close
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | ১৪ বৈশাখ ১৪২৪

'সনু ন্যাড়া হলেও টাকা দেব না'

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ২০ এপ্রিল ২০১৭, ১৯:০৫ | আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৭, ১৯:১১
সনু নিগম ন্যাড়া হলেও তার দেয়া বাকি দুটি শর্ত পূরণ করেননি। তাই টাকা তৈরি থাকলেও সনু নিগমকে দশ লাখ টাকা দেব না। বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম ধর্মীয় নেতা সৈয়দ কাদরি।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। খবর বিবিসি'র।

কাদরি বলেন, আমি ৩টি শর্ত দিয়েছিলাম ওই পুরস্কার দেয়ার জন্য: এক, মাথা ন্যাড়া করে দিতে হবে; দুই, সস্তাদরের-ছেঁড়া-ফাটা জুতোর মালা গলায় পরাতে হবে আর তিন, দেশের ১২৫ কোটি লোকের প্রত্যেকের বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে সনুকে। প্রথম শর্ত তিনি পূরণ করেছেন, বাকিগুলো করুন, তাহলেই টাকা পাবেন।

জুতোর মালা গলায় পরানো কি শারীরিক নিগ্রহের সামিল নয়- এ প্রশ্নে সৈয়দ কাদরি বলেন, 'সনু নিগম যদি ভারতের সংবিধানের বিরুদ্ধে, অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারেন, আমারও অধিকার আছে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার হয়ে সওয়াল করার, প্রতিবাদ করার।'

'মসজিদের আজান, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি, গির্জার শব্দ যদি কোনো ভারতীয় শুনতে না চান, তাহলে তার দেশে থাকারই অধিকার নেই।'

শর্তের টাকা না দেয়ার ঘোষণার পর সনু নিগম বা তার নাপিতের কাছ থেকে এখনও কোনো কিছু শোনা যায়নি।

দিনে পাঁচবার মাইকে আজানের শব্দে তার ঘুমের ব্যাঘাত হয়, একজন অ-মুসলমানকে কেন আজানের শব্দ শুনতে হবে - কদিন আগে এমন টুইট করে বিতর্কে জড়িয়েছেন ভারতের গায়ক সনু নিগম।

টুইটে মুসলিমদের ফজরের আজানের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে সনু নিগম লেখেন, ‘ঈশ্বর সবার মঙ্গল করুন! আমি তো মুসলিম নই। তবে আমাকে কেন সকাল বেলা আজান শুনে ঘুম থেকে উঠতে হবে? বাধ্যতামূলক ধর্ম পালন ভারতে কবে বন্ধ হবে?'

এরপরের টুইট, 'আমি মনে করি কোনো ধর্মালয়েই বিদ্যুৎ ও মাইক ব্যবহার করা ঠিক নয়।'

যুক্তি হিসেবে সনু উল্লেখ করেছেন, ইসলামের মহানবী মুহাম্মদ (সা.) যখন ইসলাম আনেন, তখন কোনো বিদ্যুৎ ছিল না। তাহলে আমরা কেন এখন সেটিকে ব্যবহার করে মানুষকে বিরক্ত করব?

তার এই টুইট নিয়ে বিতর্কের মাঝে পশ্চিমবঙ্গের এক মুসলিম নেতা দুদিন আগে বিবৃতি দেন, সনু নিগম তার ধর্মাচরণের স্বাধীনতার ওপরে আঘাত করেছেন।

এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়