• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

এতিম বন্যপ্রাণীরা আশ্রয় পেয়েছে ডা. প্রকাশের এতিমখানায়

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ৩০ মার্চ ২০১৮, ১৬:৫৪ | আপডেট : ৩০ মার্চ ২০১৮, ১৬:৫৯
শিকারীদের হাতে মারা যাওয়া বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর শাবকদের উদ্ধার করে লালন-পালনের কাজ করে অ্যানিম্যাল আর্ক বা এতিমখানা। এখানে বন্যপ্রাণীর সংখ্যা হাজার খানিকের মত। এতিমখানাটি ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশের গড়চিরুলি জেলার ভামরগড় তালুকের হেমালকাসা গ্রামে।

যেখানে আছে বানর, কাঠবিড়ালি, হরিণ, প্যাঁচা, নানা জাতের পাখির মতো নিরীহ প্রাণী। এছাড়া আছে শিয়াল, হায়েনা, চিতাবাঘ, অজগর, কুমিরের মতো ভয়ংকর প্রাণীও।

এতিমখানাটির উদ্যোক্তা ডা. প্রকাশ আমতে। তিনি একজন চিকিৎসক। স্ত্রীকে নিয়ে হেমালকাসা গ্রামে থাকেন ডক্টর প্রকাশ আমতে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: এপৃথিবীতে আছড়ে পড়ছে চীনা মহাকাশ স্টেশন
--------------------------------------------------------

ডা. প্রকাশ আমতে জানান, বন্যপ্রাণীদের জন্য কিছু করার ভাবনা থেকে শুরু অ্যানিমেল আর্ক  বা এতিমখানা। হেমালকাসা গ্রামের পাশে দানদারায়না বন। সেখানে বসবাস করে আদিবাসী গোষ্ঠী মাদিয়ারার। তারা খাবারের প্রয়োজনে শিকার করে। একদিন তাদের হাতে এক বানরের বাচ্চাকে মৃতপ্রায় দেখে মন গলে ডাক্তার প্রকাশের। চাল ও কাপড়ের বিনিময়ে তিনি বানরের বাচ্চাটিকে নিয়ে আসেন।

১৯৭৩ সালের ডিসেম্বরে যাত্রা শুরু করে ডক্টর প্রকাশের লোক বিরাদরি প্রকল্প বা এলবিপি। প্রকল্পের অধীনে ছিলো অ্যানিমেল আর্ক বা বন্যপ্রাণীর এতিমখানা। অভিভাবকহীন পশুপাখিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। বর্তমানে আমতের সংগ্রহশালায় আছে, কয়েকশ পশুপাখি। আর শিকার কমিয়ে দিয়েছে মাদিয়ারাও। যার পেছনে কাজ করেছে লোক বিরাদরি প্রকল্প। শ্রদ্ধার পাত্র ডক্টর প্রকাশ আমতেকে এখন লোকে চিনে ‘বাবা আমতে’ হিসেবে।

আরও পড়ুন:

এমসি/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়