
ভারতে নারী পাচারের বিরুদ্ধে পথনাটিকা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৫ এনজিও কর্মী। ধর্ষণের শিকার ওই পাঁচ নারী আশা কিরণ নামক একটি এনজিওতে কাজ করেন। গত মঙ্গলবার ধর্ষণের এ ঘটনাটি ঘটলেও স্থানীয় পুলিশ সূত্রে ঘটনাটি জানা যায় গতকাল শুক্রবার। খবর বিবিসি ও এএফপির।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের খুন্তি নামক একটি জেলার এক ভেতরের এলাকায় আশা কিরণ নামক এনজিওটির কর্মীরা নারী পাচারের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের সচেতন করতে প্রচারণা চালাচ্ছিল। প্রচারণা চালানোর জন্য তারা একটি পথনাটিকা প্রদর্শনীতে অভিনয় করছিলেন।
পুলিশ বলছে, নাটক শেষ হওয়ার পরে তারা এক স্থানীয় মিশনারি স্কুলে গিয়েছিল। আর সেখানেই কয়েকজন বন্দুকধারী হানা দেয়।
পুরুষ স্বেচ্ছাসেবীদের মারধর করে সরিয়ে দিয়ে পাঁচ জন নারী কর্মীকে গাড়িতে তুলে জঙ্গলের দিকে নিয়ে যায় তারা।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : যুদ্ধে বিচ্ছিন্ন পরিবারগুলোর পুনর্মিলনে দুই কোরিয়ার বৈঠক
--------------------------------------------------------
জঙ্গলে নিয়ে পাঁচ নারীকে গণধর্ষণ করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশের রাঁচি রেঞ্জের ডিআইজি এ ভি হোমকার। ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিওধারণ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। পুলিশের একটি সূত্র বলছে, ওই নারীদের চিহ্নিত করে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই তাদের মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ৪-৫ জন দুষ্কৃতির নাম আমরা জানতে পেরেছি। তবে তিনজনকে নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের গ্রেপ্তারের জন্য তিনটি আলাদা দল গঠন করে তল্লাশি চলছে।
যে অঞ্চলে এই গণধর্ষণের ঘটনা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে, ওই এলাকায় গ্রামগুলিকে চারদিক থেকে পাথর দিয়ে ঘিরে রাখেন সেখানকার বাসিন্দারা। তারা নিজেদের স্বাধীন বলে মনে করেন এবং বহিরাগতদের বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে দিতে চান না।
অথচ ওই এলাকা থেকেই বহু নারী বাইরে পাচার হয়ে যায়। তাদের বিভিন্ন শহরে নিয়ে গিয়ে মূলত যৌন পেশায় কাজ করানো হয় বলে বিস্তর অভিযোগ প্রমাণ রয়েছে।
আরও পড়ুন :
কেএইচ/ এমকে




