বাংলাদেশে ওষুধের ব্যবসা বন্ধে ইজিএম ডেকেছে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন

প্রকাশ | ২৯ আগস্ট ২০১৮, ১৬:১৬ | আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৩২

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

বাংলাদেশে ওষুধের ব্যবসা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন। এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ আগামী ১৪ অক্টোবর বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করবে।

তবে কোথায় এই সভা অনুষ্ঠিত হবে তা জানা যায়নি।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ খাতের কোম্পানিটি প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষকে এ তথ্য জানিয়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৪ অক্টোবর সকাল ১১টায় এই ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ইজিএম এর স্থান পরে জানানো হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর।

ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন পেতে এ ইজিএম আয়োজন করা হচ্ছে।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : পোল্ট্রি শিল্পে চামড়ার বিষাক্ত বর্জ্য ও এন্টিবায়োটিক, ঢুকছে মানবদেহে
-------------------------------------------------------

এ বিষয়ে গত ২৭ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন।

১৯৭৪ সাল থেকে বাংলাদেশে কারখানা চালিয়ে আসছে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন। এ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ গত মাসে এক বৈঠকের পর তাদের ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস ইউনিটের উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

তবে জিএসকের কনজিউমার হেলথকেয়ার ইউনিট বাংলাদেশে হরলিকস, মালটোভা, গ্ল্যাক্সোজ-ডি, সেনসোডাইনের মতো পণ্য বিক্রি চালিয়ে যাবে বলে জানানো হয়।

জিএসকে জানায়, ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিট বন্ধ হওয়ার কারণে অনিশ্চয়তার মুখে পড়া এক হাজারের বেশি কর্মীকে তারা যথাযথ প্রাপ্য পরিশোধ করবে। এছাড়া ইউনিসেফের মাধ্যমে সরকার গ্লাক্সোস্মিথক্লাইনের যে ভ্যাকসিন কিনত, তাও বাংলাদেশে পাওয়া যাবে।

জিএসকে বাংলাদেশের হেড অফ কমিউনিকেশন্স রুমানা আহমেদ জানান, ব্যবসায়িক পর্যালোচনা শেষে গ্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানিটির ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিট বন্ধের এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। জিএসকে-এর লোকসানজনক ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেবার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

“এর ফলে প্রভাবিত সব কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্মান এবং মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করতে, এবং তাদেরকে সম্ভাব্য সব সহযোগিতা করতে জিএসকে বদ্ধপরিকর।”

তবে এর ফলে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে লেনদেনভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ারে ভবিষ্যতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কিনা বা পড়লেও তা কতটুকু প্রভাবিত করবে- তা জানা যায়নি।

ডিএসইর তথ্য মতে- ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির ৮১ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার আছে এর পর্ষদের হাতে, আর ১৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোক্তারা। মাত্র এক দশমিক ৩০ শতাংশ শেয়ার আছে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের হাতে।

আরও পড়ুন : 

এসআর