• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

উত্তাল পদ্মা-মেঘনায় ভাসলো ৩০ বছরের জরাজীর্ণ ‘ঈদের’ লঞ্চ (ভিডিও)

নাজিব ফরায়েজী
|  ১৩ জুন ২০১৮, ১৩:০৮ | আপডেট : ১৩ জুন ২০১৮, ১৭:২৭
প্রতিবারের মত এবারও ঈদে যাত্রী পারাপারে পুরনো ও জরাজীর্ণ লঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ হলেও সব লঞ্চকেই চলাচলের অনুমতি দিয়েছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর।

অথচ রাজধানীর সদরঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ৩৩টি লঞ্চের ফিটনেস নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে খোদ বিআইডব্লিউটিএই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্রুটিপূর্ণ লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা না গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।

৩০ বছরের পুরনো জরাজীর্ণ সিলভারসান লঞ্চটিকে ঈদে যাত্রী পবিরবহনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। অথচ লঞ্চটির অবস্থা কতটা নাজুক প্রতিটি অংশে রয়েছে তার চিহ্ন। ঢাকা থেকে বরিশালে যাতায়াতকারী নিউসান-৪ লঞ্চটির অবস্থাও একই। এক ইঞ্জিনের লঞ্চটি উত্তাল পদ্মা ও মেঘনায় এবং রাতের বেলা চলাচলের অনুপযোগী হলেও চলছে।

শরীয়তপুরের সুরেশ্বর-ওয়াপদা রুটে এমভি মিরাজ-দুই নৌযানটি প্রতিদিন শত শত যাত্রী পারাপার করছে। অথচ ৩২ বছরের পুরনো সানকেন ডেক বা নিচু ডেকের একটি মাত্র ইঞ্জিনের লঞ্চটিতে আছে কঠামোগত ত্রুটি। ২০১৪ সালে এমভি মিরাজ-চার ডুবে যাওয়ার পর খোদ নৌপরিবহন অধিদপ্তরই লঞ্চটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছিল।

একই রুটে চলাচলকারী লঞ্চ শরিয়তপুর একের অবস্থা আরো খারাপ। সানকেন ডেক ও এক ইঞ্জিনের লঞ্চটি এতটাই জরাজীর্ণ যে প্রতিটি অংশে তার চিহ্ন রয়েছে। একই অবস্থা এই রুটের সুরেশ্বর-পাঁচের। অথচ নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে সার্ভে সনদ নিয়ে এসব লঞ্চ চলাচল করছে। রাজধানীর সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায় এমন ৩৩টি লঞ্চের ফিটনেস নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে খোদ বিআইডব্লিউটিএ’ই। অথচ এসবের কোনটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি নৌপরিবহন অধিদপ্তর।

তবে নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ বলছে, লঞ্চের দুর্বল কাঠামো নিয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ আসলে আমরা তা অপারেশনের বাইরে রাখবো। এ নিয়ে একটি কমিটিও তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, ফিটনেসবিহীন কোন লঞ্চ চলতে দেয়া হবে না।

শুধু আশ্বাস নয় এর বাস্তবায়ন-ই পারে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতো করতে।

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়