• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

কানাডাকে একঘরে করে ফেলেছে সৌদি আরব?

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ১০ আগস্ট ২০১৮, ২১:৪০ | আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৮, ২১:৫৮

মানবাধিকার বিতর্কে রিয়াদের বিরুদ্ধে সরব হয়ে বৈশ্বিক কূটনীতিক পরিসরে অনেকটাই একঘরে হয়ে পড়েছে অটোয়া। সাম্প্রতিক মাসগুলো সৌদি সরকার দেশটিতে নারীদের জন্য উল্লেখযোগ্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করে। কিন্তু দেশটির বিরুদ্ধে অভিযোগ এসময় তারা বেশ কয়েকজন নারী অধিকারকর্মীকেও গ্রেপ্তার করেছে। আর এ নিয়ে অটোয়া তাদের উদ্বেগের কথা জানায়। মূলত এরপরই কানাডার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয় সৌদি আরব।

কানাডার বিরুদ্ধে সৌদির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে অটোয়ার সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ স্থগিত করাসহ কানাডীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে রিয়াদ। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে অটোয়া থেকে সৌদির রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানোসহ টরেন্টো শহরগামী সৌদির রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইন্স বাতিল এবং কয়েক হাজার শিক্ষাবৃত্তিও বাতিল করেছে রিয়াদ। বাতিল করেছে চিকিৎসা সেবাও।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : চীনে একটি মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে অচলাবস্থা
-------------------------------------------------------

এদিকে পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে বাধ্য হয়ে কূটনীতিক এই অচলাবস্থা দূর করতে বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কানাডা। কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কানাডার মিত্র বলে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অনেকটা সুকৌশলেই নিজেদের দূরে সরিয়ে রেখেছে। দেশ দুটি উভয় দেশকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে তারা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছে বলে জানিয়েছে।

তবে সৌদি আরবে পক্ষ নিয়েছে পুরো আরব বিশ্ব। একে একে মিশর, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিস্তিনিসহ বিভিন্ন দেশ সৌদির সমর্থনে কথা বলেছে। সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তানও।

কিন্তু পরিস্থিতি যে এখন আর কারও নিয়ন্ত্রণে নেই সেটি মানছেন সৌদি আরবে সাবেক কানাডীয় রাষ্ট্রদূত ডেভিড চ্যাটারসন। তিনি বলেন, আমি মনে করি না যে, সৌদি আলোচনার জন্য খুব একটা পথ খোলা রেখেছে।

অবশ্য আলোচনার পথ যে কানাডাও খোলা রেখেছে সেটি বলার সুযোগ নেই। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেছেন,  বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা উদ্বিগ্ন নয় এবং মানবাধিকার ও নারী অধিকার নিয়ে কানাডা তাদের অবস্থান বজায় রাখবে।

ক্ষমা চাইবেন না বলে সাফ জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও। কিন্তু কানাডায় পড়াশোনা করছেন ওমর আলাবদুলহাই নামের একজন ছাত্র। তিনি বলেন, কানাডা সীমা অতিক্রম করেছে। ২৯ বছর বয়সী এই সৌদিয়ান বলেন, আমি শতভাগ নিশ্চিত যে জাস্টিন ট্রুডো খুব শিগগিরই ক্ষমা চাইবেন।

আরও পড়ুন : 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়