• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

ফের নীল রঙে ছাপা হবে ব্রিটিশ পাসপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৭:১১ | আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৭:৫৬
ব্রেক্সিটের পর বদলে যাবে যুক্তরাজ্যের পাসপোর্ট। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছে। এতদিন পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ হিসেবে সংস্থাটির লালচে পাসপোর্টই ব্যবহার করতো ব্রিটনরা। তবে নতুন এই ঘোষণার কারণে ২০১৯ সালের শেষ দিকে ব্রিটনরা আর লালচে পাসপোর্ট ব্যবহার করতে পারবে না। খবর সিএনএনের।

ব্রিটিশ অভিবাসন মন্ত্রী ব্র্যান্ডন লুইস বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ব্রিটিশ পাসপোর্ট তার আগের রূপে ফিরে যাবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেয়ার আগে ব্রিটিশ পাসপোর্টে নীলের সঙ্গে সোনালী রঙের ব্যবহার করা হতো। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে আবারো এই রঙের পাসপোর্ট ইস্যু করা শুরু করবে যুক্তরাজ্য।

তিনি বলেছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পেরে আমি আনন্দিত। আর এই পদক্ষেপ ব্রিটিশদের নিজস্বতার প্রতীক।

লুইস আরো বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেলে আমরা পুনরায় আমাদের নিজস্বতা ফিরে পাবো। যা বিশ্বে আমাদের জন্য নতুন পথ নির্মাণ করবে।

নতুন এই পাসপোর্টে প্রতারণারোধী প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু এটা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। তবে ব্রিটিশ পাসপোর্টধারীরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেটি ব্যবহার করতে পারবে।

২০১৯ সালের মার্চে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ব্রিটিশ পাসপোর্টে আর ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন’ শব্দদ্বয় ছাপা হবে না।

ওই বছরের অক্টোবর নাগাদ নতুন ব্রিটিশ পাসপোর্ট ছাপার কাজ শেষ হবে। যেটি ১৯২১ সালের ব্রিটিশ পাসপোর্টের ডিজাইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

তবে এই ঘোষণার সমালোচনাও করেছে অনেকে। স্কটিশ লেবার পার্টির প্রেস অফিসার গর্ডন ম্যাককি এক টুইটে লিখেছেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটি ব্রেক্সিটের জেনারেশনগত বিভাজনের বিষয়টি প্রমাণ করে। আমি কখনই নীল পাসপোর্ট নেবে না। আমার নীল পাসপোর্ট কখনই ছিল না। তবে আমার অবশ্যই একটি পাসপোর্ট রয়েছে, যেটি দিয়ে আমি সারাজীবন ইউরোপে ভিসামুক্ত ভ্রমণ করেছি।

সুপরিচিত কমেডিয়ান সাইমন ব্ল্যাকওয়েল এ ধরনের পদক্ষেপের বিদ্রূপ করে লিখেছেন, আমাদের রঙ-বেরঙের পাসপোর্টের কী দরকার? আমরা শুধু চিৎকার করবো, ব্রিটিশ! তোমাদের আবোল-তাবোল কথা বন্ধ কর এবং সোজা হাঁটো।

তবে ব্রেক্সিটের সমর্থকরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পার্লামেন্টের কনজারভেটিভ সদস্য মাইকেল ফ্যাব্রিকান্ট ও ইউকেআইপি’র সাবেক নেতা নাইজেল ফারাজ। গেলো এপ্রিলে কনজারভেটিভ এমপি অ্যান্ড্রু রসিনডেল বলেছেন, এই লালচে পাসপোর্ট জাতির জন্য ‘লজ্জাজনক’।

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়