• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

জাতিসংঘের দাবি কয়েক লাখ উইঘুর মুসলিমকে আটকে রাখা হয়েছে, চীনের প্রত্যাখ্যান

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ১৪ আগস্ট ২০১৮, ১৭:৫০ | আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৮, ১৮:১৯
চীনের শিনচিয়াংয়ে কয়েক লাখ উইঘুর মুসলিমকে আটকে রাখা হয়েছে, যা ‘বড় ধরনের গোপন বন্দি শিবিরে' রূপ নিয়েছে বলে দাবি করেছে জাতিসংঘ। অথচ ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি শিনচিয়াংয়ের এই নীতির পক্ষে দাঁড়িয়েছে।  

গত শুক্রবার জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর সোমবার গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদকীয়তে প্রথম এ বিষয়ে জবাব দেওয়া হয়েছে।

চীনের দাবি শিনচিয়াংয়ের পশ্চিমাঞ্চলে উইঘুরদের বিরুদ্ধে চীনের কঠোর নিরাপত্তা নীতি ওই এলাকাকে ‘বড় ধরনের অস্থিরতা' থেকে রক্ষা করেছে। চীন উইঘুরদের নিয়ে তাদের নীতির পশ্চিমা সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদকীয়তে আরও বলা হয়, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির শক্তিশালী নেতৃত্ব, দেশের জাতীয় শক্তি এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল আচরণে শিনচিয়াংকে বড় অস্থিরতা থেকে রক্ষা করা গেছে৷ ‘চীনের সিরিয়া' বা ‘চীনের লিবিয়া' হওয়ার নিয়তি থেকে তাকে রক্ষা করা গেছে।
-----------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন  : যুক্তরাজ্যের সংসদ ভবনের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ধাক্কা, ড্রাইভার গ্রেপ্তার
-----------------------------------------------------------------------

চীনের ওপর বাইরে থেকে চাপ দেওয়া এবং বাস্তব পরিস্থিতি ‘বুঝতে না পারার' জন্য পশ্চিমাদের সমালোচনা করা হয়েছে সম্পাদকীয়তে৷ শিনচিয়াং থেকে অস্থিরতা দূরে রাখাকে ‘বিরাট মানবাধিকার' হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে৷

গ্লোবাল টাইমস আরও লিখেছে, শিনচিয়াং নিরাপত্তা পরিস্থিতির উত্তরণ একটি বড় ধরনের ট্র্যাজেডি ও অসংখ্য মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে৷ চীনের শক্তিশালী আইন এবং ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টিকে অভিনন্দন। পশ্চিমারা যে হুজুগ তোলে, তাতে অনেক দেশ ও এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। শিনচিয়াংয়ে যখন একই ধরনের শয়তানের প্রভাব ছড়াচ্ছিল, তখন তা চূড়ান্তভাবে থামানো গেছে।

এদিকে জাতিসংঘের একটি মানবাধিকার প্যানেল বলছে, স্বায়ত্তশাসিত উইঘুর অঞ্চলে ‘ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ' ও কমিউনিস্ট পার্টির প্রতি আনুগত্য আনতে লাখ লাখ উইঘুর মুসলিমকে ‘রাজনৈতিক শিবিরে' জোর করে আটকে রাখা হয়েছে।  

এ ধরনের কোনো ঘাঁটির কথা স্বীকার না করে গ্লোবাল টাইমেসর সম্পাদকীয়তে বলা হয়, শিনচিয়াংয়ে আজকের শান্তি ও স্থিতিশীলতার পেছনে কঠোর নিয়ম-নীতির ভূমিকা রয়েছে। শিনচিয়াংয়ের সব জায়গায় পুলিশ ও নিরাপত্তা চৌকি দেখা যায়।  

শিনচিয়াং ইসলামপন্থি উগ্রবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হুমকির মুখে রয়েছে বলে চীনের অভিযোগ। ওই অঞ্চলে টার্কিক ভাষাভাষী উইঘুর এবং হান চীনা সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির লক্ষ্যে অনেকবার হামলা চালানো হয়েছে।

অপরদিকে উইঘুরদের অসন্তোষের জন্য তাদের প্রতি সংঘটিত দমন-পীড়ন ও বৈষম্যকে দায়ী করে মানবাধিকার গ্রুপগুলো।

আরও পড়ুন :

 

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়