• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

চিন্তা করো না, আমরা মনোবল হারাইনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ০৭ জুলাই ২০১৮, ১৩:১৪ | আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৮, ১৩:২৯

থাইল্যান্ডের গুহায় দুই সপ্তাহ আগে আটকা পড়া শিশুরা তাদের বাবা-মার কাছে চিঠি লিখে জানিয়েছে, চিন্তা করো না, আমরা মনোবল হারাইনি। হাতে লেখা ওইসব চিঠিতে তারা ফ্রাইড চিকেনসহ বিভিন্ন খাবার পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে। খবর বিবিসির।

একটি চিঠিতে লিখা ছিল, টিচার, আমাদের অনেক বেশি হোমওয়ার্ক দিয়েন না! আরেকটি ভিন্ন চিঠিতে ওই ফুটবলের টিমের কোচ শিশুদের বাবা-মার কাছে ‘ক্ষমা’ চেয়েছেন।

গেলো ২৩ জুন ১২ কিশোর ও তাদের কোচ ওই গুহার ভেতর প্রবেশ করার পর প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে পানি উঠে গেলে তারা আটকা পড়ে যায়।

--------------------------------------------------------
আর পড়ুন : ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারলে পদত্যাগ করবো: দুতের্তে
--------------------------------------------------------

তার চিঠিতে ২৫ বছর বয়সী কোচ এক্কাপল চান্তাওং শিশুদের বাবা-মাকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, শিশুদের প্রিয় বাবা-মা, সবাই ভালো আছে, উদ্ধারকারী দল আমাদের দেখেশুনে রাখছে।

তিনি লিখেন, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে আমি শিশুদের সাধ্যমতো যত্ন নেব। আমাদের উদ্ধার করতে আসার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমি শিশুদের বাবা-মার কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি।

ফোনের সাহায্যে যোগাযোগ চেষ্টা ব্যাহত হওয়ার পর আটকে পড়াদের পরিবার থেকে চিঠি পাঠানোর পর ওই শিশুরাও জবাব দিলো।

শিশুদের লেখা একটি চিঠি

থাই এই ফুটবল গুহাটির ভেতর আটকে যাওয়ার পর ১০ দিন পর ব্রিটিশ দুই ডাইভার তাদের খোঁজ পায়। তারা গুহার প্রবেশমুখ থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার ভেতরে একটি ছোট চেম্বারে পাথরের খাজের ওপর বসেছিল।

এরপর থেকেই থাইল্যান্ড ও আন্তর্জাতিক উদ্ধার দলগুলো তাদের খাবার, অক্সিজেন ও মেডিকেল সাহায্য সরবরাহ করছে। তবে ওই দলটি যেখানে আটকা পড়েছে সেখানে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সেখানে সাধারণত অক্সিজেনের মাত্রা ২১ শতাংশ থাকলেও তা ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

তবে থাই কর্তৃপক্ষ বলছে, গুহার ভেতর সফলভাবে একটি বাতাস চলাচলের টিউব স্থাপন করা গেছে।

আর পড়ুন : 

এ/ এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়