• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা-বৃত্তি দিলো ডিআরইউ (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২১ জুলাই ২০১৭, ১৯:১০ | আপডেট : ২২ জুলাই ২০১৭, ১৮:৪৩
২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রাথমিক সমাপনী-পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষাতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্যদের কৃতী সন্তানদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি দেয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তনে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউর সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা। সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোরসালীন নোমানী।

অনুষ্ঠানে নুরুল ইসলাম নাহিদ ক্ষুদে কৃতী মেধাবীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, উন্নত জাতি গঠনে তোমাদের ভূমিকা রাখতে হবে। তাই নিজেদের উন্নত করে গড়ে তুলতে হবে।

শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের নানা উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সালের মধ্যে সরকার সারাদেশে সাড়ে ১৯ হাজার স্কুলভবন বানাবে। উপজেলা পর্যায়ে চারতলা, জেলা পর্যায়ে আটতলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে দশতলা ভবন নির্মাণ করা হবে। এসব ভবনে অত্যাধুনিক সুবিধা থাকবে। ভালো ক্লাসরুম, টয়লেট থাকবে। প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হবে। ছেলে-মেয়েদের স্কুলমুখী করতে সরকার এসব উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা ৯৯.৪৭ শতাংশ ছেলে-মেয়েকে স্কুলে নাম লেখাতে সক্ষম হয়েছি। আমি যখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়েছি তখন একটিও মেয়েও আমার সঙ্গে ছিল না। তখন মেয়েদের স্কুলে যাওয়াকে পাপ বলে মনে করা হতো। দিন বদলেছে। এখন প্রাথমিক পর্যায়ে মেয়ের হার ৫১ শতাংশ। আর ছেলে আছে ৪৯ শতাংশ। মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়ছে ৫৩ শতাংশ মেয়ে। ছেলেরা আছে ৪৭ শতাংশ।

২০১৬ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় ভালো ফলাফলকারী ২৭ জন শিক্ষার্থীকে এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী ১৮ জনকে সংবর্ধনা ও বৃত্তি দেয়া হয়েছে। কৃতী শিক্ষার্থীরা সবাই নগদ ২ হাজার টাকা বৃত্তি, সনদপত্র, একটি সম্মাননা ক্রেস্ট এবং বই উপহার পেয়েছে। ক্ষুদে মেধাবীদের এ পুরস্কার উৎসব একপর্যায়ে পরিণত হয় সাংবাদিক সন্তানদের মিলনমেলায়।  

জেএসসিতে যারা সংবর্ধনা ও বৃত্তি পেল

শাহ মোহাম্মদ মনোয়ার জাহান কবিরের মেয়ে মালিহা মরিয়ম এশা, তারিক আল বান্নার ছেলে শেখ রফিক বিন তারিক, মাইনুল আলমের মেয়ে সাবরিনা নুজহাত, মিজানুর রহমানের ছেলে আরাফাত রহমান, শাহাদত হোসেন নিজামের ছেলে আবির শাহাদাত পুরব, কাওছার হোসাইন খন্দকারের মেয়ে কানতা মাহজাবিন, মাহমুদ হাসানের মেয়ে মাফি মাফরুহিন হাসান,  মো. শহিদুল আলমের মেয়ে সায়মা খাতুন, জিয়াউদ্দিন ভূঁইয়ার মেয়ে আনিকা বুশরা, সুরাইয়া মুন্নির মেয়ে সিন্থাহিনা অপ্সরা, রাইহান আল মুঘনির মেয়ে মুমতাহিনা শ্যামা, মো. বদিউজ্জামানের ছেলে এম মহিউজ্জামান শাওন, নাজমুল আহমেদ তওফিকের মেয়ে রাফিজা তওফিক রাকা, নাঈম উল করিমের ছেলে জুলকার নাঈন করিম, মো. রেজাউর রহিমের ছেলে মোহসিন রেজা, এইচ এম জামাল উদ্দিনের মেয়ে ওসিন বিনতে জামাল, কাজী হাফিজুর রহমানের ছেলে কাজী আসিফুর রহমান, কাজী ইমরুল কবির সুমনের মেয়ে কাজী আবিদা ফাতেমা।


পিইসিতে যারা সংবর্ধনা ও বৃত্তি পেল

মো. শফিকুল ইসলামের মেয়ে সাদিয়া ইসলাম সিফা, মো. কামাল হোসেন তালুকদারের ছেলে মিনহাজ তালুকদার, মিজানুর রহমানের ছেলে জিন্নাহ মাহমুদ, নাজমুল হক তপনের মেলে ফিকাহ ফেরদৌস সঞ্চারী, মো. মোহসিন হোসেনের ছেলে সাইফুল্লাহ সিফাত, মো. বদরুল আলম চৌধুরীর মেয়ে আবিদা আলম, জিয়াউদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে ফাহিম বখতিয়ার, মো. ফজলুল হকের মেয়ে নুর ইয়াদ তারান্নুম স্বপ্নীল, শাহনেওয়াজ দুলালের ছেলে রাইয়ান নেওয়াজ, মো. সাব্বির হোসাইনের ছেলে আহমেদ হোসাইন নাসিফ, কে এম আলফাজ এনামের মেয়ে আনিকা নাওয়ার, মো. হারুনুর রশিদের মেয়ে মুমতাহিনা মেহেরিন নুহা, লুৎফর রহমানের মেয়ে জাফিরাহ বিনতে রাহমান, মো. জয়নাল আবেদীনের ছেলে মোহাম্মদ মিশকাত আবেদীন, সাগর বিশ্বাসের মেয়ে সাগনিক বিশ্বাস, মনিরুজ্জামান উজ্জলের ছেলে সাদ্দাম সাকিবুজ্জামান তাহফিন, সালাউদ্দিন আহমাদ বাবলুর মেয়ে লামিয়া মেহেরীন, এম এম কায়সারের ছেলে তেহজিব কায়সার, মো. আমিনুল ইসলামের মেয়ে তাইয়াবা ইসলাম তাবাস্সুম, মো. আমিনুল ইসলামের ছেলে আরিয়ান মির্জা, বিকাশ নারায়ন দত্তের ছেলে বিস্ময় অর্ঘ দত্ত, মেহেদী হাসান পলাশের ছেলে হাসান সায়ের পলক, মো. আনোয়ারুল হকের ছেলে অনন্য আজিজ নিবিড়, শাবান মাহমুদের ছেলে রোদ্দুর মাহমুদ, সাহেদ সিদ্দিকের ছেলে ফারহান তানভীর সিদ্দিক, ওমর ফারুকের (মৃত) মেয়ে দীপাকা ওমর দিয়া, এস এম জাহাঙ্গীরের ছেলে ইনতিজার আহমেদ।

 

এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়