
শক্তি, নিরাপত্তা, সম্মান এবং প্রয়োজনীয় মুহূর্তে শক্তি ব্যবহারের সামর্থ্যকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী।
সোমবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সিনিয়র কমান্ডারের সঙ্গে বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
বর্তমান বিশ্বে ইরানের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানের কথা উল্লেখ করে খামেনেয়ী বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে বর্তমান সময়ের সম্মিলিত শত্রুতার কারণ এই শাসনব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান শক্তি। শত্রুরা এই শক্তিতে ভীত হয়ে পড়েছে এবং এ কারণে তারা শত্রুতা ও বিদ্বেষ বাড়িয়ে দিয়েছে।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : পাথর ফেলে থামানো হলো ইঞ্জিনচ্যুত পাগলা ট্রেন
--------------------------------------------------------
তিনি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আরও সাফল্য অর্জন ও তা ধরে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এর আগে ইমাম আলী (রা.)'র সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এক অনুষ্ঠানে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের শক্তি ও প্রভাব বৃদ্ধি বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর ক্ষোভ ও অসন্তোষের মূল কারণ এবং ইসলামি বিপ্লব ইরানকে বর্তমান মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, শত্রুদের দৃষ্টিতে আমরা তাদের পথে কাঁটা হয়ে আছি এবং এ কারণে তারা আমাদের সরিয়ে দিতে চায়। তারা মধ্যপ্রাচ্যে ও এর বাইরের জাতিগুলোর মধ্যে ইরানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে পড়েছে এবং জাতিগুলোর প্রতিরোধ শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।
খামেনেয়ী বলেন, ইরান কখনই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি ও সামরিক সংঘাতের পক্ষপাতী ছিল না। কিন্তু ইরান শত্রুদের এটা বুঝিয়ে দিয়েছ, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে তারা প্রস্তুত এবং নিজের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরো শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে কারোর অনুমতির প্রয়োজন নেই ইরানের। শত্রুর হুমকি মোকাবেলায় নিজ প্রতিরক্ষা শক্তি রক্ষায় ইরান দু'টি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
প্রথমত, ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য প্রতিরক্ষা শক্তিতে ইরান স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জনের পথে হাঁটছে। ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বর্তমানে ইরানের প্রতিরক্ষা শক্তির অন্যতম মূল ভিত্তি।
আর দ্বিতীয়ত, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ সেনাবাহিনী গড়ে তোলা। বর্তমানে ইরানের সেনাবাহিনী বিশ্বের অন্যতম চৌকশ বাহিনী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে।
আরও পড়ুন :
এমকে




