• ঢাকা বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

ফোনের কলরেট ৪৫ পয়সা করা ‘অযৌক্তিক’

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১৬:১৪ | আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১৭:১৭
মোবাইল ফোনের সর্বনিম্ন কলরেট ৪৫ পয়সা বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় না নিয়ে শুধু অপারেটরদের স্বার্থ বিবেচনা করে কলরেট ২৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ পয়সা নির্ধারণ করেছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক।

তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার আগে গ্রাহকদের মতামত নেয়া উচিত ছিল।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : আজ এলএনজি যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ
-------------------------------------------------------

এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে গ্রাহকদের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন তিনি। এর জন্য কমিশন প্রয়োজনে গণশুনানি করতে পারত। তা না করে তাদের নেয়া সিদ্ধান্ত গ্রাহককে মানতে বাধ্য করা একটি অগণতান্ত্রিক ও অনৈতিক সিদ্ধান্ত।

গত আগস্ট মধ্যরাতে হঠাৎ মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো সর্বনিম্ন কলরেট ২৫ পয়সা উঠিয়ে নেয়। এর পরিবর্তে ৪৫ পয়সা কলরেট চালু হয়।

দেশের মোবাইল অপারেটরগুলোকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি এ নির্দেশনা প্রদান করে।

এতদিন দেশে দুই ধরনের কলরেট চালু ছিল, একটি অননেট ও অপরটি অফনেট। অননেট হলো একই মোবাইল নেটওয়ার্কে কল করার (কথা বলার) পদ্ধতি এবং অফনেট কল হলো এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ফোন করা।

বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, ৪৫ পয়সা হলো নতুন কলরেটের ফ্লোর প্রাইস (ইউনিফায়েড ফ্লোর প্রাইস)। এ রেটের কমে কোনো মোবাইল নম্বরে কল করা যাবে না। তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের পছন্দমতো রেট সাজিয়ে নতুন কলরেট গ্রাহকদের অফার করতে পারবে। কলরেটের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২ টাকা, যা আগেও ছিল।

মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, গণমাধ্যমে বিটিআরসি কর্মকর্তাদের বক্তব্যে জানতে পারলাম, আগের ২৫ পয়সা কাগজে-কলমে হলেও রেট পড়ত ৩৫ পয়সার ওপরে। আমরা মনে করি, তাদের এ ধরনের বক্তব্য ভোক্তা অধিকার আইনের পরিপন্থী। এতে করে অপারেটরদের দুর্নীতিকে প্রকাশ্যে প্রশ্রয় দিয়েছে কমিশন।

তাঁর মতে, বর্তমান রেটে অপারেটর, আইসিএক্স, আইজিডব্লিউ, এনটিটিএন এবং ভ্যাট যোগ করলে কলরেট দাঁড়াবে প্রায় ৫২ পয়সা, যা আগের অফনেটের ফ্লোররেটের সমান। এই কলরেট বৃদ্ধির ফলে অপারেটররা সাময়িকভাবে লাভবান হলেও ভবিষ্যতে গ্রাহকেরা বিকল্প পথে কথা বলা শুরু করলে অপারেটররা ব্যবসায় বিনিয়োগ হারাতে পারে।

মানববন্ধনে আরও অংশ নেন সাবেক সাংসদ অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, ন্যাশনাল কংগ্রেস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান কাজী ছাবের আহমেদ ছাব্বীর, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি হারুন অর রশিদ খান, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম প্রমুখ।

 

আরও পড়ুন : 

 


এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়