• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

শিল্পাঙ্গন গ্যালারিতে রশীদ আমিনের ‘মেঘমল্লার’

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৫ আগস্ট ২০১৮, ২১:২৭ | আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৮, ২১:৩৯
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর শিল্পাঙ্গন গ্যালারিতে গত শুক্রবার (৩ আগস্ট) থেকে শুরু হয়েছে ‘মেঘমল্লার’ নামে রশীদ আমিনের একক চিত্রপ্রদর্শনী। চলবে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান। চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন চিত্রসমালোচক মঈনুদ্দীন খালেদ ও স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝর।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শিল্পী রশীদ আমিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্যালারি শিল্পাঙ্গনের পরিচালক রুমী নোমান। মোট ৪৬টি চিত্রকর্ম দিয়ে সাজানো হয়েছে এই প্রদর্শনী।

রশীদ আমিন বলেন- ‘মেঘমল্লার নামটা বর্ষা ঋতুর সৌন্দর্য বর্ণনা করতে ব্যবহার করেছি। মেঘমল্লার মূলত বর্ষার রাগ। সৌন্দর্যময়তাকে রং তুলিতে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টায় ২০১৫ সাল থেকে আমি এই সিরিজের ছবি আঁকছি এবং সেই সব ছবি থেকে বাছাই করা কিছু ছবি নিয়েই এই প্রদর্শনীর আয়োজন।’

---------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : খান মোহাম্মদ ফারাবী সাহিত্য পুরস্কার পেলেন নির্মলেন্দু গুণ
---------------------------------------------------------------------

শিল্পচর্চায় রশীদ আমিনের শুরুটা শৈশব থেকে। বেড়ে উঠেছেন পারিবারিক সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে। রশীদ আমিনের বড় ভাই মামুনুর রশীদ দেশবরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব। রশীদ আমিন পড়ালেখা করেছেন প্রিন্টমেকিং বিষয়ে। 

এই চিত্রশিল্পী বলেন- জন্মের পর থেকেই দেখেছি আমাদের বাড়িতে এক বিশাল পাঠাগার। তাই পাঠ অভ্যাসটা ছেলেবেলা থেকেই গড়ে উঠেছিল। আমার বড় ভাই নাটকের মানুষ, মেজো ভাই সাংবাদিক। তাই পারিবারিকভাবেই লেখালেখির সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম। ছবি আঁকি শৈশব থেকেই।

তিনি আরও বলেন-১৯৮৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে ভর্তি হওয়ার পর শিল্প-ভাবনায় নতুনত্ব যুক্ত হয়েছে। পরবর্তীতে স্কলারশিপ নিয়ে চীনে  যাই। লিথোগ্রাফির উপর ব্যাচেলর ডিগ্রি লাভ করি। ১৯৯২ সালে দেশে ফিরে আসি এবং একটি জাদুঘরে কাজের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করি। এখন শিক্ষকতাকেই পেশা হিসেবে নিয়েছি। বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি।

আরও পড়ুন : 

পিআর/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়