• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

চীনে পণ্য রপ্তানিতে ৯৭ ভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ: বাণিজ্যমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১২ আগস্ট ২০১৮, ১৮:১৭ | আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৮, ১৮:২৬
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, লেটার অফ এক্সচেঞ্জ অনুমোদিত হলে চীনে রপ্তানিতে ৯৭ ভাগ শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

আজ রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জুয়োর সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এফটিএ করার জন্য চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে উভয় দেশের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এখন এফটিএর সম্ভাব্যতা যাচাই প্রক্রিয়া চলছে। সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষর করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে চূড়ান্তভাবে উন্নীত হবে ২০২৭ সালে। তখন জিএসপি সুবিধা থাকবে না। এফটিএ করে পারস্পরিক বাণিজ্য সুবিধা নিতে হবে। চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : সরকারি হলো ২৭১ কলেজ
-------------------------------------------------------

তোফায়েল আহমেদ বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে উভয় দেশ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। চীনের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্য সুবিধা বৃদ্ধি করা হলে, বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসবে।

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ট বন্ধু রাষ্ট্র এবং ব্যবসায়িক ও উন্নয়নের অংশীদার। চীনের সহযোগিতায় পূর্বাচলে ৩৫ একর জমির ওপর চীন-বাংলাদেশ এক্সিবিশন সেন্টার নির্মিত হচ্ছে। আগামী ২০২০ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এর মোট ব্যয়ের সিংহ ভাগ চীন সরকার বহন করবে।

চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জুয়োর বলেন, চীন বাংলাদেশকে উচ্চমাত্রায় গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক চমৎকার। বাংলাদেশের সাথে এফটিএ স্বাক্ষর করে বাণিজ্য ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা শুরু করতে চায় চীন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা করে যাচ্ছে। প্রাইভেট এবং জি টু জি ভিত্তিতে এ সকল কাজ চলছে।

ডব্লিউটিও‘র সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশ চীনের কাছে লেটার অফ এক্সচেঞ্জ প্রেরণ করেছে, সম্মতি পাওয়া গেলেই বাংলাদেশ চীনের কাছে রপ্তানি পণ্যের ৯৭ ভাগে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পাবে। ডব্লিউটিও‘র সদস্য দেশগুলো নিজেদের মধ্যে এ বাণিজ্য সুবিধা নিতে পারে।

এসময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু এবং এফটিএ‘র শাখার অতিরিক্ত সচিব মো. শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন : 

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়