• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

বিষাক্ত বর্জ্য দিয়ে পোল্ট্রির খাবার নয়

মাইদুর রহমান রুবেল
|  ১৬ নভেম্বর ২০১৭, ১৫:৪৬ | আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৭, ১৬:৩৭
রান্না সহজ এবং সুস্বাদু হওয়ায় প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় দিনে দিনে জনপ্রিয় হচ্ছে মুরগির মাংস। মুরগির রোস্ট, গ্রিল, ফ্রাইড কিংবা ফাস্টফুডের বিভিন্ন অনুষঙ্গ তৈরি হয় ব্রয়লার মুরগির মাংস থেকে। 

পোল্ট্রির মুরগির মাংসের এমন চাহিদার সুযোগে এক শ্রেণির অসৎ ব্যবসায়ী বিষাক্ত ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে কম খরচে বানাচ্ছে পোল্ট্রির মুরগির খাবার।

বেশি লাভের আশায় কম দামি এসব খাবার কিনে মুরগিকে খাওয়াচ্ছেন খামারের মালিকরা।

এসব খাবার খাওয়া মুরগির মাংসে ছড়িয়ে পড়ছে নানা রাসায়নিক পদার্থ। সেই মাংস খেয়ে  দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে দেশের মানুষ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব খাবার খাওয়া মুরগির মাংস খেয়ে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে ক্যান্সারসহ নানা রোগে। বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য থেকে বানানো মুরগির খাবার এবং মুরগির শরীরে অতিমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের কারণে মানুষের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে। 

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সাদেকুল ইসলাম বলেন, আমরা যে ফিড ব্যবহার করি, সেই ফিডের ভেতরে এমন কিছু বিষাক্ত কেমিক্যাল বা এমন কিছু বর্জ্য থাকতে পারে। যা মানুষের মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে হৃদ রোগীর ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরো বেশি।

পুষ্টিবিদ সাদিয়া তাসনিম বলেন, বিষাক্ত বর্জ্য থেকে বানানো খাবার খাওয়ানো মুরগির মাংস খেলে স্থূল সমস্যা, হাড়ের গঠনে জটিলতাসহ নানান সমস্যা হতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হচ্ছে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।

এর জন্য খামারিদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করলেন তারা।

তবে বাংলাদেশ পোল্ট্রি শিল্প কেন্দ্রীয় পরিষদের আহ্বায়ক মশিউর রহমান বলেন, মুরগীর খাবারে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না। 

এদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, কেউ মুরগির খাবারে বিষাক্ত উপকরণ মেশালে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এজন্য কাজও চলছে। 

মন্ত্রীর এমন আশ্বাস বাস্তবায়নে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের তাগিদ দেন বিশেষজ্ঞরা।

 

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়