• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

দুই বছর পর তুরস্কের জরুরি অবস্থার অবসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৯ জুলাই ২০১৮, ১০:২০ | আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৮, ১০:২৫
ফাইল ছবি
ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর তুরস্কে দুই বছর ধরে জারি থাকা জরুরি অবস্থা তুলে নেয়া হয়েছে। গতকাল ১৮ জুলাই তুলে নেয়া হয় এই জরুরি অবস্থা। গেলো শুক্রবার নতুন নির্বাহী প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতিতে সদ্য গঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে বহু প্রতীক্ষিত এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় কার্যকর হলো সিদ্ধান্তটি। খবর রয়টার্স।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুরস্ক সেনাবাহিনীর একটি অংশ অভ্যুত্থানের চেষ্টা করে। কিন্তু সেটি ব্যর্থ করে দেয় তুরস্কের জনগণ। এরপর জরুরি অবস্থা জারি করেন প্রেসিডেন্ট রেসেপ তায়েপ এরদোয়ান।

এরপর সেটির মেয়াদ সাতবার বাড়ানো হয়। এ কারণে নতুন আইন পাস ও অধিকার এবং স্বাধীনতা স্থগিত করার ক্ষেত্রে পার্লামেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন :  আন্তর্জাতিক তেল বাজারকে স্থিতিশীল রাখছে ইরান : রাশিয়া
--------------------------------------------------------

জরুরি অবস্থায় জারি হওয়ার পর দেড় লাখের বেশি সরকারি চাকরিজীবীদের চাকরিচ্যুত করা হয় এবং ৭৭ হাজারের বেশি সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। রাষ্ট্রীয় এ জরুরি অবস্থা দীর্ঘদিন থেকেই তুরস্কের ডানপন্থী দলগুলো এবং তুরস্কের পাশ্চাত্য মিত্রদের সমালোচনার মুখে পড়েছিল।

গেলো নির্বাচনে এরদোয়ানের মূল প্রতিশ্রুতিই ছিল ক্ষমতায় এলে তিনি জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করবেন।

তবে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের এ সিদ্ধান্ত তুরস্কের বিরোধী শিবির তেমন ভালোভাবে নেয়নি। তুরস্কের কুর্দিশপন্থী এইচডিপি পার্টির আইহান বেলিগেন বলেন, সরকার রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের নামে আসলে জরুরি অবস্থাকে স্থায়ী করে তোলার চেষ্টা করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার তুরস্কের সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী নতুন আইন নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের দাবি নতুন এ আইন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

তবে প্রস্তাবিত আইনে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ চাইলে নির্দিষ্ট মানুষকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নিজ নিজ রাজ্যে প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ করতে পারে।

এছাড়া এ আইনের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ সরকারি চাকরিজীবীদের গণ হারে চাকরিচ্যুত করতে পারবে এবং ১২ দিন পুলিশি হেফাজতে রাখতে পারবে। যেকোনও আন্দোলন এবং প্রতিবাদ নিষিদ্ধ করার ক্ষমতাও বাড়ছে প্রস্তাবিত এ আইনে।

 

আরও পড়ুন :  

কেএইচ/সি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়