• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

ডলফিনের প্রেমকাহিনি!

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ১৯ জানুয়ারি ২০১৮, ১৬:১৬ | আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৮, ১৬:২০
যদি ভেবে থাকেন আপনিই বিশ্বপ্রেমিক, তাহলে ভুল করছেন। শুধু মানুষ-ই না, প্রেমিকাকে নেচে-গেয়ে খুশি করার পাশাপাশি উপহার দিতে ভালবাসে পুরুষ ডলফিনরাও। কি, অবাক হচ্ছেন! বিস্ময়ের এখানেই শেষ নয়। ডলফিনের সবচেয়ে পছন্দের উপহার— সামুদ্রিক স্পঞ্জ। খবর অস্ট্রেলিয়ান জিওগ্রাফিকের।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে গবেষণা দলটি। উত্তর-পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় এক দশক ধরে গবেষণা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা।

প্রেয়সীকে উপহার দেয়ার চল সেই আদ্যিকাল থেকে। সারাদিনের কাজের শেষে বাসায় একটি গোলাপ নিয়ে গেলে অর্ধাঙ্গিনীর মুখে যে প্রাণজুড়ানো হাসি দেখা যায়, সে হাসির কোনো তুলনা নেই। শুধু মানুষই না, জীবজগতের অন্যান্য পশুপাখির মধ্যেও বিপরীত লিঙ্গটিকে খুশি রাখার আপ্রাণ চেষ্টা দেখা যায়। প্যারাডাইজ বার্ড নামের এক প্রজাতির পাখি আছে যারা তাদের সঙ্গিনীদের নেচে পটানোর চেষ্টা করে।

সমুদ্রের ঢেউ কাটিয়ে শূন্যে লাফিয়ে ওঠা কিংবা জলকেলিতে ডলফিনকে বেশ পারদর্শী বলেই মনে হতো, বিভিন্ন তথ্যচিত্রে আমরা এসব দেখে ও থাকি। তারা নাচের সঙ্গে শিস দিয়ে গাইতেও পারদর্শী। সমুদ্রবিজ্ঞানী থেকে পর্যটক, এ দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছেন অনেকেই। তবে তারা যে উপহারও দিয়ে থাকে প্রেমিকাকে, সেটা এতোদিন জানা যায়নি। একটি প্রাপ্তবয়স্ক অস্ট্রেলীয় হাম্পব্যাক পুরুষ ডলফিনকে নিয়ে তথ্যচিত্র বানাতে গিয়ে ব্যাপারটা ধরা পড়েছে গবেষকদের ক্যামেরায়।

প্রথমে একটি ডলফিন পরিবারকে নিয়ে তথ্যচিত্র বানানো শুরু হয়। এ তথ্যচিত্রে ডলফির বাবা-মা ও তাদের ছানার কার্যকলাপ লক্ষ্য করা হয়। তাতে দেখা যায়, এক ডুবে পুরুষ ডলফিনটি চলে যায় সমুদ্রের একেবারে গভীরে। তারপর সমুদ্রতট থেকে একটি স্পঞ্জ উপড়ে নিয়ে সাঁতরে যায় সঙ্গিনীর কাছে।

গবেষকদের বিশ্বাস, ডলফিন পুরুষরা এভাবেই পটিয়ে থাকে তাদের পত্নীদের। এভাবে উপহার দেওয়ার মধ্যে সম্ভবত পুরুষের শক্তি প্রদর্শনও রয়েছে। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে গেলো বছর ন্যাচার ম্যাগাজিনে।

আরও পড়ুন

কেএইচ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়