• ঢাকা বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

দিল্লিতে সাংসদ-অভিনেত্রী শতাব্দী রায়ের বাড়িতে চুরি

বিনোদন ডেস্ক
|  ০১ মে ২০১৮, ১১:৩৫ | আপডেট : ০১ মে ২০১৮, ১১:৪৮
ছবি : সংগৃহীত
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অভিনেত্রী ও সাংসদ শতাব্দী রায়ের সরকারি বাসভবনে চুরির ঘটনা ঘটেছে। সাংসদের বাড়িতে চুরির ঘটনায় প্রশ্নের মুখে ভারতের রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ শতাব্দী রায়। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

দিল্লির অভিজাত এলাকা পান্ডারা পার্ক। সেখানেই শতাব্দী রায়ের সরকারি বাসভবন। পাশের বাংলোয় থাকেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেল। জানা গেছে, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হরিদ্বারে গেছেন শতাব্দী রায়ের বাংলোর কেয়ারটেকার।

রোববার রাতে সাংসদের খালি বাংলোয় ঢুকে পড়ে চোর। জানালার কাচ ভেঙে সর্বস্ব লুট করে পালিয়ে যায়। সোমবার সকালে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি হয়ে জম্মুতে যান শতাব্দী রায়। দিল্লি বিমানবন্দরে নেমেই সরকারি বাসভবনে চুরির ঘটনাটি জানতে পারেন তিনি।

কিন্তু বিমান ধরার তাড়া থাকায় বাংলোয় যাবার সময় পাননি শতাব্দী। এদিকে রাজধানীর বুকে খোদ সাংসদের বাড়িতে চুরির ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে দিল্লি পুলিশ। জানা গেছে, শহরের যে এলাকায় সাংসদরা থাকেন, সেটি হাই সিকিউরিটি জোন। তাই চুরির ঘটনায় একেবারেই হালকাভাবে নিতে নারাজ পুলিশ কর্তারা।

খবর পেয়ে শতাব্দী রায়ের সরকারি বাসভবনে যান দিল্লি পুলিশের ডিসিপি। ঘটনাস্থল থেকে হাতের ছাপসহ অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, সাংসদ অভিনেত্রী বাংলোর পাঁচটি আলমারি তছনছ করেছে চোর। খোয়া গেছে লাখখানেক নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন। শুধু তাই নয়, শতাব্দী রায়ের বাংলোর একটি আলমারিতে কেয়ারটারের গয়না ছিল। সেই গয়নাও চুরি গেছে।

এদিকে চুরির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমার বাড়ির পাশেই থাকেন। কাজেই জায়গাটিতে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকা উচিত। কিন্তু তারপরেও যেভাবে জানালার কাচ ভেঙে চুরি হয়েছে তাতে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি বাংলোয় একাই থাকি।’

শুধু সাংসদই নয়, একজন নারী হিসেবে হাই-সিকিউরিটি জোনে তাহলে আমার কী নিরাপত্তা রয়েছে? সংসদীয় কমিটির বৈঠক সেরে ৫ মে দিল্লিতে ফিরবেন শতাব্দী রায়। তারপরই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

পিআর/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়