ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

নৃত্য-মঞ্চে পরিচয়, নাচ নিয়েই সংসার

পাভেল রহমান

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০১৮, ০৪:৩১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের ছেলে অমিত চৌধুরী ও কলকাতার মেয়ে সুইটি দাশ। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নৃত্যকলা’ বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন সুইটি। ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পরিচয় তাদের। সেই বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই পরবর্তীতে একসঙ্গে ঘর বাঁধেন। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন অমিত ও সুইটি।

এই দম্পতি এখন ঢাকার চলতি প্রজন্মের মেধাবী দুই নৃত্যশিল্পী। গত ডিসেম্বরে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উৎসবে নৃত্য পরিবেশন করে প্রশংসিত হন এই দম্পতি। এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন মঞ্চে নিয়মিত নৃত্য পরিবেশনায় তাদের মেধার সাক্ষর রেখে চলেছেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও আমন্ত্রিত হয়ে নৃত্য পরিবেশন করছেন। তুলে ধরছেন বাংলাদেশের পতাকা।

অমিত চৌধুরী বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষকতা করছেন। অন্যদিকে সুইটি বনানীতে ‘সাধনা’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে নৃত্য শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ছবিতে নাবিলার জমকালো বিয়ে
--------------------------------------------------------

আগামী ২৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস। এই দিনটিকে ঘিরে আরটিভি অনলাইনের সঙ্গে আড্ডা হয় অমিত ও সুইটির। এসময় কলকাতার মেয়ে সুইটি বলেন, ‘রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃত্যকলা নিয়ে আমরা দুজনই পড়ালেখা করেছি। কিন্তু ভিন্ন বিষয়ে পড়ার কারণে আমাদের ব্যবহারিক ক্লাস আলাদা হতো। তবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমরা অসংখ্য অনুষ্ঠানে একসঙ্গে নাচ করেছি। একসময় আমাদের বন্ধুত্বটা হয়ে গেলো। পরে দেখলাম দুজনই একই রকম স্বপ্ন নিয়ে নিজেদের তৈরি করছি। পরবর্তীতে আমরা একসঙ্গে বাকি জীবন কাটানোর সিদ্ধান্তটা নেই। নাচের মাধ্যমেই আমাদের পরিচয়। এখন নাচ নিয়েই আমাদের সংসার।’

এই দুজনের বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে অমিত বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পাশাপাশি সাধনা’তেও নাচের ক্লাস নিই। আর সুইটি এখন সাধনা’তে ড্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছে। মৌলভীবাজারের ঘোড়ামারা গ্রামের মণিপুরি থিয়েটার ও সাধনা যৌথভাবে ‘ধ্রুমেল’ নামের নাচের একটি প্রকল্প পরিচালনা করছে। সেখানে গ্রামের মণিপুরি ছেলেমেয়েদের নাচের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মণিপুরি গানকে কিভাবে নাচের মুদ্রায় মঞ্চে উপস্থাপন করা যায়। সেটা নিয়ে কাজ করছে। সেখানে সুইটি প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছে।’

ভারতে মমতা শঙ্করের কাছে নাচ শেখা শুরু করেন সুইটি দাশ। পরবর্তীতে মণিপুরি নাচের প্রশিক্ষণ নেন কলাবতী দেবীর কাছে। এরপর রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃত্যকলায় উচ্চতর পড়ালেখা করেন। বর্তমানে মণিপুরি নৃত্য নিয়েই চর্চা করছেন সুইটি দাশ।

বাংলাদেশের সমকালীন নৃত্যচর্চা নিয়ে সুইটি দাশ বলেন, ‘আমি বিগত ৫ বছর ধরে বাংলাদেশে বসবাস করছি। আমার মনে হয়, এখানকার ছেলেমেয়েরা এখন অনেক বেশি নাচ নিয়ে ভাবছে। তরুণদের অনেকেই নাচ শেখায় আগ্রহী হচ্ছে। তরুণদের মধ্যে সম্ভাবনাও অনেক বেশি। তাদের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের নৃতচর্চা বিশ্বে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হবে।’

নিজের স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে সুইটি বলেন, ‘আমি যেহেতু মণিপুরি নাচ নিয়ে চর্চা করছি। আমার স্বপ্ন বাংলাদেশের মণিপুরি নৃত্য আঙ্গিক আন্তর্জাতিকভাবে সম্মান বয়ে আনবে। কিছুদিন আগে আমরা ভারতের বড় একটি সাংস্কৃতিক উৎসব ‘খাজুরাও উৎসব’ এ বাংলাদেশের মণিপুরি নাচ নিয়ে অংশ নিয়েছি। সবাই খুবই প্রশংসা করেছেন। এছাড়া দিল্লীর ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামার আমন্ত্রণে আমরা মণিপুরি নৃত্য পরিবেশন করেছি।’

এবারের নৃত্য দিবস নিয়ে সুইটি দাশ বলেন, নৃত্যই তো আমার জীবনের অংশ। ফলে নৃত্য দিবস আমার কাছে জন্মদিনের চাইতেও বেশি আনন্দের।

অন্যদিকে অমিত চৌধুরী বলেন, ‘নাচ শেখানো নিয়ে এখন ব্যস্ততা বেশি। তবে একজন শিল্পী হয়ে নিজের পারফরমেন্স টিকিয়ে রাখাটা মূল পরিকল্পনা হওয়া উচিৎ, বিশেষ করে আমরা যারা ক্লাসিক্যাল নাচ করি। আমি মূলত ভরনাট্যম চর্চা করি। এখনো ভরতনাট্যম তালিম নিচ্ছি। এছাড়া আমেরিকার ডোনাল্ড বার্ড এর কাছে ‘ছৌ’ নাচ শিখেছি। এখন মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা নিয়েই ব্যস্ত। সেখানে বিভিন্ন কোর্সে মুভমেন্ট এর কাজ করছি। সামনে সাধনা’র একটা নৃত্য প্রযোজনার কাজ চলছে। এই বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আরও পড়ুন :

পিআর/এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
মেয়েটি দীপিকা পাড়ুকোনের মতই প্রতিভাবান। ভারতের প্রথম দশ জন নারী গল্ফারের মধ্যে তার নাম আছে। বলা যায় দীপিকার ভালো ভক্ত এবং একই সঙ্গে বন্ধু। নাম আনিশা পাড়ুকোন। দীপিকা পাডুকোনের ছোট বোন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপিকার সঙ্গে ছবি দেখে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল জাগে, আলোচনা হয়। মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামও হন তিনি। তবে সব সময় দীপিকার বোন হিসেবে নয়। নিজের গুণের জন্যই তিনি শিরোনামে আসেন। এই তরুণী একজন পেশাদার গল্ফার। তিনি রাজ্য স্তরে বাস্কেটবল ও জাতীয় স্তরে ক্রিকেটও খেলেন। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে খেলাধূলাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আনিশা। এছাড়া একটি সংস্থার অধীনে দিদি দীপিকার সঙ্গে মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগা রোগীদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি মনে করেন, সবটাই সম্ভব হয়েছে বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন, মা উজ্জ্বলা পাড়ুকোন ও দিদি দীপিকা পাডুকোনের জন্য।   জিএ/পি
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
কানাডার হাসপাতালে কাদের খান সুস্থ আছেন৷ অভিনেতার ছেলে সরফরাজ খান বাবার মৃত্যুর গুজব থামিয়েছেন৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে রোববার রাতে সরফরাজ খান বলেন, ‘সব মিথ্যা৷ গুজব৷ আমার বাবা হাসপাতালে আছেন। এখন সাড়া দিচ্ছেন এবং আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন৷ তাকে স্পেশাল ভেন্টিলেশন থেকে রেগুলার ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ রোববার বর্ষীয়ান অভিনেতা কাদের খানের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন সুতরাং ভক্তরা ভুয়া তথ্যকে সহজে বিশ্বাস করেছিলেন। অনেকেই শোক প্রকাশ করে পোস্ট করেন। তবে গণমাধ্যমকে দেওয়া বার্তায় সরফরাজ খান সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেন।  কাদের খানের অসুস্থতার পর থেকে তাকে নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত ছিলেন। গত শুক্রবার টুইট করে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন লেখেন, ‘কাদের খান...এক অনবদ্য প্রতিভা…হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি…তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷’ বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় জগত থেকে ছুটি নিয়েছেন কাদের খান৷ বার্ধক্যের সময়টা ছেলে সরফরাজ ও ছেলের বউ সহিস্তার সঙ্গে কানাডায় পার করছিলেন তিনি৷ এর আগেও ২০১৭ সালে একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের খান। সে সময় থেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতেন তিনি। এরই মধ্যে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কাদের খান ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫০টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২৫০টিরও অধিক ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন তিনি। অভিনেতা, কমেডিয়ান ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পুরস্কার।   জিএ/পি
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উদযাপন করতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ক্লাব এশিয়া মনের মানুষ’ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায়। একই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। আজ ৩১ ডিসেম্বর, সোমবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে আরটিভি। গানে-গানে নতুন বছরের প্রথম প্রহর মাতিয়ে তোলার জন্য পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায় এবং তার ব্যান্ড 'দ্যা অনুপম রায় ব্যান্ড' ঢাকায় আসছেন। অনুষ্ঠানটিতে অনুপম রায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন এপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। থার্টি ফার্স্ট রাতে অনুপম রায়ের সঙ্গে অনুষ্ঠান এবং মঞ্চ ভাগাভাগির বিষয়ে তাহসান জানান, আমি ১০টির মতো গানে অংশ নেবো। যেহেতু সরাসরি অনুষ্ঠান, জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি অনুরোধের গানও থাকতে পারে। অনুপম রায়ও একই সংখ্যক গান করবেন বলেও জানান তিনি। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান হওয়ায় দর্শকদের মতামত ও অনুরোধের সুযোগও থাকবে বলে জানান তাহসান। অন্যদিকে আরটিভির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বেশ কিছু চমক দিয়ে। অনুপম রায় এন্ড ব্যান্ড ও তাহসান খান দুই বাংলায় সমান ভাবে জনপ্রিয়। প্রত্যাশা করা যাচ্ছে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পাবে।   আরএস/জিএ/এসআর  
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
ইতালির লেক কোমোতে নভেম্বরে রনবীর সিংয়ের সঙ্গে মাত্র ৪৫ জন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে গিঁট বেঁধেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সঙ্গে পথ চলার এই সিদ্ধান্ত কবে নিয়েছিলেন, ইন্ডিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, পদ্মাবত মুক্তি পাওয়ার পর পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ডেল বাল্বিনেলো ভিলায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। চুপিসারে বিয়ের কাজ শেষ হয়।  নব দম্পতি বিয়ের ছবি সহজলভ্যভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে চাননি। এজন্য অনেক বিষয় ভক্তদের অজানা থেকে যায়। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের দুই বৃহত্তম তারকা লেক কমোর সুদৃশ্য স্থানে যখন বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন, ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। যদিও দুজনের প্রেম বিষয়ে ভক্তরা টুকিটাকি জানতেন, তবে কবে বিয়ে করবেন কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে, এই বিষয়টি একদম অজানা ছিল। দীপিকা অবশ্য সব ধোঁয়াশা মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পদ্মাবতের পরে তাকে (রণবীর) বিয়ে করার কথা ভাবতাম। আমরা জানতাম যে এটি ঘটতে যাচ্ছে, এটি ছিল সময়ের ব্যাপার। যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখনই মনে হয় সময়টি এসে গেছে।' দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত পদ্মাবত মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি ৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রেমের শেষ পরিণতির কথা ভাবেন। অবশেষে নভেম্বরে ডেটিং জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান দীপিকা-রণবীর।   জিএ/এসআর  
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
নির্বাচনের আমেজ থেকে বাদ যাননি নায়ক শাকিব খান। আজ (রোববার) বিকেলে মা রেজেয়া বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান তিনি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে শাকিব ভোট কেন্দ্রে যান। শাকিব খান ঢাকা-১৭ আসনের (গুলশান, বনানী, ক্যান্ট. ভাষানটেক এলাকা) ভোটার। বিকেলে রিকশায় চড়ে তার মাকে নিয়ে গুলশানের মডেল স্কুলের ভোট কেন্দ্রে যান তিনি। ভোট প্রদান শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন তিনি। জানা গেছে, শাকিব এবং তার মা বিকেলে ভোট দিতে গেলেও শাকিবের বাবা ভোট দিয়েছেন দুপুরের আগেই। রিকশা চড়ে ভোট দেয়া প্রসঙ্গে বাংলা সিনেমায় এই সুপারস্টার বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকে রিকশা, বাইক এসব চড়ে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ভোট কেন্দ্র। সেজন্য মাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ভোট কেন্দ্রে এলাম।   তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান হচ্ছে। আমি প্রথমে মনে করেছিলাম কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকবে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। নারী-পুরুষ আলাদাভাবে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিতে যাচ্ছে। আরও একটা জিনিস ভালো লেগেছে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আলাপ হয়েছে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা। শাকিব খানের আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। দুপুরের পরেই ওই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে পার্থ নির্বাচন বর্জন করেন। ডি/জেএইচ
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব