ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর কাছে নায়ক সাইমনের খোলা চিঠি

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ মে ২০১৮, ০৫:০৯ পিএম

গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল বুধবার বিকেলে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন নিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যকরী সদস্য চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক নিজের ফেসবুকে খোলা চিঠি লিখেছেন।

আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য সাইমনের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গতকালের সংবাদ সম্মেলন ও আমার কিছু কথা’

গতকাল গণভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও সমসাময়িক বিষয়ের উপর অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া সংবাদ সম্মেলনটি খুব মনোযোগ সহকারে দেখছিলাম। সংবাদ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের গুণী সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন এবং নানা বিষয়ে অত্যন্ত যৌক্তিক সুন্দর সুন্দর প্রশ্নও করেছিলেন। প্রায় প্রতিটি প্রশ্নেরই উত্তর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সুন্দরভাবে দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনটি শেষ হওয়ার পর থেকেই আমার মাথায় কিছু কথা ঘুরছে। আমি যেহেতু বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের একজন ক্ষুদ্র অভিনেতা, সেহেতু আমার কথাগুলো বা ভাবনাগুলোও চলচ্চিত্রকেন্দ্রিক হবে এটাই স্বাভাবিক। যাই হোক, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই আজকের বাংলাদেশের চলচ্চিত্র। বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের প্রাণকেন্দ্র ‘বিএফডিসি’র অনুমোদন দিয়েছিলেন।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন :এবার আমেরিকায় ‘স্বপ্নজাল’
--------------------------------------------------------

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাই কয়েকবছর আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রকে ‘শিল্প’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। আমি মনে করি, ‘শিল্পের মর্যাদা শিল্প দিয়েই রক্ষা করতে হয়’ তাই শৈল্পিক মনের অধিকারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপাতদৃষ্টিতে সৃষ্ট চলচ্চিত্রের দুরবস্থা দূরীকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া এবং প্রায় সব ধরণের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

দেশ এখন স্বীকৃত উন্নয়নশীল মধ্যম আয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ। তাই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পকেও উন্নতমানের উপযোগী করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা সকলেই কমবেশী চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জামসহ নানাবিদ জিনিসের বাস্তবায়নের অপ্রতুলতার কারণে আমরা হয়তো এগিয়ে গিয়েও পিছিয়ে যাচ্ছি। হয়তো আমাদের নিজেদের, চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের কিছুটা প্রকৃত ইচ্ছাশক্তির অভাবেই এমনটা হচ্ছে।

আমি বিশ্বাস করি, "Everything is possible to a willing heart." যাই হোক, এবার আসি মূল কথায়- আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন ধরণের প্রশ্নের মাঝে আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের স্বার্থে চলচ্চিত্র শিল্প বিষয়ক অন্তত একটি প্রশ্ন করা যেতো, যেখানে খোদ উপস্থিত ছিলেন আমাদের সেন্সরবোর্ডের একজন সম্মানিত সদস্যও। যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নানাবিদ উন্নয়নকাজে সদা ব্যস্ত সময় পার করেন সেহেতু উনাকে প্রশ্ন করার মাধ্যমে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেয়া যেতো।

যাই হোক, উপরে বর্ণিত কথা বা ভাবনাগুলো একান্তই আমার ব্যক্তিগত ভাবনা থেকেই বলা। তবে আমি একজন ক্ষুদ্র চলচ্চিত্র কর্মী হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি, চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। কারণ এই শিল্পের সঙ্গে লক্ষ মানুষের জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে। আর আমরাও দেশবাসীকে আরও সুন্দর এবং ভালো চলচ্চিত্র উপহার দেয়ার মাধ্যমে বিনোদিত করে দেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।

আরও পড়ুন :

এম/পিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
মেয়েটি দীপিকা পাড়ুকোনের মতই প্রতিভাবান। ভারতের প্রথম দশ জন নারী গল্ফারের মধ্যে তার নাম আছে। বলা যায় দীপিকার ভালো ভক্ত এবং একই সঙ্গে বন্ধু। নাম আনিশা পাড়ুকোন। দীপিকা পাডুকোনের ছোট বোন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপিকার সঙ্গে ছবি দেখে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল জাগে, আলোচনা হয়। মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামও হন তিনি। তবে সব সময় দীপিকার বোন হিসেবে নয়। নিজের গুণের জন্যই তিনি শিরোনামে আসেন। এই তরুণী একজন পেশাদার গল্ফার। তিনি রাজ্য স্তরে বাস্কেটবল ও জাতীয় স্তরে ক্রিকেটও খেলেন। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে খেলাধূলাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আনিশা। এছাড়া একটি সংস্থার অধীনে দিদি দীপিকার সঙ্গে মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগা রোগীদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি মনে করেন, সবটাই সম্ভব হয়েছে বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন, মা উজ্জ্বলা পাড়ুকোন ও দিদি দীপিকা পাডুকোনের জন্য।   জিএ/পি
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
কানাডার হাসপাতালে কাদের খান সুস্থ আছেন৷ অভিনেতার ছেলে সরফরাজ খান বাবার মৃত্যুর গুজব থামিয়েছেন৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে রোববার রাতে সরফরাজ খান বলেন, ‘সব মিথ্যা৷ গুজব৷ আমার বাবা হাসপাতালে আছেন। এখন সাড়া দিচ্ছেন এবং আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন৷ তাকে স্পেশাল ভেন্টিলেশন থেকে রেগুলার ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ রোববার বর্ষীয়ান অভিনেতা কাদের খানের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন সুতরাং ভক্তরা ভুয়া তথ্যকে সহজে বিশ্বাস করেছিলেন। অনেকেই শোক প্রকাশ করে পোস্ট করেন। তবে গণমাধ্যমকে দেওয়া বার্তায় সরফরাজ খান সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেন।  কাদের খানের অসুস্থতার পর থেকে তাকে নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত ছিলেন। গত শুক্রবার টুইট করে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন লেখেন, ‘কাদের খান...এক অনবদ্য প্রতিভা…হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি…তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷’ বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় জগত থেকে ছুটি নিয়েছেন কাদের খান৷ বার্ধক্যের সময়টা ছেলে সরফরাজ ও ছেলের বউ সহিস্তার সঙ্গে কানাডায় পার করছিলেন তিনি৷ এর আগেও ২০১৭ সালে একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের খান। সে সময় থেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতেন তিনি। এরই মধ্যে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কাদের খান ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫০টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২৫০টিরও অধিক ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন তিনি। অভিনেতা, কমেডিয়ান ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পুরস্কার।   জিএ/পি
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উদযাপন করতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ক্লাব এশিয়া মনের মানুষ’ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায়। একই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। আজ ৩১ ডিসেম্বর, সোমবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে আরটিভি। গানে-গানে নতুন বছরের প্রথম প্রহর মাতিয়ে তোলার জন্য পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায় এবং তার ব্যান্ড 'দ্যা অনুপম রায় ব্যান্ড' ঢাকায় আসছেন। অনুষ্ঠানটিতে অনুপম রায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন এপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। থার্টি ফার্স্ট রাতে অনুপম রায়ের সঙ্গে অনুষ্ঠান এবং মঞ্চ ভাগাভাগির বিষয়ে তাহসান জানান, আমি ১০টির মতো গানে অংশ নেবো। যেহেতু সরাসরি অনুষ্ঠান, জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি অনুরোধের গানও থাকতে পারে। অনুপম রায়ও একই সংখ্যক গান করবেন বলেও জানান তিনি। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান হওয়ায় দর্শকদের মতামত ও অনুরোধের সুযোগও থাকবে বলে জানান তাহসান। অন্যদিকে আরটিভির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বেশ কিছু চমক দিয়ে। অনুপম রায় এন্ড ব্যান্ড ও তাহসান খান দুই বাংলায় সমান ভাবে জনপ্রিয়। প্রত্যাশা করা যাচ্ছে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পাবে।   আরএস/জিএ/এসআর  
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
ইতালির লেক কোমোতে নভেম্বরে রনবীর সিংয়ের সঙ্গে মাত্র ৪৫ জন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে গিঁট বেঁধেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সঙ্গে পথ চলার এই সিদ্ধান্ত কবে নিয়েছিলেন, ইন্ডিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, পদ্মাবত মুক্তি পাওয়ার পর পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ডেল বাল্বিনেলো ভিলায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। চুপিসারে বিয়ের কাজ শেষ হয়।  নব দম্পতি বিয়ের ছবি সহজলভ্যভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে চাননি। এজন্য অনেক বিষয় ভক্তদের অজানা থেকে যায়। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের দুই বৃহত্তম তারকা লেক কমোর সুদৃশ্য স্থানে যখন বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন, ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। যদিও দুজনের প্রেম বিষয়ে ভক্তরা টুকিটাকি জানতেন, তবে কবে বিয়ে করবেন কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে, এই বিষয়টি একদম অজানা ছিল। দীপিকা অবশ্য সব ধোঁয়াশা মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পদ্মাবতের পরে তাকে (রণবীর) বিয়ে করার কথা ভাবতাম। আমরা জানতাম যে এটি ঘটতে যাচ্ছে, এটি ছিল সময়ের ব্যাপার। যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখনই মনে হয় সময়টি এসে গেছে।' দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত পদ্মাবত মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি ৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রেমের শেষ পরিণতির কথা ভাবেন। অবশেষে নভেম্বরে ডেটিং জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান দীপিকা-রণবীর।   জিএ/এসআর  
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
নির্বাচনের আমেজ থেকে বাদ যাননি নায়ক শাকিব খান। আজ (রোববার) বিকেলে মা রেজেয়া বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান তিনি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে শাকিব ভোট কেন্দ্রে যান। শাকিব খান ঢাকা-১৭ আসনের (গুলশান, বনানী, ক্যান্ট. ভাষানটেক এলাকা) ভোটার। বিকেলে রিকশায় চড়ে তার মাকে নিয়ে গুলশানের মডেল স্কুলের ভোট কেন্দ্রে যান তিনি। ভোট প্রদান শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন তিনি। জানা গেছে, শাকিব এবং তার মা বিকেলে ভোট দিতে গেলেও শাকিবের বাবা ভোট দিয়েছেন দুপুরের আগেই। রিকশা চড়ে ভোট দেয়া প্রসঙ্গে বাংলা সিনেমায় এই সুপারস্টার বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকে রিকশা, বাইক এসব চড়ে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ভোট কেন্দ্র। সেজন্য মাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ভোট কেন্দ্রে এলাম।   তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান হচ্ছে। আমি প্রথমে মনে করেছিলাম কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকবে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। নারী-পুরুষ আলাদাভাবে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিতে যাচ্ছে। আরও একটা জিনিস ভালো লেগেছে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আলাপ হয়েছে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা। শাকিব খানের আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। দুপুরের পরেই ওই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে পার্থ নির্বাচন বর্জন করেন। ডি/জেএইচ
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
আরও পড়ুন
সৈয়দ আশরাফ এক অনুভূতির নাম: সাইমন সাদিক
পরীর ক্রেজি ঠোঁট, সাইমনের মনে চোট?
দর্শকদের সঙ্গে সাইমন-অধরা
জটিলতা কাটিয়ে ৮০ সিনেমা হলে সাইমন-অধরার ‘মাতাল’