপারসনকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য সুপারিশ করেছেন।

খালেদা জিয়াকে ‘সাজানো মামলায়’ সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে তাঁকে এবং তাঁর দলকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া- এমন অভিযোগ করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘গণবিচ্ছিন্ন ও রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া সরকারের ২০১৪ এর মতো একতরফা নির্বাচনের প্রহসনের মধ্য দিয়ে আবারও ক্ষমতা দখলই হচ্ছে তাদের মূল উদ্দেশ্য।

আইনের বিধানকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে দেশনেত্রীকে জামিন না দেওয়ায় কারাগারে তাঁর প্রাপ্য সুবিধা থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা, সুচিকিৎসা থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা- এটা অমানবিক। যে কারাগারে, যে কক্ষে তাঁকে রাখা হয়েছে তা সংবিধান পরিপন্থী।

মির্জা ফখরুল সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘এত ভয় কেন? দেশনেত্রীকে মাঠে নামতে দিন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে দিন, যথেচ্ছ পুলিশ ব্যবহার বন্ধ করুন- দেখুন আপনারা কোথায় দাঁড়াতে পারেন। রাজনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সাহস আপনাদের নেই। আপনারা এখন জনগণ থেকে এ কারণেই বিচ্ছিন্ন- তাই বলপ্রয়োগ করে দেশনেত্রীকে কারাগারে আটকে রেখে ২০১৪ সালের মতো একতরফা নির্বাচন করতে চান।’

আরও পড়ুন :

এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়