close
ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | ০২ পৌষ ১৪২৪

পাঠক প্রতিক্রিয়া

যাত্রীরা আর সিএনজিতে চড়তে চান না

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২১ নভেম্বর ২০১৭, ২১:০৩
মেয়াদোত্তীর্ণ অটোরিকশা অপসারণ করে নতুন অটোরিকশা প্রতিস্থাপন, উবার-পাঠাও'র মতো অ্যাপ নির্ভর পরিবহন সেবা বন্ধসহ
৮ দফা দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে সিএনজি অটোরিকশা চালকরা। এসব দাবি না মানা হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামে আগামী ২৭ নভেম্বর ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটে যাবার ঘোষণা দেন তারা।

এ নিয়ে গেলো সোমবার আরটিভি অনলাইনে ‘সিএনজি চালকদের ধর্মঘট হাস্যকর: ভোক্তা’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি ব্যাপক সাড়ে ফেলে। প্রতিবেদনটি আরটিভি অনলাইনের ফেসবুক পেজে প্রকাশের পর অসংখ্য পাঠক প্রতিক্রিয়া আসতে থাকে। ১ কোটি সাড়ে ছয় লাখ সাবস্ক্রাইবারের পেজটি থেকে পাঠকদের কয়েকটি মন্তব্য তুলে ধরা হলো।

আমজাদ হোসেন নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কমেন্ট বক্সে লিখেছেন, আমি সিএনজিতে যাতায়াত করবোনা, তোমরা ধর্মঘট সারা বছর ধরে করো, আমি খুব খুশি, তোমরা সাধারণ মানুষের দুঃখ বোঝনা। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে এয়ারপোর্ট আসতে ভাড়া নিয়েছো ৩০০ টাকা।

মালয়েশিয়া ভিক্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের এ কর্মকর্তা আরো বলেন, আমরা বিদেশে সবসময় যাতায়াত করি, উবার, গ্রাভ এগুলোর মাধ্যমে। তারা কখনো বলেনা গরীব মানুষ, বৃষ্টি বেশি হচ্ছে, অনেক রাত, ভাড়া বেশি দিতে হবে, আমাদের দেশে এইসব সমস্যা আছে তাই মানুষ সিএনজি বন্ধ হলে খুশি হবো।

মোহাম্মদ হাবিব নামের আরেকজন লিখেছেন, সিএনজি মালিকরা চালকদের ওপর ভাড়া ডাবল করে দেয়। তাই চালকরা রাস্তায় ভাড়া নিয়ে অরাজকতা করেন। মালিক সমিতি আর বিআরটিএ’র কিছু কুলাঙ্গার টাকার বিনিময়ে নতুন সিএনজি’র নম্বর দেয়। এ কারণে ভাড়াও বেড়ে যাচ্ছে। ঢাকা শহরে আরো পাঁচ হাজার সিএনজি নামলে আগের মালিকদের অবস্থা খারাপ  হয়ে যাবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মামুন তালুকদার লিখেন, সিএনজি অটোরিকশার ধর্মঘট খুবই যৌক্তিক। আমরা চাই এই ধর্মঘট অনন্তকাল চলুক।

আব্দুর রউফ লিখেছেন, সিএনজি চালকদের কি দোষ দিবেন বলেন, মালিক তাদের ওপর চাপ দেয়। আর মালিক বেশি জমা নেয়ার পেছনেও যথেষ্ট যুক্তি আছে। সম্পূর্ণ দোষ আমাদের প্রশাসনের, তারা অনেক টাকা খায়, আমাদের সিস্টেমে অনেক গলদ। না হলে একটা সিএনজি নামাতে কেন ১৯ লাখ টাকা খরচ হবে? 

ঢাকার এ বাসিন্দা বলেন, সরকার একদিকে এতো বেশি টাকা নিবে অন্যদিকে বলবে মিটারে যাবে, তা কি হয়? তার বলি হচ্ছি আমরা সাধারণ যাত্রীরা, প্রশাসন ঠিক করলে সিএনজিও মিটারে যাবে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার নকিব জুলহাস লিখেছেন, তাদের ধর্মঘটের কারণে আমি প্রথমবার উবার ও পাঠাও সম্পর্কে জানলাম। তাই অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিলাম। এখন তো আমি এই সেবাই নিবো।

সদরঘাট থেকে এয়ারপোর্টে যতবার গিয়েছি ৫০০ টাকার নিচে দিতে পারিনি। তারপরও তারা বলে ভাড়া কম। লিখেছেন সজিব খান তৌহিদ।

ইমরান খান নামে বুয়েটের শিক্ষার্থী লিখেছেন, বকসীবাজার থেকে শান্তিনগর ৭৫ টাকা মিটারে উঠার পর ২০০ টাকা ভাড়া দিয়েও মন পাওয়া যায় না, ২৫০ টাকা চায়! 

আরটিভি অনলাইনের ফেসবুক পেজে আমিনুল সুমন মন্তব্য করেছেন, সিএনজি বন্ধ হলে ভালো হবে, তাদের চেয়ে ডাকাতরা আরো ভাল। ৩ মিনিটের রাস্তার ভাড়া ৭০ টাকা, আবার কি ভাব। বেশির ভাগ ড্রাইবার ছিনতাইকারী, মলম পার্টি, লাইসেন্স বিহীন বেয়াদব।

মেহেবুবা সুলতানা বলেছেন, ওদের দাবির যুক্তি দেখছিনা। উবার-পাঠাওয়ের মতো সিএনজি অটোরিকশাকেও অ্যাপের আওতায় আনা হোক।

উমর ফারুকের মত, ও ভাই সিএনজিওয়ালা কেউ তোমার পা ধরেনি যে সিএনজি তোমাকে চালাতেই হবে। তুমি সারাজীবন ধর্মঘট দাও তাতে কোন সমস্যা নাই। আমরা পাঠাওতে বাইকে চড়বো আর নয়তো প্রাইভেট কারে।

মৃদুল দত্ত লিখেছেন, হাসি পাচ্ছে শুধু। মামার বাড়ির আবদার নাকি। এখন পাঠাও এর ব্যবহার অনেক ভালো সরাসরি কমপ্লেইনসহ সবকিছুতে সার্পোট দেয় ওরা।

ওয়াই/এসজে

সিএনজি চালকদের ধর্মঘট হাস্যকর: ভোক্তা

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়