ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

‘দর্শকের সামনে প্রতিটা প্রদর্শনীই নতুন চ্যালেঞ্জ’

পাভেল রহমান

প্রকাশ : ০৬ মে ২০১৮, ০৯:২৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগ মঞ্চে নিয়ে আসছে নাটক ‘দ্য লোয়ার ডেপথস’। ৭ থেকে ১১ মে টানা পাঁচদিন দুনিয়ার শ্রমজীবী, নিপীড়িত, বাস্তুহারা, সর্বহারা, রাষ্ট্রহারা মানুষের উদ্দেশ্যে এই নাটকটির প্রদর্শনী হবে। ঢাবির নাটমণ্ডলে নাটকের প্রদর্শনী শুরু হবে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায়। ম্যাক্সিম গোর্কির লেখা এই নাটকটি অনুবাদ করেছেন তানভীর মোকাম্মেল। নির্দেশনা দিচ্ছেন বিভাগের তরুণ শিক্ষক তানভীর নাহিদ খান। এই নাটকের প্রদর্শনী ও থিয়েটারের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে সম্প্রতি আরটিভি অনলাইনের মুখোমুখি হয়েছিলেন নির্দেশক তানভীর নাহিদ খান। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পাভেল রহমান।

আপনার নির্দেশনায় মঞ্চে আসছে ‘দ্য লোয়ার ডেপথস’। এই বিষয়ে জানতে চাই?

ঢাবি থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠ্যসূচির অংশ হিসেবে এই নাটকটি মঞ্চে নিয়ে আসছে। নাটকটিতে অভিনয় করছেন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পঞ্চম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা। ঢাবি’র শিক্ষক হিসেবে এই নাটকটিই আমার প্রথম নির্দেশনা।

আপনি তো এই বিভাগ থেকেই স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন?

২০০৮ সালে আমি ঢাবিতে নাট্যকলায় উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হয়। তবে থিয়েটারের সঙ্গে সম্পর্কটা ছিল ছোটবেলা থেকেই। ঢাবি থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করার পর ২০১৭ সালের শেষের দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যায়ের নাট্যকলা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হই। ২০১৮ সালের মার্চে জয়েন করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এই বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন, এখন শিক্ষক হিসেবে নাটক নির্দেশনা দিচ্ছেন। কোনো চাপ অনুভব করছেন?

থিয়েটারে তো চাপ থাকবেই, প্রতিমুহূর্তেই চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। দর্শকের সামনে প্রতিটা প্রদর্শনীই নিত্য-নতুন চ্যালেঞ্জ। এই নাটকে যারা অভিনয় করবেন, তারা সবাই পরীক্ষার অংশ হিসেবে নাটকটিতে অভিনয় করবেন। নির্দেশক হিসেবে আমিও কিন্তু পরীক্ষার্থী। দর্শকই আমাদের পরীক্ষক। আমরা অপেক্ষায় থাকবো দর্শকের।

‘দ্য লোয়ার ডেপথস’ নাটকটিই কেন বেছে নিলেন?

আমার মনে হয়েছে, পুরো বিশ্বের সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতায় খুবই প্রাসঙ্গিক একটি নাটক ‘দ্য লোয়ার ডেপথস’। ম্যাক্সিম গোর্কির এই নাটকে শ্রমজীবী, নিপীড়িত, বাস্তুহারা, সর্বহারা, রাষ্ট্রহারা মানুষেরা তাদের স্বপ্নের কথা বলে, তাদের অধিকার হারানোর কথা বলে।

থিয়েটারে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন কিভাবে?

আমি যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি তখন চাঁদপুরে অনন্যা নাট্য গোষ্ঠীতে থিয়েটারচর্চা শুরু। সেখান থেকেই থিয়েটারের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। এখনো থিয়েটার নিয়েই পড়ালেখা করছি।

বাংলাদেশের সমকালীন নাট্যচর্চা নিয়ে আপনার মূল্যায়ন শুনতে চাই?

আমাদের দেশে শুধুমাত্র নৈতিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে যে গ্রুপ থিয়েটার চর্চা হয়ে আসছে, সেটা পুরো পৃথিবীতেই বিরল দৃষ্টান্ত। উন্নত দেশগুলোতে থিয়েটার করার মধ্য দিয়ে শিল্পীরা জীবিকা নির্বাহ করেন। আমাদের পাশের দেশ ভারতেও থিয়েটারশিল্পীরা সরকার থেকে বেতন পান। আমাদের দেশে থিয়েটারকর্মীরা এখনো নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ান। থিয়েটারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা খুবই জরুরি।

এখন তো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলায় উচ্চতর পড়ালেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টিকে কিভাবে দেখেন?

আন্তর্জাতিক থিয়েটারের সাথে আমাদের তাল মেলাতে হলে একাডেমিক পড়ালেখাটা জরুরি। আমাদের দেশে থিয়েটার নিয়ে পড়ালেখার পর ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন থিয়েটার দলে চাকরি করার প্লাটফর্ম তৈরি হয়নি। ফলে নাট্যকলার শিক্ষার্থীরা মিডিয়া, এনজিও কিংবা নানামুখী পেশার সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে জীবিকার তাগিদে। কেউ কেউ নাট্যকলায় পড়ার পরও জীবিকার প্রয়োজনে থিয়েটার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। তাই থিয়েটারে পেশাদারিত্ব তৈরিটা খুবই জরুরি। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রকেই এগিয়ে আসতে হবে।

আপনাকে ধন্যবাদ

আপনাকেও ধন্যবাদ। ‘দ্য লোয়ার ডেপথস’ নাটকটি দেখার জন্য সবাইকে আমন্ত্রণ।

পিআর/জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
মেয়েটি দীপিকা পাড়ুকোনের মতই প্রতিভাবান। ভারতের প্রথম দশ জন নারী গল্ফারের মধ্যে তার নাম আছে। বলা যায় দীপিকার ভালো ভক্ত এবং একই সঙ্গে বন্ধু। নাম আনিশা পাড়ুকোন। দীপিকা পাডুকোনের ছোট বোন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপিকার সঙ্গে ছবি দেখে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল জাগে, আলোচনা হয়। মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামও হন তিনি। তবে সব সময় দীপিকার বোন হিসেবে নয়। নিজের গুণের জন্যই তিনি শিরোনামে আসেন। এই তরুণী একজন পেশাদার গল্ফার। তিনি রাজ্য স্তরে বাস্কেটবল ও জাতীয় স্তরে ক্রিকেটও খেলেন। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে খেলাধূলাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আনিশা। এছাড়া একটি সংস্থার অধীনে দিদি দীপিকার সঙ্গে মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগা রোগীদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি মনে করেন, সবটাই সম্ভব হয়েছে বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন, মা উজ্জ্বলা পাড়ুকোন ও দিদি দীপিকা পাডুকোনের জন্য।   জিএ/পি
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
কানাডার হাসপাতালে কাদের খান সুস্থ আছেন৷ অভিনেতার ছেলে সরফরাজ খান বাবার মৃত্যুর গুজব থামিয়েছেন৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে রোববার রাতে সরফরাজ খান বলেন, ‘সব মিথ্যা৷ গুজব৷ আমার বাবা হাসপাতালে আছেন। এখন সাড়া দিচ্ছেন এবং আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন৷ তাকে স্পেশাল ভেন্টিলেশন থেকে রেগুলার ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ রোববার বর্ষীয়ান অভিনেতা কাদের খানের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন সুতরাং ভক্তরা ভুয়া তথ্যকে সহজে বিশ্বাস করেছিলেন। অনেকেই শোক প্রকাশ করে পোস্ট করেন। তবে গণমাধ্যমকে দেওয়া বার্তায় সরফরাজ খান সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেন।  কাদের খানের অসুস্থতার পর থেকে তাকে নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত ছিলেন। গত শুক্রবার টুইট করে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন লেখেন, ‘কাদের খান...এক অনবদ্য প্রতিভা…হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি…তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷’ বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় জগত থেকে ছুটি নিয়েছেন কাদের খান৷ বার্ধক্যের সময়টা ছেলে সরফরাজ ও ছেলের বউ সহিস্তার সঙ্গে কানাডায় পার করছিলেন তিনি৷ এর আগেও ২০১৭ সালে একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের খান। সে সময় থেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতেন তিনি। এরই মধ্যে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কাদের খান ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫০টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২৫০টিরও অধিক ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন তিনি। অভিনেতা, কমেডিয়ান ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পুরস্কার।   জিএ/পি
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উদযাপন করতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ক্লাব এশিয়া মনের মানুষ’ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায়। একই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। আজ ৩১ ডিসেম্বর, সোমবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে আরটিভি। গানে-গানে নতুন বছরের প্রথম প্রহর মাতিয়ে তোলার জন্য পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায় এবং তার ব্যান্ড 'দ্যা অনুপম রায় ব্যান্ড' ঢাকায় আসছেন। অনুষ্ঠানটিতে অনুপম রায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন এপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। থার্টি ফার্স্ট রাতে অনুপম রায়ের সঙ্গে অনুষ্ঠান এবং মঞ্চ ভাগাভাগির বিষয়ে তাহসান জানান, আমি ১০টির মতো গানে অংশ নেবো। যেহেতু সরাসরি অনুষ্ঠান, জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি অনুরোধের গানও থাকতে পারে। অনুপম রায়ও একই সংখ্যক গান করবেন বলেও জানান তিনি। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান হওয়ায় দর্শকদের মতামত ও অনুরোধের সুযোগও থাকবে বলে জানান তাহসান। অন্যদিকে আরটিভির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বেশ কিছু চমক দিয়ে। অনুপম রায় এন্ড ব্যান্ড ও তাহসান খান দুই বাংলায় সমান ভাবে জনপ্রিয়। প্রত্যাশা করা যাচ্ছে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পাবে।   আরএস/জিএ/এসআর  
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
ইতালির লেক কোমোতে নভেম্বরে রনবীর সিংয়ের সঙ্গে মাত্র ৪৫ জন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে গিঁট বেঁধেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সঙ্গে পথ চলার এই সিদ্ধান্ত কবে নিয়েছিলেন, ইন্ডিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, পদ্মাবত মুক্তি পাওয়ার পর পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ডেল বাল্বিনেলো ভিলায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। চুপিসারে বিয়ের কাজ শেষ হয়।  নব দম্পতি বিয়ের ছবি সহজলভ্যভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে চাননি। এজন্য অনেক বিষয় ভক্তদের অজানা থেকে যায়। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের দুই বৃহত্তম তারকা লেক কমোর সুদৃশ্য স্থানে যখন বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন, ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। যদিও দুজনের প্রেম বিষয়ে ভক্তরা টুকিটাকি জানতেন, তবে কবে বিয়ে করবেন কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে, এই বিষয়টি একদম অজানা ছিল। দীপিকা অবশ্য সব ধোঁয়াশা মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পদ্মাবতের পরে তাকে (রণবীর) বিয়ে করার কথা ভাবতাম। আমরা জানতাম যে এটি ঘটতে যাচ্ছে, এটি ছিল সময়ের ব্যাপার। যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখনই মনে হয় সময়টি এসে গেছে।' দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত পদ্মাবত মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি ৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রেমের শেষ পরিণতির কথা ভাবেন। অবশেষে নভেম্বরে ডেটিং জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান দীপিকা-রণবীর।   জিএ/এসআর  
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
নির্বাচনের আমেজ থেকে বাদ যাননি নায়ক শাকিব খান। আজ (রোববার) বিকেলে মা রেজেয়া বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান তিনি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে শাকিব ভোট কেন্দ্রে যান। শাকিব খান ঢাকা-১৭ আসনের (গুলশান, বনানী, ক্যান্ট. ভাষানটেক এলাকা) ভোটার। বিকেলে রিকশায় চড়ে তার মাকে নিয়ে গুলশানের মডেল স্কুলের ভোট কেন্দ্রে যান তিনি। ভোট প্রদান শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন তিনি। জানা গেছে, শাকিব এবং তার মা বিকেলে ভোট দিতে গেলেও শাকিবের বাবা ভোট দিয়েছেন দুপুরের আগেই। রিকশা চড়ে ভোট দেয়া প্রসঙ্গে বাংলা সিনেমায় এই সুপারস্টার বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকে রিকশা, বাইক এসব চড়ে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ভোট কেন্দ্র। সেজন্য মাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ভোট কেন্দ্রে এলাম।   তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান হচ্ছে। আমি প্রথমে মনে করেছিলাম কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকবে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। নারী-পুরুষ আলাদাভাবে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিতে যাচ্ছে। আরও একটা জিনিস ভালো লেগেছে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আলাপ হয়েছে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা। শাকিব খানের আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। দুপুরের পরেই ওই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে পার্থ নির্বাচন বর্জন করেন। ডি/জেএইচ
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব