ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

সিআইপি কার্ড পেলেন ৫৬ ব্যবসায়ী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৫:২২ পিএম

দেশের বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় ৫৬ জন ব্যবসায়ীকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি- সিআইপি শিল্প কার্ড ২০১৬ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ব্যবসায়ীদের সিআইপি কার্ড তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে পদাধিকার বলে ৮ জন, বৃহৎ শিল্প উৎপাদন খাতে ২০ জন, বৃহৎ শিল্প সেবায় ৫ জনসহ মোট ৫৬ জনকে সিআইপি সম্মান দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, জ্ঞানভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার জাতীয় শিল্পনীতি ২০১০ ও আধুনিক ও সমন্বিত জাতীয শিল্পনীতি ২০১৬ প্রণয়ন করেছে।

আন্তর্জাতিক শিল্প বাজারের প্রতিযোগিতা করতে পণ্যের মান বাড়ানো, চ্যালেজ্ঞ মোকাবেলা, নতুন নতুন বাজার খোঁজা ও শিল্পখাতকে আরও যুযোপযোগী করার তাগিদ দেন মন্ত্রী।

সিআইপি কার্ড পাওয়া বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতিরা হলেন- এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিসিআই) প্রেসিডেন্ট রূপালী হক চৌধুরী, বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি সেলিমা আহমাদ, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তপন চৌধুরী, জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি বাংলাদেশের (নাসিব) সভাপতি মির্জা নুরুল গণি শোভন।

বৃহৎ শিল্প (উৎপাদন) ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন ২০ জন। তারা হলেন বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলী হোসাইন আকবর আলী, ইউনিভার্সেল জিন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন, বিআরবি কেবলস ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. পারভেজ রহমান, এসিআই লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আরিফ দৌলা, বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমের আলী হোসাইন, জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস ছামাদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (নোমান), কসমোপলিটন ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক তানভীর আহমেদ, আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোনেম, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু নোমান হাওলাদার, পাহাড়তলী টেক্সটাইল অ্যান্ড হোসিয়ারি মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা সালমান ইস্পাহানি, ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মামুন ভূঁইয়া, এম আর এস ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামসুর রহমান, মেসার্স ভিয়েলাটেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে. এম. রেজাউল হাসানাত, সোহাগপুর টেক্সটাইল মিলসের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেডের মনোনীত মালিক পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর,স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, এনভয় টেক্সটাইলসের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আহমেদ, বাদশা টেক্সটাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. বাদশা মিয়া, মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের উদ্যোক্তা পরিচালক সায়েম সোবহান।

বৃহৎ শিল্প (সেবা) ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন- এসটিএস হোল্ডিংসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার মনির উদ্দীন, নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম, কনকর্ড রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম কামাল উদ্দিন, জিএমই অ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী হাসান মাহমুদ, শেলটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. তৌফিক এম সেরাজ।

মাঝারি শিল্প (উৎপাদন) ক্যাটাগরিতে ১২ সিআইপি হয়েছেন, আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেডের পরিচালক ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, প্রমি অ্যাগ্রো ফুডস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এনামুল হাসান খান, অকো-টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সোবহান, মাধবদী ডাইং ফিনিশিং মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া লিটন, ফু-ওয়াং ফুডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আহমেদ চৌধুরী, অ্যাকোয়া মিনারেল টারপেনটাইন অ্যান্ড সলভেন্টস প্ল্যান্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রামজুল সিরাজ, মেসার্স সিটাডেল অ্যাপারেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহিদুল ইসলাম খান, জালালাবাদ ফ্রোজেন ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জব্বার মোল্লা, বসুমতি ডিসট্রিবিউশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেড এম গোলাম নবী, মোনেম ইগলু ফুডস লিমিটেডের পরিচালক এ এস এম মঈনউদ্দিন, বি আর বি পলিমার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান, মোশাররফ স্পিনিং মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন।

মাঝারি শিল্প (সেবা) ক্যাটাগরিতে তিনজন সিআইপি হয়েছেন। তারা হলেন, স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান খান মো. আফতাব উদ্দিন, শান্ত প্রোপার্টিসের পরিচালক মিজ জেসমিন সুলতানা, বিল্ডিং ফর ফিউচারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভিরুল হক প্রবাল।

ক্ষুদ্র শিল্প (উৎপাদন) ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন, কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজবার রহমান, ফুজি ইংক ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মিজ ফারহানা মোনেম, আরএমএম লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন, রানার ব্রিকস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন, সবজীয়ানা লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবু শাহরিয়ার।

ক্ষুদ্র শিল্প (সেবা) ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন একজন। তিনি হলেন কিউএনএস কনটেইনার সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুরুল কাইয়ুম খান। মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন টেকনোমিডিয়া লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক যশোদা জীবন দেব নাথ ও কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন এবি ফ্যাশন মেকারের স্বত্বাধিকারী সানাউল হক বাবুল।

আরও পড়ুন :

এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
ফ্রিজে বিশ্ব জলবায়ু উষ্ণায়নের জন্য দায়ী এইচএফসি গ্যাসের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। সেই লক্ষ্যে ফ্রিজ ও কম্প্রেসারে এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট চালু করেছে তারা। এর আওতায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ফ্রিজ ও এর কম্প্রেসারে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপি। এ বিষয়ে শনিবার রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে ইউএনডিপি ও ওয়ালটনের মধ্যে ‘এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ এক বছর। বিশ্বে এইচএফসি গ্যাস ফেজ আউটে এই প্রকল্পেই প্রথম সহায়তা প্রদান করছে ইউএনডিপি। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম এবং ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি খুরশিদ আলম ও শায়লা খান, জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ মামুনুর রশীদ ও সংস্থাটির প্রাকিউরমেন্ট বিভাগের প্রধান মরিয়ম আকতার রিকতা, ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, মো. হুমায়ুন কবীর, প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আশরাফুল আম্বিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এস এম আশরাফুল আলম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি আমরা সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আর তাই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এক গ্রাম কেমিক্যালও ওয়ালটন ব্যবহার করে না। আমাদের টার্গেট বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ডের মর্যাদায় নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে পরিবশেবান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করছি আমরা। প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুল আম্বিয়া জানান, কয়েক বছর আগেই ইউএনডিপির সহায়তায় অত্যন্ত সফলভাবে ফ্রিজে বায়ুমন্ডল তথা ওজোনস্তর ক্ষয়কারী এইচসিএফসি গ্যাসের ব্যবহার রোধ করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি, এইচএফসির ব্যবহার রোধের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সফল হয়েছে ওয়ালটন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার ফ্রিজে এইচএফসির ব্যবহার সম্পূর্ণ রোধ করার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে এইচএফসিমুক্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কম্প্রেসার উৎপাদনও শুরু করলো ওয়ালটন। সূত্রমতে, প্রকল্পটি চালুর ফলে বায়ুমন্ডলে বাৎসরিক প্রায় ২ দশমিক ৫৩ লাখ টন কার্বনডাই অক্সাইডের সমপরিমাণ ১৮৯ টন এইচএফসি গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করবে ওয়ালটন। এর মধ্য দিয়ে ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশ। এসআর
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
নির্বাচনের কারণে ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে অফিস আদালত। তবে ব্যাংক হলিডে থাকায় এদিন ব্যাংক খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হচ্ছে না। ফলে সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না। তবে প্রয়োজন হলে কার্ডের মাধ্যমে এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা খোলা থাকবে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্রিত করে অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। যে কারণে এ দিনটিকে ‘ব্যাংক হলিডে’ হিসেবে ধরা হয়। এদিন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংক গ্রাহকদের সঙ্গে কোনও ধরনের লেনদেন বা দাপ্তরিক কার্যক্রম করে না। এদিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেনও। এসআর
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবায় লেনদেনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। আজ রোববার বিকেল ৫টার পর গ্রাহকরা আবারও আগের মতো টাকা লেনদেন, ক্যাশ আউট, মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে পারবেন।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।   তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে আজ বিকেল ৫টা পযর্ন্ত ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানোর বিষয়ে শিথিলতা আনা হয়। সে অনুযায়ী গ্রাহকরা আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা শুধু পাঠাতে পারছেন। কোনও ক্যাশ আউট ও রিচার্জের সুযোগ নেই।   নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। কারণ নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসআর
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে রোববার তথা নির্বাচনের দিন বিকেল ৫টা পযর্ন্ত এই ২৪ ঘণ্টা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানো যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৭ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ফলে শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবা বন্ধ রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মতে, সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হলো। তবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হতে ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা লেনদেনের সুযোগ রেখে সীমিত আকারে এ সেবা চালু রাখা যেতে পারে বলে জানানো হয়। আরও পড়ুন : ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও এসআর
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষেত্রে বৃহত্তম দেশ হিসাবে উত্তরণ ঘটতে পারে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ২০৩০’ শীর্ষক এইচএসবিসি গ্লোবাল রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) নিউজ বুলেটিনের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮) সম্পাদকীয় শাখায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের বুলেটিনে বলা হয়, ‘ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে দেশটি (বাংলাদেশ) বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে এবং আর্থ-সামাজিক গতিশীলতার কারণে ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৩৯তম। লন্ডন ভিত্তিক ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ‘ন্যাশনাল ব্র্যান্ডস ২০১৮’ প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ ২৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইসিসিবি নিউজ বুলেটিনে বলা হয়, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি চমৎকারভাবে ৬ শতাংশের অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরে রেখেছে এবং গত দু’বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বুলেটিন অনুসারে, টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব কার্যক্রম, ‘ওয়ান-স্টপ-সার্ভিস’ অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সাবলীল করেছে। পাশাপাশি, বেসরকারি ও সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের সুবিধার্থে সরকার অনেকগুলো ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমির সংকট দূর করার জন্য সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতিমধ্যে ১০০টির মধ্যে ৭৬টির জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। আরও পড়ুন : বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার হবে এশিয়ায় নেতৃস্থানীয়: ডিএসই এমডি এসআর
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদপত্রে সাইবার হামলা
আজ বিকেলে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন
বিকেলে ড. কামাল হোসেনের সংবাদ সম্মেলন
বিকেলে ঐক্যফ্রন্টের জরুরি সংবাদ সম্মেলন