• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

ভারত-পাকিস্তান মহড়ায় থাকবেন মোদিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ২৩ জুলাই ২০১৮, ১৫:৫১ | আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৮, ১৬:০৩
ফাইল ছবি

স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার একসঙ্গে সামরিক মহড়ার দিতে চলেছে ভারত ও পাকিস্তান। আগামী মাসে রাশিয়ায় উড়াল পর্বতের পাদদেশে এই মহড়া হতে চলেছে। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, ওই মহড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকবেন। খবর আনন্দবাজারের।

ভারত ও পাকিস্তান দুটি দেশই সম্প্রতি ইউরেশিয়ার ৮টি দেশের সংগঠন সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিএ)-এর সদস্যপদ পেয়েছে। আগস্ট মাসের সামরিক মহড়া এসসিও-র উদ্যোগেই হতে চলেছে। তবে শুধু ভারত ও পাকিস্তানই মহড়ায় যোগ দিচ্ছে বিষয়টি এমন নয়। থাকবে এসসিও-র অন্যান্য সদস্য দেশের (ভারত, পাকিস্তান, চীন, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, কাজাকস্তানসহ পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্র) সেনারাও। স্বাভাবিকভাবেই পুরো দুনিয়ার নজর থাকবে ভারত-পাকিস্তানের যৌথ মহড়ার দিকেই। কারণ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে একসঙ্গে কাজ করা ছাড়া এই দুই দেশ কখনও যৌথ সামরিক মহড়া দেয়নি। তাৎপর্যের বিষয় হলো আগস্টেই মহড়া শেষ হবে না। এসসিও-র নিয়ম অনুযায়ী, মহড়া হবে বছরে দুইবার।

তবে তৃতীয় দেশের মাটিতে পাকিস্তান সেনার সঙ্গে মহড়া করলেই যে সম্পর্ক মধুর হবে, এমন দুরাশা সাউথ ব্লক করছে না। এসসিও-র উদ্যোগকে অবশ্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিদেশ মন্ত্রণালয় সূত্র জানাচ্ছে, আফগান-পাকিস্তান এলাকাসহ পুরো ইউরেশিয়ায় নিরাপত্তা ও জঙ্গি মোকাবিলার প্রশ্নে এসসিও সদস্যরা বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

এসসিও সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ চীন, ভারত ও পাকিস্তান মহড়া নিয়ে প্রকাশ্যে উত্তেজনা প্রকাশ করেছে। এই মহড়া নিয়ে সাউথ ব্লকের কোনও প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া না থাকলেও নড়েচড়ে বসেছে বেইজিং। পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে চলা চীন, দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে অভিভাবকের ভূমিকা নিতে চায়।

চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘চায়না ডেইলি’ জানিয়েছে, বিবদমান দুই দেশের সেনা একসঙ্গে মহড়া দিলে সংঘাতের পরিবেশ কিছুটা কম হতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই সামরিক মহড়ার থিম হলো সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সমন্বয় ও সহযোগিতা গড়ে তোলা। সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আস্থা বাড়ানো। চীনের কূটনৈতিক শিবিরের মতে, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাতের একাধিক ক্ষেত্র রয়েছে। সেগুলো পুরনো। কিন্তু এসসিও-র অধীনে এই মহড়ায় দুই দেশের সেনার মধ্যে ইতিবাচক যোগাযোগ তৈরি হতে পারে। এই ক্ষেত্রটিই এতদিন ছিল না।

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়