ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

তরুণদের নিয়ে সমাজকে বদলে দিতে কাজ করছে জেসিআই বাংলাদেশ

শাহীনুর রহমান

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:৪৯ এএম

বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ। এ দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সম্পদ তার উদীয়মান যুবসমাজ। এই যুবসমাজকে কাজে লাগিয়ে সমাজকে বদলে দিতে চায় তরুণদের সংগঠন জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল- জেসিআই বাংলাদেশ। এ লক্ষ সামনে নিয়ে স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে সংস্থাটি। দেশ-বিদেশের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংগঠনটি বর্তমানে বিভিন্ন ইতিবাচক কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মহাখালীতে বি দ্য চেঞ্জ নামে একটি বড় ধরনের কর্মশালার আয়োজন করছে জেসিআই বাংলাদেশ।

তরুণদের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি আদর্শ সমাজ বা কমিউনিটি গঠনের প্রয়াস নিয়ে এগিয়ে চলা জেসিআই বাংলাদেশের নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে সম্প্রতি সংস্থাটির ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ফায়াজ আতিকুল ইসলাম, ন্যাশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট এরফান হক ও ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরফান ইসলামের সঙ্গে কথা হয় আরটিভি অনলাইনের। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আরটিভি অনলাইনের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহীনুর রহমান।

আরটিভি অনলাইন: প্রথমে জেসিআই ও জেসিআই বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে চাইবো।

জেসিআই বাংলাদেশ: জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল- জেসিআই একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ১২০টি দেশে জেসিআইয়ের কার্যক্রম চলমান আছে। এটি মূলত মেম্বারশিপ ভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা। বিশ্বে সংস্থাটিতে প্রায় ২ লাখের বেশি তরুণ সম্পৃক্ত আছে। যাদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছর।

১৯১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মিশোরিতে গঠিত হয় জেসিআই। সক্রিয় তরুণ নাগরিকদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক এবং তাদের উন্নয়নের জন্য জেসিআই কাজ করে। জেসিআই মূলত তরুণ ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও প্রফেশনালদের একটি চেম্বার অর্গানাইজেশন। বর্তমানে সংগঠনটির ৫ হাজার কমিউনিটি রয়েছে। বাংলাদেশে এটি জেসিআই বাংলাদেশ নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে এই সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে।

আরটিভি অনলাইন: তরুণদের দিয়ে কীভাবে সমাজকে বদলে দিচ্ছে জেসিআই?

জেসিআই বাংলাদেশ: এখানে দেশ-বিদেশের তরুণদের নিয়ে একটা শক্তিশালী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করা হয়। ইতিবাচক সমাজ পরিবর্তনে কাজ করে থাকে সংগঠনটি।

জেসিআই মূলত তার সদস্য বা বাইরের তরুণদের নিয়ে কাজ করে। তবে প্রথমে গুরুত্ব দিয়ে থাকে নিজ সদস্যদের। সংগঠনটির কিছু প্রোগ্রাম রয়েছে। যেমন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনিং, যার মাধ্যমে কোর্সের আয়োজন করে মেম্বারদের দক্ষতা বাড়ানো হয়। জেসিআই বাংলাদেশ একটি লিডারশিপ প্ল্যাটফর্ম। প্রফেশনাল, ইন্টারপ্রেইনারসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর জেসিআই প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা করে থাকে। তবে সেটা অবশ্যই হতে হবে ইয়োথ ব্যাকগ্রাউন্ডেড।

জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ফায়াজ আতিকুল ইসলাম

সংস্থাটি প্রতিবছর সমগ্র বিশ্ব থেকে ১০ জন তরুণকে আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান করে। জেসিআই ইউএস কর্তৃক ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আওতায় প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০০ প্রোজেক্ট পরিচালনা করে। বাংলাদেশের তরুণদের সামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন জেসিআই কাজ করে থাকে। বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ তরুণ। তাই আমাদের দায়িত্ব এই তরুণদের সক্রিয় নাগরিক হিসেবে রূপান্তরিত করণসহ তাদেরকে আগামী দিনের নেতৃত্বে দাঁড় করানো। এই সংগঠনের মাধ্যমে সমাজের দরিদ্র-হতদরিদ্র মানুষের দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা পৌঁছে দেয়া, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি ও তাদের সুযোগ সুবিধা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি/বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করা আমাদের কর্মকাণ্ডের একটি অংশ।

যেমন ধরা যায়, কেউ স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু দেখা যায় তার একার পক্ষে সেটা করা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে জেসিআই সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কলাবোরেট করার প্ল্যাটফরমটা তৈরি করে দেয়; নেটওয়ার্ক গড়ে দেয়।

জেসিআইএর ট্রেইনিংগুলো সাধারণত সেলফ ডেভেলপমেন্টের ওপর হয়ে থাকে। তাছাড়া সংগঠনটির কিছু কমিউনিটি ভিত্তিক প্রোগ্রাম রয়েছে- যেমন হেলথকেয়ার, লিডারশিপ, কমিউনিকেশন, শিক্ষা, হাইজিন, রোড ট্রাফিক এওয়ারনেস।

জেসিআই সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করে এমন বিভিন্ন ধরনের ইভেন্ট করে থাকে। যেমন কোনও ইস্যু নিয়ে যুবসমাজকে বার্তা দেয়া। তাদের মোটিভেট করা, সমাজমুখী করা।

উদাহরণস্বরূপ এ বছরের শুরুতে সংগঠনটি এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে সফল ইয়ং উদ্যোক্তাদের একত্রিত করে। ওই অনুষ্ঠানে সফলদের চলার পথে নানা সমস্যা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। যার মাধ্যমে সফলদের এগিয়ে চলার নানান গল্প উঠে আসে। এছাড়া প্রতিবছর তরুণদের বাজেট ভাবনা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার আয়োজন করে সংস্থাটি।

আরটিভি অনলাইন: আগামী ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বি দ্য চেঞ্জ নিয়ে কিছু বলুন।

জেসিআই বাংলাদেশ: ২০১৮ সালের সবচেয়ে বড় কর্মশালার আয়োজন করছে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। যাতে ১২ জন সফল মানুষের তাদের স্বপ্ন পূরণের গল্প শুনাবেন। পাশাপাশি তারা সমাজে কী অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন তাও উঠে আসবে।

আগামী ৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কনভেনশনের হেলমেট হল রুমে এই কর্মশালা হবে। ওই অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো জেসিআই সিভি সংগ্রহের ব্যবস্থা করেছে। এর মাধ্যমে সংস্থাটি চাকরিপ্রত্যাশী তরুণদের কাছ থেকে সিভি নিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।

আরটিভি অনলাইন: সবশেষ জানতে চাইবো কীভাবে জেসিআই বাংলাদেশের সদস্য হওয়া যায়?

জেসিআই বাংলাদেশ: এর সদস্য হওয়া একেবারেই সহজ। এজন্য যারা সদস্য আছে তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হয়। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে মেম্বারশিপ পাওয়া যায়। তবে এজন্য বয়স বিবেচ্য বিষয়। জেসিআইএর সদস্য হতে গেলে তার বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছর হতে হবে। বাংলাদেশে জেসিআইএর ১৪টি চেপ্টার আছে। তাদের মাধ্যমে সদস্য হওয়া যায়। ওই চ্যাপ্টারগুলো স্থানীয়ভাবে কাজ করে। তারাই মূলত বিভিন্ন বিষয়ে ট্রেইনিংগুলো দিয়ে থাকে, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্ক করে। বার্ষিক ফি দিয়ে ওই চ্যাপ্টারের সদস্য হতে পারেন।

আরটিভি অনলাইন: গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সময় দেবার জন্য সমাজকে বদলে দেবার প্রয়াসে এগিয়ে চলা জেসিআই বাংলাদেশকে ধন্যবাদ।

জেসিআই বাংলাদেশ: আরটিভি অনলাইনকেও জেসিআই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
ফ্রিজে বিশ্ব জলবায়ু উষ্ণায়নের জন্য দায়ী এইচএফসি গ্যাসের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। সেই লক্ষ্যে ফ্রিজ ও কম্প্রেসারে এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট চালু করেছে তারা। এর আওতায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ফ্রিজ ও এর কম্প্রেসারে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপি। এ বিষয়ে শনিবার রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে ইউএনডিপি ও ওয়ালটনের মধ্যে ‘এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ এক বছর। বিশ্বে এইচএফসি গ্যাস ফেজ আউটে এই প্রকল্পেই প্রথম সহায়তা প্রদান করছে ইউএনডিপি। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম এবং ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি খুরশিদ আলম ও শায়লা খান, জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ মামুনুর রশীদ ও সংস্থাটির প্রাকিউরমেন্ট বিভাগের প্রধান মরিয়ম আকতার রিকতা, ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, মো. হুমায়ুন কবীর, প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আশরাফুল আম্বিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এস এম আশরাফুল আলম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি আমরা সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আর তাই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এক গ্রাম কেমিক্যালও ওয়ালটন ব্যবহার করে না। আমাদের টার্গেট বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ডের মর্যাদায় নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে পরিবশেবান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করছি আমরা। প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুল আম্বিয়া জানান, কয়েক বছর আগেই ইউএনডিপির সহায়তায় অত্যন্ত সফলভাবে ফ্রিজে বায়ুমন্ডল তথা ওজোনস্তর ক্ষয়কারী এইচসিএফসি গ্যাসের ব্যবহার রোধ করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি, এইচএফসির ব্যবহার রোধের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সফল হয়েছে ওয়ালটন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার ফ্রিজে এইচএফসির ব্যবহার সম্পূর্ণ রোধ করার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে এইচএফসিমুক্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কম্প্রেসার উৎপাদনও শুরু করলো ওয়ালটন। সূত্রমতে, প্রকল্পটি চালুর ফলে বায়ুমন্ডলে বাৎসরিক প্রায় ২ দশমিক ৫৩ লাখ টন কার্বনডাই অক্সাইডের সমপরিমাণ ১৮৯ টন এইচএফসি গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করবে ওয়ালটন। এর মধ্য দিয়ে ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশ। এসআর
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
নির্বাচনের কারণে ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে অফিস আদালত। তবে ব্যাংক হলিডে থাকায় এদিন ব্যাংক খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হচ্ছে না। ফলে সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না। তবে প্রয়োজন হলে কার্ডের মাধ্যমে এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা খোলা থাকবে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্রিত করে অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। যে কারণে এ দিনটিকে ‘ব্যাংক হলিডে’ হিসেবে ধরা হয়। এদিন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংক গ্রাহকদের সঙ্গে কোনও ধরনের লেনদেন বা দাপ্তরিক কার্যক্রম করে না। এদিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেনও। এসআর
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবায় লেনদেনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। আজ রোববার বিকেল ৫টার পর গ্রাহকরা আবারও আগের মতো টাকা লেনদেন, ক্যাশ আউট, মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে পারবেন।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।   তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে আজ বিকেল ৫টা পযর্ন্ত ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানোর বিষয়ে শিথিলতা আনা হয়। সে অনুযায়ী গ্রাহকরা আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা শুধু পাঠাতে পারছেন। কোনও ক্যাশ আউট ও রিচার্জের সুযোগ নেই।   নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। কারণ নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসআর
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে রোববার তথা নির্বাচনের দিন বিকেল ৫টা পযর্ন্ত এই ২৪ ঘণ্টা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানো যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৭ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ফলে শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবা বন্ধ রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মতে, সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হলো। তবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হতে ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা লেনদেনের সুযোগ রেখে সীমিত আকারে এ সেবা চালু রাখা যেতে পারে বলে জানানো হয়। আরও পড়ুন : ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও এসআর
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষেত্রে বৃহত্তম দেশ হিসাবে উত্তরণ ঘটতে পারে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ২০৩০’ শীর্ষক এইচএসবিসি গ্লোবাল রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) নিউজ বুলেটিনের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮) সম্পাদকীয় শাখায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের বুলেটিনে বলা হয়, ‘ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে দেশটি (বাংলাদেশ) বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে এবং আর্থ-সামাজিক গতিশীলতার কারণে ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৩৯তম। লন্ডন ভিত্তিক ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ‘ন্যাশনাল ব্র্যান্ডস ২০১৮’ প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ ২৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইসিসিবি নিউজ বুলেটিনে বলা হয়, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি চমৎকারভাবে ৬ শতাংশের অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরে রেখেছে এবং গত দু’বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বুলেটিন অনুসারে, টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব কার্যক্রম, ‘ওয়ান-স্টপ-সার্ভিস’ অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সাবলীল করেছে। পাশাপাশি, বেসরকারি ও সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের সুবিধার্থে সরকার অনেকগুলো ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমির সংকট দূর করার জন্য সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতিমধ্যে ১০০টির মধ্যে ৭৬টির জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। আরও পড়ুন : বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার হবে এশিয়ায় নেতৃস্থানীয়: ডিএসই এমডি এসআর
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করলো যুক্তরাজ্য
প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মমতা
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আওয়ামী লীগের মহাবিজয়ের খবর
ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট