• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

ভারতে মাওবাদীদের সঙ্গে বাম বুদ্ধিজীবীদের যোগসাজশ রয়েছে, দাবি পুলিশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৫৭ | আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৫:১৮
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন পরমবীর সিং

রাজীব গান্ধী হত্যার মতোই ভয়াবহ পরিকল্পনা ছিল গ্রেপ্তারকৃত বাম বুদ্ধিজীবীদের। মাওবাদীদের সঙ্গে ওই বুদ্ধিজীবীদের যোগাযোগ, অস্ত্র ও অর্থ জোগানে মদদের প্রমাণ রয়েছে। এমনটাই দাবি করেছে ভারতের পুনে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, ভারভারা রাও, সুধা ভরদ্বাজদের বাড়িতে তল্লাশিতে যে সমস্ত চিঠিপত্র পাওয়া গেছে, সেখানে ‘গ্রেনেড লঞ্চার’, ‘মোদিরাজ খতম’ করার মতো বক্তব্য পাওয়া গেছে।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : তামিলনাড়ুতে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৭
-------------------------------------------------------

মহারাষ্ট্র পুলিশের এডিজি পরমবীর সিং বলেন, গেল বছরের ৩১ জানুয়ারি ঘৃণামূলক ভাষণ দেয়া হয়েছিল। পরে ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

সব অভিযুক্তই কবীর কালা মঞ্চের সঙ্গে জড়িত দাবি করে এডিজি আরও বলেন, বড় রকমের ষড়যন্ত্র করেছিল মাওবাদী সংগঠনগুলো। তাদের সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে সাহায্য করছিল অভিযুক্তরা। একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের যোগও রয়েছে।

পরমবীর সিং বলেন, তদন্তের পর উপযুক্ত প্রমাণ পাওয়ার পরই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাদের গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ভীমা-কোরেগাঁও কাণ্ডে এ বছরের জুনে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন রোনা উইলসন। তিনি ‘কবীর কলা মঞ্চ’র সদস্য। আবার সোমবার যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তারাও সবাই এই মঞ্চের সদস্য।

পরমবীর সিং বলেন, গত বছরের ৩০ জুন এই রোনা উইলসনের সঙ্গে মাওবাদী নেতা সুরেন্দ্র গ্যাডলিং ওরফে প্রকাশের কথোপকথনের একটি সূত্র পায় পুলিশ। ওই কথোপকথন ‘প্রটেক্টেড’ বা সুরক্ষিত হলেও পুলিশ পাসওয়ার্ড উদ্ধার করে। সেই সূত্রেই ইঙ্গিত মেলে, নাশকতা ঘটিয়ে সরকার ফেলে দিতে চায় মাওবাদীরা।

এদিকে মারাঠিতে লেখা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার অনুবাদ জমা দিতে না পারায় দিল্লি হাইকোর্ট পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছে।

আরও পড়ুন : 

এ/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়