• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

কদরের রাতে সব গুনাহ মাফ হয়

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ২৩ জুন ২০১৭, ১৬:২০ | আপডেট : ২৩ জুন ২০১৭, ১৬:২৪
রমজান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস, যা উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য পুরস্কারস্বরূপ। এ মাসের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোয় এমন একটি ফজিলতের রাত রয়েছে যা হাজার মাস ইবাদত করার চেয়েও উত্তম। যার নাম লাইলাতুল কদর। আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেন, ‘নিশ্চয় আমি লাইলাতুল কদরে কোরআন নাজিল করেছি।

বুখারি ও মুসলিম শরীফে  এসেছে, রসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রেখে সওয়াবের আশায় ইবাদত করে, তার আগের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। ’

লাইলাতুল কদর উপলক্ষে কোরআন-হাদিসের আলোকে আমাদের করণীয় হলো :

১. লাইলাতুল কদরের ফজিলত পাওয়ার উদ্দেশ্যে নফল ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে রাত জাগা।  যেমন নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ-তাহলিল ইত্যাদি আমল করা।

এ রাতের আরও একটি আমল হলো দোয়া করা, বিশেষভাবে মাগফিরাতের দোয়া করা অর্থাৎ আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।

হাদিসে এসেছে, হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ইয়া রসুলুল্লাহ! যদি আমি বুঝতে পারি কোন রাত লাইলাতুল কদর, তাহলে ওই রাতে আমি কী বলব? অর্থাৎ আল্লাহর কাছে কী চাইব?

রসুল (সা.) বললেন, তুমি বলবে হে আল্লাহ! তুমি বড়ই ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে তুমি ভালোবাসো, তাই আমাকে ক্ষমা করে দাও। এভাবে এই রাতে রসুল (সা.) ক্ষমা চাওয়ার দোয়া শিক্ষা দিলেন যে, তুমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও, ক্ষমা পাওয়ার জন্য দোয়া কর।

ফুকাহায়ে কিরাম বলেছেন, এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করার আগে যদি কেউ গোসল করে নিতে পারে তবে সেটাই উত্তম। এই লাইলাতুল কদর পাওয়াটা যেন অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। এজন্য রমজানের শেষ দশকে যারা এতেকাফ করবেন, তাদের কদর পাওয়া অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যাবে। ২০ রমজান সূর্য অস্ত যাওয়ার আগেই এতেকাফের স্থানে চলে আসতে হবে। এরপর ঈদের চাঁদ দেখা দিলে এতেকাফ শেষ হবে। আল্লাহতায়ালা আমাদের ইবাদত-বন্দেগিগুলোকে কবুল করুন। আমিন।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়