• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

দুর্ঘটনার সময় ককপিটেই ছিলেন না চালক

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ০২ নভেম্বর ২০১৬, ১৭:৪৮ | আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০১৬, ০৮:৪৩
মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের নিখোঁজ প্লেন এমএইচ৩৭০ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান  অনুসন্ধানী দল রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরো  টেকনিক্যাল রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিমানটি যখন মহাসাগরে আচড়ে পড়ছিল তখন চালকের আসনে কেউ ছিলেন না।

অনুসন্ধানী দল আরো জানায়, স্যাটেলাইট ডেটা পরীক্ষায়  দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা সমুদ্রে গিয়ে পড়ে প্লেনটি।  ধ্বংসের আগে তাতে জ্বালানিও শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং মিনিটে ২৫,০০০ ফুট বেগে নিচে নেমে আসে প্লেনটি।

গেলো বছর ভারত মহাসাগরের রিইউনিয়ন দ্বীপে ২মিটার লম্বা ফ্ল্যাপেরন  নামে পরিচিত বিমানের ১টি ডানা খুঁজে পাওয়া যায়। ফরাসি ও মালয়েশীয় তদন্ত দল জানায় এ ডানাটি নিখোঁজ মালয়েশীয় প্লেন এমএইচ৩৭০-এর। ভারত মহাসাগরের উপকূল এলাকা, তানজানিয়া, আফ্রিকার উপকূল  এলাকা, মাদাগাস্কার প্রভৃতি এলাকায় প্লেনের ২০ টি ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।

এ ২০টি ধ্বংসাবশেষের মধ্যে অনুসন্ধানী দল সবচেয়ে বেশি নজর দিয়েছে ফ্ল্যাপেরন ডানার ওপর। এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে বিশেষজ্ঞদের সহায়তা করেছে ফ্লাইটটির পাখার ফ্ল্যাপেরন। যেটি তাঞ্জানিয়ার উপকূলে ভেসে উঠেছিল৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, পাইলটরা যখন কোনো ফ্লাইটের অবতরণ শুরু করেন তখন পাখার ফ্ল্যাপগুলো প্রসারিত করেন৷ কিন্তু ভেসে ওঠা ফ্ল্যাপটি পরীক্ষা করে দেখা গেছে, বিমান থেকে বিচ্ছিন্ন হবার আগে হয়তো ফ্ল্যাপটি প্রসারিত করা হয়নি৷

দেশটির পরিবহনমন্ত্রী ড্যারেন চেস্টার জানান, চীন, মালয়েশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া এমএইচ৩৭০ এর খোঁজে একসঙ্গে কাজ করছে।

অস্ট্রেলিয়ার এ অনুসন্ধানে অত্যাধুনিক জাহাজ এবং সাজসরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। যার খরচ ১৮০ মিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলারেরও বেশি।

অনুসন্ধান দলের প্রধান মার্টিন ডোলান জানিয়েছেন, এমএইচ৩৭০-কে খুঁজে পেতে তিনি এখনও আশাবাদী। সাগরের নিচে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হয়েছে বলে তিনি জানান। ডোলান বললেন, ‘আমরা এখনও বিমানটি খুঁজে বের করতে পারিনি। তবে এখনও ৩০ হাজার বর্গকিলোমিটারের একটা বড় অঞ্চলে অনুসন্ধান চালানো বাকি রয়েছে। আর এজন্য বিমানটি খুঁজে পাবার ব্যাপারে এখনও আমরা আশাবাদী।

এপি/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়