• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

পোপের চুমোয় আরোগ্য শিশুর ব্রেন টিউমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ২০ আগস্ট ২০১৮, ২১:৩৭
জিয়ান্নার মাথায় চুমো খাচ্ছেন পোপ ফ্রান্সিস

জন্মের কয়েক মাস পরই ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে জিয়ান্না মাসসিয়ানতোনিও’র। চিকিৎসকরা বলেছিলেন, আর মাত্র কয়েক মাস বাঁচবে সে। কিন্তু চিকিৎসকদের সেই ভবিষ্যৎবাণীকে ভুল প্রমাণ করে দিয়ে এখনও দিব্যি বেঁচে আছে জিয়ান্না। খবর মিররের।

কিন্তু কিভাবে এই অসাধ্য সাধন করলো জিয়ান্না। পরিবারের দাবি পোপ ফ্রান্সিস তার মাথায় চুমো দিয়েছে। তাই সেরে গেছে জিয়ান্নার ব্রেন টিউমার। ঘটনাটা ২০১৫ সালের। তখন জিয়ান্নার বয়স এক বছরের একটু বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পোপ জিয়ান্নার মাথায় চুমো খান।

জিয়ান্নার যে ব্রেন টিউমার আছে সে বিষয়ে ৮১ বছর বয়সী এই ধর্মীয় নেতার কোনও ধারণাই ছিল না। কিন্তু পোপের গাড়ি যখন যাচ্ছিল তখন তার সামনে জিয়ান্নাকে ধরা হলে পোপ ফ্রান্সিস তাকে চুমো খান।

প্রায় তিন বছর পর জিয়ান্নার পরিবার এখন বলছে, তাকে কেমোথেরাপি দেয়ার পর ব্রেন টিউমারের অস্তিত্ব এখন আর নেই।

জিয়ান্নার হিস্টিওসাইটোসিস আছে বলে পরীক্ষা ধরা পড়ে। এটি একটি ব্লাড ডিসঅর্ডার। যখন রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমাণ অতিমাত্রায় বেড়ে যায় তখন এটিকে হিস্টিওসাইটোসিস বলে। এই ডিসঅর্ডার থেকেই জিয়ান্নার মাথায় টিউমার তৈরি হয়।

জিয়ান্নার বয়স যখন চার মাস তখনই তার অপারেশন করা হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলেছিলেন, নিজের প্রথম জন্মও পালন করতে পারবে না জিয়ান্না।

জিয়ান্নার বাবা-মা তার সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য বিশ্বাস ও ফিলাডেলফিয়ার চিলড্রেন হাসপাতালে মেডিকদের কৃতিত্ব দিয়েছেন।

পরিবারের সঙ্গে জিয়ান্না

জিয়ান্নার মা কার্সটেন মাসসিয়ানতোনিও বলেন, সে খুব ভালো করছে। সে এই শরতে প্রিস্কুলে যোগ দেবে। এটা নিয়ে সে খুব উত্তেজিত আছে।

জিয়ান্নার বাবা জোয় মাসসিয়ানতোনিও বলেন, আমাদের সন্তানকে দৌড়াতে দেখে, সে যা করতে চাইছে তা করতে দেখে, খুব দারুণ লাগছে। মাসসিয়ানতোনিও পরিবার ফিলাডেলফিয়া চিলড্রেন হাসপাতালের ওপর এতোটাই খুশি হয়েছেন যে, তাদের ৫০ হাজার ডলার দান করেছেন।

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়