সজল-অপর্ণার ‘একজন সঙ্গে ছিলো’

প্রকাশ | ৩০ আগস্ট ২০১৮, ১৩:৫৬ | আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০১৮, ১৪:৩০

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

আকবর সাহেবের একমাত্র মেয়ে সদ্য গ্রাজুয়েশন শেষ করা মিরার পুরো পৃথিবী শুধু শুভ্রকে ঘিরেই। প্রতিদিন সকালে উঠেই ব্রেকফাস্ট না করেই বাসার ছাদে চলে যায় শুভ্রর সঙ্গে দেখা করতে।

এরপর দুপুর নাগাদ চলে তাদের গল্প, দুপুরে বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে বিকেলের দিকে ঘুরতে বের হয় দুজন। শুভ্রর সঙ্গে সম্পর্কের শুরুতে প্রথম শর্তই ছিল মিরাকে নিয়ে শহর ঘুরবে দেখাবে শুভ্র। মিরার সবকিছু বলতে এক শুভ্রই। বাবা বেশিরভাগ সময় অফিসে থাকায় তিনি এসব কিছু তেমন একটা জানেন না।

মা জানলেও কিছু বলতে পারেন না। কারণ ইদানিং মিরার রাগের মাত্রা অনেক বেড়েছে। মা রাহেলা বেগম মিরার ব্যাপারে যা জানার কাজের মেয়ে সালমার কাছ থেকেই জেনে নেন। বেশি কিছু বলতে গেলে কখন কী করে বসে তাই তিনি মেয়ের সমস্ত কার্যকলাপ মুখ বুজে সহ্য করে যান।

কিন্তু এভাবে আর সহ্য করা যায় না। কবে কী দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে তার আগেই তাকে একটা ব্যবস্থা নিতে হবে। মিরাকে একজন ভালো সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো দরকার। আর এর জন্যই তিনি শহরের নামকরা সাইকিয়াট্রিস্ট রাফসানের কাছে যান।

পুরো ঘটনা রাফসানের কাছে বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় শেষ বর্ষে এসে শুভ্র’র সঙ্গে সম্পর্ক হয় মিরার। বাবা মায়ের বাধ্যগত মেয়ে মিরা সম্পর্কের শুরুতেই মাকে জানায় সবকিছু। শুভ্র’র আর্থিক অবস্থা অসচ্ছল হওয়ায় বাবা মা কেউই রাজি হন না।

মায়ের সংসার আর বাবার অফিসের ব্যস্ততার জন্য কখনও মেয়েকে সময় দিতে পারেনি তারা হয়তো এজন্যই মিরা শুভ্র’র প্রতি এতটা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এক সময় রাহেলা বেগম বাধ্য হয়ে মেয়েকে ঘরে আটকে রাখেন। ঘরে দম বন্ধ হয়ে আসায় বাধ্য হয়ে কাউকে কিছু না বলে সেদিন শুভ্রর সঙ্গে বের হয় মিরা। সারাদিন ঘোরাঘুরি শেষে বাসায় আসার পথে তাদের রিকশাকে চাপা দেয় একটা ট্রাক।

কিন্তু কী হয় শেষ পর্যন্ত? কোনদিকে যায় মিরার অনুভূতি? শেষ পর্যন্ত রাফসানই বা কী সিদ্ধান্ত নেয়? এই নিয়েই ‘একজন সঙ্গে ছিলো’ নাটকের গল্প। নাটকের প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন আব্দুন নূর সজল ও অপর্ণা ঘোষ। আরও রয়েছেন অবাক রায়হানসহ অনেকে।

নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন সজিব খান। জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভিতে নাটকটি প্রচারিত হবে ৩১ আগস্ট শুক্রবার রাত ৮টায়।

আরও পড়ুন : 

এম/পিআর