মেক্সিকোয় বিমান বিধ্বস্ত, আহত ৮৫

প্রকাশ | ০১ আগস্ট ২০১৮, ০৯:৪২ | আপডেট: ০১ আগস্ট ২০১৮, ১২:২৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

মেক্সিকোর দুরাঙ্গোর প্রদেশের রাজধানীতে একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে কমপক্ষে ৮৫ জন আহত হয়েছেন। প্রদেশটির গভর্নর হোসে আইসপুরো একই টুইটে জানিয়েছেন, আরোহী ১০১ জনের মধ্যে কেউই মারা যাননি। তবে ৮৫ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর বিবিসির।

রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা অ্যারোমেক্সিকোর ফ্লাইট এএম২৪৩১ গুয়াদালুপে ভিক্টোরিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে যাচ্ছিল। তবে বিমানটি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিধ্বস্ত হয়।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানটিতে ৯৭ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু ছিল। তারা জানাচ্ছেন, আহতাবস্থায় ৩৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। একজন বিমানের পাইলট  ও অপরজন একজন যাত্রী বলে জানা গেছে।

ওই ফ্লাইটে থাকা ব্যক্তিদের নাম ও জাতীয়তা এখনও জানা যায়নি।
---------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন  : সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে তিন রুশ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা
---------------------------------------------------------------

এয়ারপোর্ট অপারেটর প্রতিষ্ঠান গ্রুপো অ্যারোপোর্টুয়ারিও সেন্ট্রো নর্টে জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, ওই বিমানটি ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যেই উড্ডয়নের চেষ্টা করে কিন্তু পরে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়।

গভর্নর হোসে আইসপুরো বলেছেন, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে কোনও ধরনের সতর্কতা ছাড়াই একটি বিকট শব্দে অ্যামব্রায়ের ১৯০ মাটিতে পড়ে যায়।

একজন যাত্রী স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেন, মনে হচ্ছিল যেন শক্তিশালী বাতাস বিমানটিকে আঘাত করেছে। সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র আলেহান্দ্রো কারদোছা বলেছেন, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর আগুন ধরে যায়। পরে সেটি নিভিয়ে ফেলা হয়। অধিকাংশ আরোহীই পায়ে হেঁটে বিমান থেকে বের হতে সক্ষম হন।

গভর্নর বলেন, আহতদের চিকিৎসা দিতে সব জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।

এদিকে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিকে পেনা নিয়েটা এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোও দুর্গতদের সাহায্যে এগিয়ে যাওয়া নির্দেশ দিয়েছেন।

অন্যদিকে ওই দুর্ঘটনার পর গুয়াদালুপে ভিক্টোরিয়া বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে অ্যারোমেক্সিকো জানিয়েছে, তারা এ ঘটনা ‘গভীরভাবে মর্মাহত’। আর অ্যামব্রায়ের বিমানের ব্রাজিলীয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ঘটনাস্থলে একটি টিম পাঠিয়েছে।

আরও পড়ুন  : 

এ/পি