close
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | ১৪ বৈশাখ ১৪২৪

৩ থেকে ১৩ বছর, এখনো সাভার যায়নি অধিকাংশ ট্যানারি

সেলিম মালিক
|  ২০ এপ্রিল ২০১৭, ১২:৫৩ | আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৭, ১৩:১১
আদালত সময় দিয়েছিল তিন বছর। কিন্তু ১৩ বছরেও সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে পুরোপুরি নেয়া সম্ভব হয়নি হাজারীবাগের ট্যানারি কারখানাগুলোকে। এজন্য বিসিকের প্রস্তুতি ও মালিকদের সদিচ্ছার অভাবকে দায়ী করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। আর এমন হেলাফেলায় ১শ’ ৭৬ কোটি টাকার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৯ কোটিতে। 

২০০১ সালে আদালতের নির্দেশে সাভারের হেমায়েতপুরের ১৯৯ একর জমির ওপর আধুনিক চামড়া শিল্পনগরী প্রকল্প হাতে নেয় চারদলীয় জোট সরকার। ট্যানারি মালিক ও বিসিক যৌথভাবে শিল্পনগরী গড়ে তুলবে এমন সমঝোতায় ২০০৩ সাল থেকে ১৫৪টি ট্যানারিকে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়।

এরই মধ্যে চলে গেছে এক যুগের বেশি সময়। প্রধান বর্জ্য শোধনাগার, পানি, বিদ্যুৎসহ অবকাঠামো উন্নয়নে বিসিকের কাজ শেষের পথে। তারপরও ১৫৪টির মধ্যে কেবল, ৫০টির মতো কারখানা হেমায়েতপুর গেছে। 

চামড়া শিল্পনগরীতে, এখনো বেশ কিছু প্লট খালি পড়ে আছে। কোথাও কোথাও  কেবল, পাইলিংয়ের কাজ চলছে। আবার কোনটার কাজ, ১০ থেকে ৭০ শতাংশ শেষ হলেও, নির্বিকার পড়ে আছে। আবার যেগুলো চালু হয়েছে সেগুলোতে কেবল কাঁচা চামড়ার ওয়েট ব্লু’র কাজ চলছে।

ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি শাহীন আহমেদ জানান, আমরা ২ হাজার ৫০০ টাকা এরই মধ্যে বিনিয়োগ করে ফেলেছি। একটি আমাদের জমি গুলো এখনো রেজিস্ট্রি করে দেয়া হয়নি। এ সবের করণে প্রত্যেক ট্যানারির মালিকরা আর্থিক সমস্যায় ভুগছে। আমরা যে এ জমিগুলো বন্দক রেখে টাকা নেবো সেটারও কোনো পথ নেই।     

এ অবস্থায় কারখানার অন্য মালিকরা জানিয়েছে, চাহিদামতো গ্যাস না পেলে, কারখানা সরানো সম্ভব নয়।

এদিকে চামড়া শিল্পনগরীর গ্যাস সংযোগ ব্যাপারে তিতাস গ্যাসের কেউ কথা বলতে রাজী হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কারখানা মালিকরা সময়মতো ও নিয়ম না মেনে আবেদন করায়, সংযোগ দিতে সময় লাগছে।

শিল্পনগরীর প্রস্তুতির বিষয় জানতে, প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে দফায় দফায় যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এসএস 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়