আউট পাস নিতে আমিরাতের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রবাসীদের ভিড়

প্রকাশ | ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৫:৪৫ | আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১৬:০৮

মাহাবুব হাসান হৃদয়, ইউএই প্রতিনিধি
ফাইল ছবি

সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার দেশটিতে অবৈধ ব্যক্তিদের বৈধ হবার সুযোগ দিয়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। ফলে তিন মাসের এই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর থেকেই  বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচহাজার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। কিন্তু একসঙ্গে এত মানুষের চাপে হিমশিম খেতে হচ্ছে কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের। জানালেন কনসাল জেনারেল এস. বদিরুজ্জামান।

কনসাল জেনারেল বলেন, লোকবল কম থাকায় ওয়ান ওয়ে পারমিট বা আউট পাস ও পাসপোর্ট নিতে আসা লোকদের সেবা দিতে তাদের বেশ কষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি যাতে তাদের দ্রুত সেবা দেয়া যায়। তবে সবার সহযোগিতা নিয়ে এই কাজ সুন্দরভাবে শেষ করার ব্যাপারে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানান কনসাল জেনারেল এস. বদিরুজ্জামান।

এদিকে দীর্ঘ ছয় বছর পর আউট পাস চালু করায় এবং ভিসা বৈধ করণের ব্যবস্থা করায় আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশিরা খুব খুশি। এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তারা বলেন, অনেকদিন পরে হলেও আমরা যে দেশে যেতে পারছি এবং ভিসা লাগাতে পারছি এজন্য আমিরাত সরকারকে ধন্যবাদ।

তবে সাধারণ ক্ষমা চালু হলেও এবং সব দেশের লোকেরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভিসা লাগাতে পারলেও আমিরাতে শ্রম মন্ত্রণালয়ের ভিসা বন্ধ থাকায় তা থেকে বাংলাদেশিরা বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই তারা বাংলাদেশ সরকারকে দ্রুত কূটনৈতিকভাবে এই সমস্যা সমাধানের অনুরোধ জানিয়েছেন। তাদের দাবি আমিরাতের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ যেন বাংলাদেশিরাও পায়।

এর আগে অবৈধ ব্যক্তিদের বৈধ হবার সুযোগ দিয়ে আমিরাত সরকার ১ আগস্ট থেকে ৩১ অক্টোবর ২০১৮ পর্যন্ত সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে। এরপর গেল সপ্তাহে দুবাইস্থ আল আবির ইমিগ্রেশন মিডিয়া উইং এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ১ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত দুবাই আল আবির ইমিগ্রেশন থেকে ১০ হাজার ৭৯৭ জনকে সেবা প্রদান করা হয়েছে।

এরমধ্যে আউট পাস ছিল দুই হাজার ৪৫৯ জন, রেসিডেন্ট পুনরায় নবায়ন তিন হাজার ৫২২ জন, নতুন স্পন্সর ভিসা দুই হাজার ১০৭ জন এবং আম্যার সেন্টার থেকে দুই হাজার ৮০৯ জনের সেবা প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি কর্মরত আছেন।

এ/ এমকে