মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনালের ২৫ শতাংশ কিনছে মিৎসুবিশি

প্রকাশ | ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১২:১৯ | আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১২:৪১

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিট করপোরেশনের নির্মাণাধীন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালের ২৫ শতাংশ মালিকানা কিনে নিচ্ছে জাপানের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান মিত্সুবিশি করপোরেশন। এছাড়া টার্মিনালটির অন্য ৭৫ শতাংশ সামিট করপোরেশনের মালিকানায় থাকবে। খবর রয়টার্সের।

এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের আগেই সামিট এলএনজি টার্মিনাল লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করা হয়েছে। কারিগরি সহায়তাসহ টার্মিনাল স্থাপনে মিত্সুবিশির সঙ্গে একটি চুক্তিও সই করে সামিট।

প্রায় ৩০০ কোটি ডলারের প্রকল্পে শেয়ারের মালিকানা নিয়ে সম্প্রতি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে উভয় প্রতিষ্ঠান।

এ প্রকল্পে গ্যাস রিসিভিং এবং ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে মিত্সুবিশি। এ প্রকল্পের পাশাপাশি সামিট এবং মিত্সুবিশি বাংলাদেশে এলএনজি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কাজ করবে বলে জানা গেছে।
-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ইন্টারনেটের গতি না পেলে অভিযোগে ব্যবস্থা নেবে বিটিআরসি
-------------------------------------------------------

এফএসআরইউ ব্যবহার করার কারণে প্রচলিত অনশোর টার্মিনাল থেকে অপেক্ষাকৃত কম খরচে ও দ্রুত সময়ে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা যায়। এ কারণে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো এলএনজি গ্রহণ সক্ষমতা বাড়াতে এলএনজি টার্মিনালের দিকে (এফএসআরইউ ব্যবহার করে) ঝুঁকছে। সামিট ও মিত্সুবিশির এ প্রকল্পের অধীনে সামিট এলএনজি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী দ্বীপের উপকূল থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে একটি এফএসআরইউ স্থাপন করবে, যা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার সরবরাহকৃত এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন করবে।

সামিটের এলএনজি টার্মিনালটির নির্মাণকাজ ২০১৭ সালের শেষদিকে শুরু হয়। ২০১৯ সালের মার্চে এটি বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যাবে। টার্মিনালের পরিকল্পিত এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশনের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন (এমপিটিএ)। এভাবে ১৫ বছর চলার পর পেট্রোবাংলার কাছে টার্মিনালটি হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন :

এসআর