• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

ধুলায় ধূসর শিশু প্রহর

সিয়াম সারোয়ার জামিল
|  ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৬:০২ | আপডেট : ০৪ মে ২০১৭, ১৮:৪৬
'বই কিনলাম। গল্পের বই, কবিতার বই, ভূতের বই। গেলোবার বাবার সঙ্গে এসেছিলাম, অনেক বই কিনেছিলাম। এবার মায়ের সঙ্গে এসেছি। অনেক মজা হয়েছে। তবে ধুলা অনেক। ওটা না থাকলে ভাল হতো।' নিজের অভিব্যক্তির কথা এভাবেই জানালো ১১ বছর বয়সী শিশু বুবলি। মা রেশমা জামানের সঙ্গে শুক্রবার সকালেই এসেছিল সে।

গেলো বছর শিশু প্রহর ছিল মেলার শেষের দু'শুক্রবার। তবে এবার মেলা কর্তৃপক্ষ সেটাকে বাড়িয়ে প্রতি শুক্র ও শনিবার ঘোষণা করেছে। শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে শিশুদের জন্য এ প্রহর শুরু হয়েছে, চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। শনিবারও একই সময়ে শুরু হবে শিশুপ্রহর। তবে মেলা স্বাভাবিকভাবেই চলবে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।

শিশু প্রহরে আছে প্রকাশনী উৎসব, রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন। এ বিষয়ে মেলা কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ আরটিভি অনলাইনকে জানান, 'শিশুদের সাহিত্যে-সংস্কৃতিতে অনুপ্রাণিত করতেই শিশুপ্রহর। শিশুরা যাতে প্রাণ খুলে মেলায় ঘুরতে পারে, এ জন্য ছুটির দিন সকাল থেকেই মেলা খুলে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের জন্য কিছু আয়োজন রাখা হয়েছে, যাতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।'

আজিমপুর থেকে এসেছেন শিশু রবিউল ও তার মা মেহজাবিন আহমেদ। তিনি বললেন,  'চাকুরি করি। ছুটি তো শুধু শুক্রবারই। ছেলের বাবাও চাকরি করেন। চাইলেই আসা যায় না। ছুটি পেয়েই তাই ছেলেকে নিয়ে এসেছি। সকালের দিকে বেশি ভিড় নেই। ভালোই লাগছে। তবে ধুলো বেশি। সকালেই এ অবস্থা, বিকালে কী যে হবে!'

বইমেলায় আসা ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রেহনুমা তারান্নুমও জানালো ধুলোয় বিরক্তির কথা। ধুলোতে বিরক্ত লাগছে। ওটা ছাড়া সব ভালো। এখনো অনেক বইয়ের দোকান সেভাবে প্রস্তুত হয়নি।' রেহনুমা আরো জানান, 'মেলায় শিশুদের গল্পের বই একেবারেই কম। ছোটদের পড়ার মত ভাল বই নেই।'

এ বিষয়ে মেলা কমিটির সদস্য সচিব জালাল উদ্দিন বললেন, 'এখনো সব গুছিয়ে ওঠা যায়নি। পানি ছিটানো ও সাজ-সজ্জার বিষয়টি নিরাপদ ইভেন্ট কোম্পানি দায়িত্ব নিয়েছিল। খোঁজ নিচ্ছি। দর্শনার্থীদের কাছে মেলা উপভোগ্য করতে প্রয়োজনীয় সবকিছুই আমরা করবো।'

এসজে/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়