• ঢাকা বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

ঝুলন্ত পার্লামেন্টের দিকে এগোচ্ছে সুইডেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:৩৮ | আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:৪৯
সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে উল্লাস করছে সোশ্যাল ডেমোক্রেট সমর্থকরা। তবে নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি।

সুইডেনে রোববারের সাধারণ নির্বাচনে কোনও জোটই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে নির্বাচনে অভিবাসনবিরোধী জোট অনেকটা ভালো করায় ঝুলন্ত পার্লামেন্টের দিকে এগোচ্ছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার এই দেশটি। খবর বিবিসি, আল-জাজিরার।

এখনও কিছু ভোট গণনা বাকি আছে। তবে সোমবার সবশেষ ফল অনুযায়ী সামান্য ভোটে মধ্য-ডানপন্থী জোটের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে মধ্য-বামপন্থী জোট। উভয় জোটই ৪০ শতাংশের কিছু বেশি ভোট পেয়েছে।

এদিকে জাতীয়তাবাদী সুইডেন ডেমোক্রেটস (এসডি) পার্টি এই নির্বাচনে প্রায় ১৮ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। এই দলটি গেলো নির্বাচনে ১২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছিল।

তাই সরকার গঠনের জোট ছাড়া বিকল্প নেই। কিন্তু প্রধান দুই জোট এসডির সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যদিও এসডি পার্টির নেতা বলেছেন, তিনি সব দলের সঙ্গেই কথা বলতে প্রস্তুত আছেন।

এর আগে দলের এক সমাবেশে এসডি নেতা জিমি আকেসন বলেন, আমরা পার্লামেন্টে আরও বেশি আসন পাবো এবং সামনের দিনগুলোতে সুইডেনে প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবো।

তিনি নির্বাচনে প্রতি পাঁচজন বা চারজনে একজন সুইডিশের ভোট পাওয়ার আশা করেছিলেন। তবে তার দল প্রতি ছয়জনে একজনের ভোট পেয়েছে।

সুইডেন অবশ্য জোট সরকার এবং এই নির্বাচনেও যে কোনও দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে, সেটিও কেউ আশা করছিল না।

সুইডেনের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেনের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোটে রয়েছে সোশ্যাল ডেমোক্রেটস ও গ্রিন পার্টি। এছাড়া পার্লামেন্টে বামপন্থী দলগুলোর সমর্থন রয়েছে তাদের।

অন্যদিকে মধ্য-ডানপন্থী জোটে রয়েছে চারটি দল। এগুলো হলো- মডারেটস, সেন্টার, লিবারেলস এবং ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটস। সোশ্যাল ডেমোক্রেটসদের কয়েক দশকের আধিপত্য মোকাবেলায় ২০০৪ এই চার দল জোট গঠন করে। এই জোটের মূল দল হচ্ছে মধ্য-ডানপন্থী মডারেটস পার্টি এবং তারা দলটির নেতা উলফ ক্রিস্টারসনকে তাদের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব দিয়েছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অভিবাসনবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সমর্থন বাড়তে দেখা গেছে। চলতি বছরের প্রথম দিকে ইতালির নির্বাচনেও যে জোট সরকার ক্ষমতায় আসে, সেটিও অভিবাসনবিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত। এছাড়া জার্মানিতে চরম-ডানপন্থী দল ১২.৬ শতাংশ এবং ডেনমার্কের ডেনিশ পিপলস পার্টি ২১ শতাংশ ভোট পায়।
 

আরও পড়ুন  :

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়