কেসিসি নির্বাচনে ২৮ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

প্রকাশ | ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ২৩:৫৬ | আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০১

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

খুলনা সিটি করপোরেশন(কেসিসি) নির্বাচনে যাচাই-বাছাই শেষে ২৮ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

এর মধ্যে সোমবার ১৩ এবং রোববার ১৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। আয়কর সনদ, ঋণখেলাফি, ‘ঘ’ ফরম জমা না দেয়া ও সইজনিত সমস্যার কারণে এসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

সোমবার রাতে কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

মনোনয়পত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন সাধারণ ১নং ওয়ার্ডে শাহাজান সিরাজ(নোটারি পাবলিকের সই নেই), আবুল কালাম(ঋণখেলাপি), ২নং ওয়ার্ডে রাজা খান(অসম্পূর্ণ তথ্য), ৪নং ওয়ার্ডে আবু আসালাত মোড়ল(প্রার্থীর সই নেই), ৫নং ওয়ার্ডে মো. মুকুল শেখ(আয়কর সনদে সমস্যা), এস এম হুমায়ুন কবির(ঋণখেলাপি), ৯নং ওয়ার্ডে কাজী ফজলুল কবির টিটো(আয়কর সনদে সমস্যা), ১১নং ওয়ার্ডে মোস্তফা হাওলাদার(অসম্পূর্ণ তথ্য), ফারজানা লিপি(সই নেই), ১২নং ওয়ার্ডে মো. আজমল হোসেন(সই নেই), ১৩নং ওয়ার্ডে আবুল বাশার(শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই), ১৯নং ওয়ার্ডে আলহাজ মো. ফজলুর রহমান(অসম্পূর্ণ তথ্য), ২১নং ওয়ার্ডে মোল্লা ফরিদ আহমেদ(সই নেই), ২২নং ওয়ার্ডে নূর ইসলাম শেখ(অসম্পূর্ণ তথ্য), মাসুদ পাটোয়ারী(শিক্ষা সনদ নেই), ২৪নং ওয়ার্ডে মঈনুল ইসলাম(সই নেই), ৩০নং ওয়ার্ডে আলমগীর হোসেন(অসম্পূর্ণ তথ্য), ৩১নং ওয়ার্ডে মো. আসলাম হোসেন(সই নেই) ও জিএম আব্দুল রব(আয়কর সনদ সমস্যা)।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : গাজীপুরে ৯ ও খুলনায় ৫ মেয়রপ্রার্থীর লড়াই
--------------------------------------------------------

এছাড়া সংরক্ষিত ৬নং ওয়ার্ডে শামীমা পারভিন(ঘ ফরম জমা দেননি), ৭নং ওয়ার্ডে মনোয়ারা সুলতানা কাকলী(আয়কর সনদে সমস্যা), ৮নং ওয়ার্ডে রমা রানী চক্রবর্তী(প্রস্তাবক অন্য ওয়ার্ডের), ইসমত আরা বেগম(আয়কর সনদে সমস্যা), ৯নং ওয়ার্ডে রিনা রহমান(ঘ ফরম জমা দেননি), লিভানা পারভীন(সই নেই), শাহানুর বেগম(আয়কর সনদে সমস্যা), ১০নং ওয়ার্ডে মোসাম্মাৎ হোসনে আরা(আয়কর সনদে সমস্যা), বিলকিস আরা বুলি(আয়কর সনদে সমস্যা)।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে ইউনুচ আলী বলেন, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৩ দিনের মধ্যে নির্বাচনী আপিল বোর্ডে আপিলের সুযোগ পাবেন। আপিল বোর্ডই সিদ্ধান্ত নেবে।

আরও পড়ুন :

কে/