close
ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭ | ০৬ কার্তিক ১৪২৪

আধুনিকায়নের পাশাপাশি দরকার রেল সার্ভিস বৃদ্ধি (ভিডিও)

ফারুক খান
|  ১৭ জুলাই ২০১৭, ১৮:৫১ | আপডেট : ২০ জুলাই ২০১৭, ১২:০৬
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রেলওয়ে সার্ভিস যখন দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে বাংলাদেশ হাঁটছে উল্টোপথে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন রেল খাতের আধুনিকায়নে ইউরোপের মতো এক্সপ্রেসওয়ে চালুর পাশাপাশি এক শহর থেকে আরেক শহরের রেল সার্ভিস বাড়াতে হবে। এ ব্যাপারে আশার কথা শোনালেন রেলমন্ত্রীও। বললেন উন্নত বিশ্বের আদলে এদেশেও সার্কুলার ট্রেন চালু হবে।

পৃথিবীর সবচে’ দীর্ঘ রেলওয়ে নেটওয়ার্ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। আড়াই লাখ কিলোমিটার। এরপর চীনে এক লাখ কিলোমিটার। আর রাশিয়ায় ৯০ হাজার কিলোমিটার। রেলের এসব রুটে চলছে আধুনিক প্রযুক্তির সব ট্রেন।

ইউরোপ, আমেরিকা ও রাশিয়ার পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে এশিয়ার দেশগুলোতেও রেল খাত দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। মাত্র কিছুদিন আগে জাপানে চালু হয়েছে বিশ্বের সবচে’ বিলাসবহুল ট্রেন স্যুট ‘শিকি শিমা’। রাজধানী টোকিও থেকে উত্তরের হোক্কাইডো দ্বীপ পর্যন্ত চলবে ট্রেনটি। 

এদিকে রেল নেটওয়ার্কে বিশ্বে চতুর্থ প্রতিবেশী ভারত। দেশটিতে ৬৭ হাজার ৩১২ কিলোমিটার রেলপথে রয়েছে। আছে সাত হাজার ১১২টি স্টেশন। যা দিয়ে প্রতিদিন ১২ হাজারের বেশি ট্রেনে আড়াই কোটি যাত্রী চলাচল করে। আর বাংলাদেশে রেলপথ মাত্র দুই হাজার আটশ’ ৩৫ কিলোমিটার।

বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, বিশ্বজুড়ে রেল যখন আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে বাংলাদেশে তখন উল্টোচিত্র। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শহরগুলোতে ঘণ্টায় ১টি আন্তঃট্রেন চললে। অথচ ওই শহরের জনসংখ্যা বাংলাদেশের অনেক শহরের চেয়ে কম। কিন্তু বাংলাদেশের শহরগুলোতে দিনে চলছে ২টি আন্তঃট্রেন। তা ৯টি করা যেতে পারে।

রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, বহু বছর ধরে অবহেলিত রেলওয়েকে প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ নেয়া হলেও এগুতে হচ্ছে ধীর গতিতে। কয়েকটি অঞ্চলে প্যারালাল রেল লাইনের কাজ চলছে। ঢাকা শহরেও সার্কুলার ট্রেন চালু হবে।

 

 

এমসি/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়