ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

ফেসবুক কেলেঙ্কারিতে টালমাটাল সিলিকন ভ্যালি

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০১৮, ০৭:১৭ পিএম

প্রযুক্তির দুনিয়ায় ঝড় তুলেছে ফেসবুক। এরপর নড়েচড়ে বসেছে প্রযুক্তি নগরী সিলিকন ভ্যালির অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে ডাটা নির্ভর ব্যবসা চালায় এমন প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যৎ সমস্যা এড়াতে পথ খুঁজতে শুরু করেছে। খবর ইয়াহুর।

ফেসবুক কেলেঙ্কারি প্রকাশ হওয়ার পর অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও ফেঁসে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভয়টা তাদেরই বেশি যারা গ্রাহকের তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন চালায়। আর গ্রাহকদের ওই তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের প্রভাবিত করারও সুযোগ থাকে।

প্রযুক্তি শিল্পের বিশ্লেষক রব এন্ডের লে বলেছেন, এ সপ্তাহে ফেসবুক, কিন্তু সামনে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানও হতে পারে। প্রযুক্তিশিল্পে এটি অবশ্য খুব সাধারণ একটি সমস্যা।

টালমাটাল অবস্থার মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে ফেসবুক ১৪ শতাংশ বাজার মূল্য হারিয়েছে। এর ফলে অন্যতম একটি বড় ও শক্তিশালী কোম্পানির ক্ষতি গুনতে হয়েছে ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: রোদে পুড়ে পাঠদান, ঝড়-বৃষ্টিতে বন্ধ
--------------------------------------------------------

তবে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা পাঁচ কোটি ফেসবুক গ্রাহকের তথ্য হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেও পরিস্থিতি খুব একটা শান্ত করতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটির সিইও মার্ক জাকারবার্গ।

এদিকে সেন্টার ফর হিউম্যান টেকনোলজি বলছে, ফোন, অ্যাপস ও ওয়েব আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। যা প্রমাণ করে এগুলো আমাদের কতটা সুবিধা দেয়। আমরা সবাই এ চক্রে বন্দি হয়ে পড়েছি।

ফেসবুক ছাড়া কষ্টকর?

ফেসবুকের ওই কেলেঙ্কারির পর প্রশ্ন উঠেছে কী ঘটতে যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় এই মাধ্যমটির। অনেকে হ্যাশট্যাগডিলিটফেসবুক (#deletefacebook) আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। এই তালিকায় হোয়াটসঅ্যাপের সহপ্রতিষ্ঠাতা ব্রায়ান অ্যাকটন, টেসলা ও স্পেসএক্সের মালিক এলন মাস্ক থেকে শুরু করে রাজনীতিকরাও রয়েছেন।

এলন মাস্ক এমনকি ফেসবুক থেকে টেসলা ও স্পেসএক্সের অ্যাকাউন্টও মুছে দিয়েছেন। তিনি এক টুইটার বার্তায় ফেসবুক কী? বলে প্রশ্নও তুলেছেন।

এদিকে প্রশ্ন উঠছে ফেসবুক যে ছেড়ে যাব তাহলে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে যোগাযোগটা রক্ষা করবো কীভাবে? যোগাযোগ আর ব্যবসার অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠা ফেসবুককে তাই ছেড়ে যাওয়া অনেকের জন্য সত্যিই কষ্টকর।

নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং-এর অধ্যাপক স্কট গ্যালোওয়ে বলেছেন, ফেসবুকের নিজের যতটা না দরকার তার চেয়ে বেশি কোম্পানিকে দরকার বিজ্ঞাপনদাতাদের।

গ্রাহকের তথ্য ব্যবহারের মডেল নিয়েই প্রশ্ন

আসলে সব প্রতিষ্ঠানই তাদের গ্রাহকদের তথ্য ব্যবহার করে। কেননা ওই তথ্য ব্যবহার করেই মূলত তারা ও বিজ্ঞাপনদাতারা লাভবান হয়ে থাকেন। যেমন অ্যামাজন অনলাইন ক্রেতাদের তথ্য ব্যবহার করে বিভিন্ন অফার দেয়।

গুগলের ওয়েমো আর রাইড-শেয়ার প্রতিষ্ঠান উবারও এর ব্যতিক্রম নয়। আবার পিছিয়ে নেই চিকিৎসা খাতের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহ করে সে অনুযায়ী চিকিৎসা বা কোনো একটা রোগের ট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা দেয়।

আরও পড়ুন:

এ/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
পকেটে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স বিস্ফোরণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের এক ব্যক্তি। এসময় ওই ফোনে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতের প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম গেজেটস নাউ জানিয়েছে, জ হিলার্ড নামের এক ব্যক্তি ২০ দিন আগে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স কিনেন। কিন্তু এটা হঠাৎ তার পকেটে বিস্ফোরিত হয় এবং আগুন ধরে যায়। হিলার্ড জানান, ডিসেম্বরের ১২ তারিখ এই ঘটনা ঘটে। ওইদিন তিনি দুপুরের খাবার খেতে বাইরে যান। হঠাৎ তিনি বুঝতে পারেন, তার প্যান্টের পেছন পকেট থেকে বাজে গন্ধ আসছে। এসময় তিনি তাপ অনুভব করেন এবং এরপরই ধোঁয়া দেখতে পান। যে কারণে বুঝতে দেরি হয়নি যে তার আইফোনে আগুন ধরে গেছে। এ সম্পর্কে হিলার্ড বলেন, আমি তাপ অনুভব করা এবং ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার পর দ্রুত স্থান ত্যাগ করি, যেহেতু ওই জায়গায় একজন মেয়ে ছিল। এরপর আমি বোর্ড রুমে গিয়ে দ্রুত প্যান্ট খুলে ফেলি। আমার আর্তনাদ শুনে কয়েকজন এসে আগুন নেভায়। এই ঘটনার পর হিলার্ড অ্যাপল কেয়ারে যোগাযোগ করেছেন। হিলার্ড দাবি করেন, অ্যাপলের সুরক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এরপর অ্যাপলের ওই কর্মকর্তা হিলার্ডকে বিস্ফোরিত ফোনের ছবি, ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক এবং কোনও আহতের ছবি থাকলে সেগুলো পাঠাতে বলেন। এসব প্রমাণ পাঠানোর পর কয়েকদিন পর নতুন আইফোন পান হিলার্ড। ডি/ এসএস
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে আজ সোমবার সকালে তাপমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন পর্যন্ত এটাই চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে সারা দেশে বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ বইছে, গত শুক্রবার থেকে শৈত্যপ্রবাহ কোথাও কোথাও তীব্র আকার ধারণ করে। সারাদেশের মতো ঢাকাতেও জেঁকে বসেছে শীত। শীত শুরু হওয়ার পর থেকে তীব্রতা খুব একটা না থাকলেও এখন বেশ শীত পড়ছে। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, ‘এবছর তাপমাত্রা ৫ দশমিক ১ ডিগ্রির নিতে নামেনি। এটাই এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আপাতত তাপমাত্রা এর নিচে নামার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। আগামী ৩-৪ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে তারপর শৈত্যপ্রবাহ ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। আজ সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, একদিন আগে তা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি ও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির চেয়ে বেশি থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলে তাকে বলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চগড় জেলার উপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, নওগাঁ, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা এবং বরিশাল অঞ্চলসহ রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশ ও ময়মনসিংহ বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা কিছু কিছু জায়গায় অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পি
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে নতুন বছর, নতুন শিক্ষাবর্ষ। প্রতিবারের মতো এবারও বছরের শুরুর দিনেই সারা দেশে উৎসব করে প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর বই দেয়া হবে। এবার প্রায় সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের নতুন বই তুলে দেয়া হবে।  জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, এরইমধ্যে প্রায় সব বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠ পর্যায়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।  ২০১৯ সালের জন্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য মোট ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই দেয়া হচ্ছে।  এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) রতন সিদ্দিকী জানিয়েছেন, বই উৎসবের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। বছরের শুরুর দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মূল্যের বই তুলে দেয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মাধ্যমিক স্তরের কেন্দ্রীয় বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠান হবে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৯টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক স্তরের বই উৎসবের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। কাল সকাল ১০টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিয়ে বিনা মূল্যের বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসআর
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ভোটগ্রহণ শেষে টানা ২০ ঘণ্টা পর চালু হলো মোবাইল ফোন ইন্টারনেট। রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ইন্টারনেট চালু করা হয়। এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশে দেশজুড়ে সম্পূর্ণ মোবাইল ফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় মোবাইল অপারেটরগুলো। এছাড়া গেল বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় ১০ ঘণ্টা মোবাইল ইন্টারনেটে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় খোলার পর শনিবার দুপুর পর্যন্ত তা চলছিল। এরপর শনিবার বিকেল ৩টা থেকে দ্বিতীয় দফায় থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। তখন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) জাকির হোসেন খান বলেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে, গুজব প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনায় মোবাইল ফোন অপারেটদের থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। ডি/জেএইচ
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
শিক্ষার্থীরা প্রায়ই স্কুল ফাঁকি দেয়। বাসা থেকে স্কুলের কথা বলে বের হলেও মাঝেমধ্যেই স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ায় তারা। আর এই সমস্যা সমাধানে নতুন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে চীনের স্কুলগুলো। তারা চিপযুক্ত ‘স্মার্ট ইউনিফর্ম’ বা স্মার্ট পোশাক চালু করেছে। এই পোশাক পরা শিক্ষার্থী কোথায় আছে তা জানতে পারবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে স্কুলড্রেস পরে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে অন্য কোথাও গেলে তা ধরে ফেলতে পারবে তারা। চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদপত্র দ্য গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে এসব কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্ত বিষয়ক গণমাধ্যম দ্য ভার্জ। গণমাধ্যমটি জানায়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে চীনের স্কুলগুলো। চিপ ব্যবহার করা হলেও এই পোশাক ধোয়া যায়। এর কার্যক্রম ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে এবং এটা ৫০০ বার ধোয়া যাবে। এই পোশাকের আরও কিছু সুবিধা আছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো- কোনও শিক্ষার্থী ক্লাসে ঘুমিয়ে গেলে তা স্মার্ট পোশাকের মাধ্যমে শনাক্ত করা যাবে। বর্তমানে চীনের গুইজো প্রদেশের ১০টি স্কুলে স্মার্ট ইউনিফর্ম ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই পোশাক ব্যবহারকারী স্কুলের সংখ্যা বাড়তে পারে। ডি/কে
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
আরও পড়ুন
সেনাবাহিনীর নামে ভুয়া ওয়েবসাইট সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান
ফেসবুকে প্রেম করতে নিষেধ করলেন জেলখাটা ভারতীয় প্রেমিক
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাশকতায় গ্রেপ্তার তিন
বাংলাদেশের নয়টি ফেসবুক পেজ ও ছয়টি অ্যাকাউন্ট ডিলিট করেছে ফেসবুক