close
ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭ | ০৮ কার্তিক ১৪২৪

রোববার ৭ খুন মামলার আপিলের রায় (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১২ আগস্ট ২০১৭, ১৪:২২ | আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৭, ২১:০৭
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুন মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের রায় ঘোষণা করা হবে আগামীকাল রোববার।

বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে রোববারের কার্যতালিকায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল মামলাটি এক নম্বরে রাখা হয়েছে।

গেলো ২৬ জুলাই ৭ খুনের দু’মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে ১৩ আগস্ট রায়ের জন্য রাখেন আদালত।

গেলো ১৬ জানুয়ারি চাঞ্চল্যকর ৭ খুনের দু’মামলার রায়ে আসামি নূর হোসেন ও র‌্যাবের বরখাস্তকৃত ৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালত।

৩৫ আসামির মধ্যে বাকি ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এরপর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা মামলার সব নথি বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। এরপরই বিজি প্রেস পেপারবুক প্রস্তুত করে গেলো ৭ মে হাইকোর্টে পাঠায়।

প্রয়োজনীয় আইনি কাজ শেষে গেলো ২২ মে থেকে আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু হয়। ৩৩ কার্যদিবসের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এম এ মান্নান্ন মোহন ও জাহিদ সরওয়ার কাজল এবং সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ।

আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, এস এম শাহজাহান প্রমুখ।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২৬ জনের মধ্যে গ্রেপ্তার ও আত্মসমর্পণ করে কারাগারে থাকা  ২০ জন নিয়মিত ও জেল আপিল করেছেন।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৭ জনকে অপহরণের ৩ দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় নিহত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২নং ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিম।

৭ খুনের ঘটনায় প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও তার ৪ সহকর্মী হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি এবং সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়ির চালক ইব্রাহিম হত্যার ঘটনায় জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে একই থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

দু’টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম একসঙ্গে শেষ করে রায় দেন বিচারিক আদালত।

 

জেবি/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়