close
ঢাকা, বুধবার, ২৮ জুন ২০১৭ | ১৪ আষাঢ় ১৪২৪

প্রথম ছবিতেই রিজুর বাজিমাত

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৯ মে ২০১৭, ১২:৩৪ | আপডেট : ১৯ মে ২০১৭, ১২:৩৯
তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা রিয়াজুল রিজু প্রথম ছবিতেই বাজিমাত করলেন। ২০১৫ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সবচে বেশি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে এ নির্মাতার 'বাপজানের বায়োস্কোপ'। 

চলচ্চিত্রটি ৯টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাচ্ছে। রিজু বলেন, আমার জন্য অনেক বড় আনন্দের খবর। ছবিটির সকল কলাকুশলীদের কাছে কৃতজ্ঞ। সবার সহযোগিতায় এ ছবিটি নির্মিত হয়েছে। এই পুরস্কার সবার।

রিজু আরো বলেন, আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি এখন দুঃসময় অতিক্রম করছে। এ সময়টাতে ভালো ছবি নির্মাণের জন্য তরুণদের উৎসাহ যোগাতে হবে। এ পুরস্কার তরুণদের উৎসাহিত করবে বলে বিশ্বাস করি।

চলচ্চিত্রটি ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫ সালে মুক্তি পায় মুক্তি পায়। ছবির কাহিনি লিখেছেন মাসুম রেজা এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন মাসুম রেজা ও রিয়াজুল রিজু। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, শতাব্দী ওয়াদুদ ও সানজিদা তন্ময়।

চলচিত্রের পটভূমি যমুনা পাড়ের চর 'চর ভাগিনা'। চরের মালিক জীবন সরকার আর প্রান্তিক চাষী হাসেন মোল্লাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে গল্প। হাসেন মোল্লার পিতা চরে চরে বায়োস্কোপ খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। 

পিতার মৃত্যুর পর সেই বায়োস্কোপের বাক্সটি ঘরেই পড়ে থাকে। ছাপোষা কৃষক হাসেন মোল্লাকে তবুও ক্ষণে ক্ষণে নাড়া দিয়ে যায় বাবার শেষ স্মৃতি, পোড়ায় মন। একসময় হাসেন মোল্লা ঠিক করে ফেলে সপ্তাহে একদিন করে হলেও সে বায়োস্কোপের খেলা দেখাবে। বায়োস্কোপ বাক্সটি ঝেড়ে মুছে পরিস্কার করে প্রস্তুত করে দূর চরে খেলা দেখাতে যাবার জন্য। পুরনো ছবিগুলো নষ্ট সময়ের ব্যবধানে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় হাসেন মোল্লা এক নতুন কাহিনি ছবিতে আঁকিয়ে নেয়, নতুন রীল বানান। কিন্তু চরের মহাজন জীবন সরকারের আঁতে ঘা লাগে তাতে। সে ঘোষণা করে দেয় এই বায়স্কোপ চলবে না, এই খেলা দেখানো যাবে না! এগিয়ে চলে গল্প। 

এইচএম  

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়