ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

স্কাইপ, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার ভয়েস কল কেন নয়

ফারজানা সুলতানা

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০১৬, ০৫:৪৭ পিএম

বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানে তিনশো কোটির বেশি। ২৭ শতাংশ ব্যবহারকারী দক্ষিণ এশিয়ার। তার মধ্যে প্রায় ১৮ শতাংশ ব্যবহারকারী সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন।

সবার কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে ফেসবুক, ভাইবার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপের মতো মোবাইল অ্যাপস। ভয়েস কলও দারুণ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এসব দেশে।

পাশের দেশ ভারতে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৭ কোটির বেশি। এছাড়া বিশ্বের জনপ্রিয় অ্যাপস হোয়াটসঅ্যাপের সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে ভারতে। সারা পৃথিবীতে ৭০০ মিলিয়ন অ্যাকটিভ ইউজারের মধ্যে এ মোবাইল মেসেজিং অ্যাপের শুধু ভারতেই রয়েছেন ১০০ মিলিয়নের বেশি অ্যাকটিভ ইউজার।

এছাড়া মোবাইল মেসেজিং অ্যাপ হাইক এর ইউজার রয়েছেন ৩৫ মিলিয়ন। তাছাড়া ইন্টারনেটে ভয়েস কল জনপ্রিয় হওয়ায় স্কাইপ, হোয়াটসঅ্যাপ বা ভাইবারের মতো ইন্টারনেটের জনপ্রিয় অ্যাপসগুলো থেকে শিগগির ল্যান্ডফোনে ফোন করতে পারবেন ভারতীয় গ্রাহকেরা।

ভারতের ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী ও টেলিকম অপারেটরদের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়েছে।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০১৬ সালে দাঁড়িয়েছে ৬ কোটির কিছু বেশি। ২০১৬ সালের শুরুতেই এদেশে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল চালু হয়। তবে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ইনকামিং কলের সংখ্যা কমে যাবার কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে স্কাইপ, হোয়াটসঅ্যাপ বা ভাইবারের ফ্রি ভয়েস কল সার্ভিসকে। এসব অ্যাপস বন্ধ করে দেবার চিন্তা-ভাবনাও করা হচ্ছে।

তবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)’র প্রতিবেদনে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন রেট বাড়ানোর আগে বৈধ পথে গড়ে দিনে ১২ কোটি মিনিট ইনকামিং কল দেশে আসত। ২০১৫ সালের আগস্টে কল টার্মিনেশন রেট দেড় সেন্ট থেকে বাড়িয়ে দু’সেন্ট করার পর এখন তা দৈনিক গড়ে সাত কোটি মিনিটে নেমে এসেছে।

ভিওআইপির মতো অপরাধী চক্র কিংবা চোর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে আধুনিক তথ-প্রযুক্তির গতিরোধ কতটুকু যৌক্তিক তা ভাববার সময় এখনই। কারণ পুরোপুরি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে চলছে এ দেশ।

এফএস/ এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক পেলো জাতীয় প্রেসক্লাব
অবশেষে প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক পেলো জাতীয় প্রেসক্লাব। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির নবনির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক ফরিদা ইয়াসমিন। শনিবারের নির্বাচনে তিনি ৪৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বে এরই মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়ে বিশ্বব্যাপী। যা অনেক দেশের জন্য এখন অনুসরণীয়। ফরিদা ইয়াসমিনের জয়ের মধ্য দিয়ে সে অর্জন আরেকধাপ এগিয়ে গেলো বলে মনে করছেন সাংবাদিকরা। সাংবাদিক ফরিদা ইয়াসমিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের টানা তিনবারের নির্বাচিত সদস্য। শেষবার তিনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করা এ নারী পড়াশোনা অবস্থাতেই সাংবাদিকতা শুরু করেন। দৈনিক বাংলার বাণী হয়ে তিনি দৈনিক মুক্তকণ্ঠ ও যুগান্তরে কাজ করেছেন। প্রায় দু’দশক ধরে আছেন দৈনিক ইত্তেফাকে। ফরিদা ইয়াসমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অ্যালামনাই এসোসিয়েশনেরও ভাইস প্রেসিডেন্ট।  জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি শফিক , সাধারণ সম্পাদক ফরিদা এসজে/ জেএইচ
প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক পেলো জাতীয় প্রেসক্লাব
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অ্যাম্বুলেন্স সমিতি
শনিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৬ দফা দাবিতে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছে ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুলেন্স সমবায় সমিতি। অন্যান্য অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতি এই ধর্মঘটে একাত্মতা ঘোষণা করেছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তাদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে সমিতি কর্তৃপক্ষ। সমিতির নেতাদের অভিযোগ, বিআরটিএ থেকে অ্যাম্বুলেন্সকে রুট পারমিট দেয়া হয় না, তবু রাস্তায় বের হলেই পুলিশ সার্জেন্টরা রুট পারমিট দেখতে চান। এ নিয়ে বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মামলা দেয়- অ্যাম্বুলেন্স কেন সিএনজি করা হয়েছে। তারা আরো অভিযোগ করেন, রাস্তায় বের হলেই ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার পর্যন্ত মামলা করা হয়। এছাড়া পুলিশ সার্জেন্টদের দুর্ব্যবহার, নগদ টাকার কারবারসহ অন্যান্য হয়রানি নিয়েও তারা ক্ষুব্ধ।   এসজে/ জেএইচ
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অ্যাম্বুলেন্স সমিতি
জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি শফিক, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা
জাতীয় প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির (২০১৭-১৮) নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ভোটের ফল ঘোষণা করা হয়। এবারের নির্বাচনে ১ হাজার ২১৮ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ১৮০ জন ভোটা দেন। বর্তমান সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান এ পদে টানা দু’মেয়াদে নির্বাচিত হলেন। আর ফরিদা ইয়াসমিন হলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী সাধারণ সম্পাদক। নির্বাচনে শফিক-ফরিদা প্যানেল ১৭টি পদের মধ্যে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪ টি পদে জয় পেয়েছে। এদিকে, এমএ আজিজ ও কাদের গণি পরিষদ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ দু’টি পদে জয়লাভ করে। এই দু’প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র সদস্য পদে একজন নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমান সভাপতি শফিকুর রহমান ৬৭২ ভোট পেয়ে ফের নির্বাচিত হলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম এ আজিজ পেয়েছেন ২৮৯ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ফরিদা ইয়াসমিন ৪৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাদের গনি চৌধুরী পেয়েছেন ৩৫১ ভোট। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে সাইফুল আলম (৮০৭), সহ-সভাপতি পদে আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া (৫৭০) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দু’টি পদে শাহেদ চৌধুরী (৬২৭) ও ইলিয়াস খান (৪৫২) নির্বাচিত হয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ পদে বর্তমান কোষাধ্যক্ষ কার্তিক চ্যাটার্জী ৪৭৮ ভোট পেয়ে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। সদস্য পদে নির্বাচিত হন- শ্যামল দত্ত (৫৭৪), কুদ্দুস আফ্রাদ (৫৩৫), মাঈনুল আলম ( ৫১১), রেজোয়ানুল হক রাজা (৪৮৮), মোল্লা জালাল (৪৫৯), শামসুদ্দিন আহমেদ চারু ( ৪৫২),  হাসান হাফিজ ( ৪২৩), শাহনাজ বেগম (৩৯৯), কল্যাণ সাহা (৩৭৮) ও হাসান আরেফিন (৩০৪)। জেএইচ
জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি শফিক, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা
বছর শেষেও টিআরপিতে শীর্ষে আরটিভি
বছরের শেষ সপ্তাহেও দর্শক জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভি।  আরটিভি কর্তৃপক্ষের আশা, ২০১৭ সালেও দর্শকের ভালোবাসা এবং আকর্ষণীয় সব অনুষ্ঠানমালা নিয়ে আরটিভি সবার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকবে। আরটিভির সঙ্গে থাকার জন্য সব দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদও জানান কর্তৃপক্ষ। ২০১৪ সাল থেকে তথ্য বিনোদন মানদণ্ডে টানা শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে আরটিভি। আরটিভির ফেসবুক পেজই বলে দেয়, মানুষের মাঝে কেমন সাড়া ফেলেছে এ চ্যানেল।এখন এর ফেসবুক লাইক সংখ্যা ৯০ লাখ, যা নিঃসন্দেহে ঈর্ষনীয়। সত্যিইতো, কী নেই আরটিভিতে? সব বয়সী, সব শ্রেণি-পেশার মানুষেরই দরকার মিটিয়ে চলেছে আরটিভি। আর এ সংক্রান্ত ভাবনা-চিন্তা পরিকল্পনার পেছনে রয়েছে সুদক্ষ কাণ্ডারি-কর্তৃপক্ষ এবং সৃজনশীল-উদ্যমী এক ঝাঁক তারুণ্যের আন্তরিক প্রয়াস। আর এটাতো সত্য, তারুণ্যদীপ্ত নেতৃত্বের হাত দিয়েই সম্ভব, অসম্ভবকে সম্ভব করা। সংবাদ পরিবেশনায় সত্যনিষ্ঠতা আরেক বড় শক্তি আরটিভির। সমাজ-প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেও থাকছে সাহস ও মুন্সিয়ানার পরিচয়। দরকারি নানা বিষয়ে টক-শো দারুণ জনপ্রিয়। আর দিক নির্দেশনা ও বহুমতের প্রতিফলন থাকায় এগুলো হয়ে উঠেছে দর্শকপ্রিয়। সর্বোপরি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে  আরটিভির এ পথচলা গঠনমূলক ভূমিকা রেখে চলেছে আপন ভাষা-সংস্কৃতি-ইতিহাস-ঐতিহ্যকে জিইয়ে রাখতে। আর এসবের মধ্য দিয়ে নবীন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ-উজ্জীবিত রাখতে অনবদ্য ভূমিকা বরাবরই থাকছে এ চ্যানেলের। ডিএইচ/জেএইচ
বছর শেষেও টিআরপিতে শীর্ষে আরটিভি
ইমরান এইচ সরকারের বিয়ে
গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার শুভ কাজটি সারলেন বছরের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে। ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয় শিক্ষক নাদিয়া নন্দিতা ইসলাম তিন্নির সঙ্গে তিনি বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ‌্যায় ঘরোয়াভাবে তাদের হলুদের আনুষ্ঠানিকতা হয়। শনিবার পারিবারিকভাবেই তাদের বিয়ে হচ্ছে। জানা গেছে, শুক্রবারের পারিবারিক আয়োজনে কনের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন আত্মীয় ও গণজাগরণ মঞ্চের কয়েকজন ছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরেই পারিবারিকভাবে ইমরানের সঙ্গে তার বিয়ের কথা চলছিল। ইমরান নিজেও ফেসবুক স্ট্যাটাসে এর পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তিন্নি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের মেয়ে। তিনি ভাষাতত্ত্ব বিভাগের সহকারি অধ্যাপক। ইমরান এইচ সরকার রংপুর মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন শুরু হলে তিনি মুখপাত্র নির্বাচিত হন। এসজে/এসজেড
ইমরান এইচ সরকারের বিয়ে