যখন তখন পানি পানে হতে পারে ক্ষতি

প্রকাশ | ২২ জুন ২০১৮, ১২:৫৮ | আপডেট: ২২ জুন ২০১৮, ১৫:৪২

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

ভাবছেন, পানি পানের আবার কী নিয়ম হতে পারে? হ্যাঁ, পানি পানেরও কিছু নিয়ম আছে। যখন তখন ইচ্ছা হলেই পানি পান করা যায় না। পানি  ‍শুধু আমাদের তৃষ্ণা মেটায় না, এটা শরীরে পানির মাত্রা ঠিক রাখে, খিদে কমায় এবং অতিরিক্ত ক্যালরি পুড়াতে সাহায্য করে। লাইফস্টাইল পোর্টাল বোল্ডস্কাই অবলম্বনে চলুন জেনে নেই পানি কোন সময়ে পান করতে হয়।  

১) খাওয়ার সময় পানি পান স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। এসময় পানি পান করলে হজমে সহায়ক এনজাইম এবং অ্যাসিডগুলির কর্মক্ষমতা কমে যায়। ফলে খাবার হজম হতে সমস্যা হয়। দেখা দেয় বদহজমের মতো সমস্যা।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : স্ট্রোক ও হৃদরোগ থেকে বাঁচতে ডিম খান প্রতিদিন
--------------------------------------------------------

২) ভারি খাবার, যেমন ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ অথবা ডিনারের আগে পানি খেতে পারেন, কিন্তু পরে একবারেই নয়। তবে, খাবার খাওয়ার আগে অল্প করে পানি পান করতে পারেন, বেশি পানি পান করলে আবার খাবার খেতে পারবেন না।

৩) শরীর ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা খুবই দরকার। কিন্তু অতিরিক্ত পানি পান করলে শরীরে লবণের ভারসাম্য বিগড়ে গিয়ে নানা ধরনের রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

৪) প্রস্রাব পরিষ্কার হলে বেশি বেশি পানি পানের দরকার নেই।

৫) ব্যায়াম করার পরে সঙ্গে সঙ্গে পানি পান করবেন না।  হালকা ব্যায়ামের পর অল্প করে পানি পান করা যেতে পারে। কিন্তু ভারি ব্যায়ামের পর পানি পান একদমই উচিত নয়। যেহেতু শরীরচর্চা করার সময় ঘামের সঙ্গে অনেক পরিমাণে মিনারেল বেরিয়ে যায়। তাই এই ঘাটতি মেটাতে শরীরচর্চার পর ডাবের পানি পান করা যেতে পারে।

৬) সকালে ঘুম থেকে উঠেই পানি খেতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে সকাল ঘুম থেকে উঠেই ১-২ গ্লাস পানি পান করলে দেহের কর্মক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।

৭) বেশি বেশি পানি খেলে ভাইরাসজনিত রোগের সংখ্যা কমে যায়। শরীরে পানির মাত্রা যত বাড়তে থাকে, প্রস্রাবের মাত্রাও তত বেড়ে যায়। ফলে, শরীরে ক্ষতিকর জীবানু বাসা বাধার সুযোগ পায় না। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত ৩-৪ লিটার পানি পান করতে ভুলবেন না।

আরও পড়ুন :

কেএইচ/জেএইচ