• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

চার হাজার কোটি টাকা পাচারের তথ্য মিলেছে: বাংলাদেশ ব্যাংক

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ৩১ জুলাই ২০১৮, ১৭:১৭ | আপডেট : ৩১ জুলাই ২০১৮, ১৭:২৪
বাংলাদেশ থেকে চার হাজার কোটি টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিষয়টি অনুসন্ধানে একটা তথ্য পাওয়া গেছে। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তা পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে আরও কাজ চলছে।

আজ মঙ্গলবার চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণার সময়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০১৮) মেয়াদের এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর ফজলে কবির।

নির্বাচনের বছরে টাকার প্রবাহ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কায় চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য সতর্ক মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে। 

নতুন মুদ্রানীতিতে ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। সরকারি ঋণের প্রাক্কলন করা হয়েছে ১০ দশমিক ৪ শতাংশ। এছাড়া অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ৮ শতাংশ ধরা হয়।

আবু হেনা মোহা. রাজী আরও বলেন, সুইস ব্যাংকের ব্যক্তিগত কালো টাকা এ বছর কমেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরদারি বাড়ানোর কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। 

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি বছর দুইবার মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে। ছয় মাস অন্তর এই মুদ্রানীতি একটি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই মাসে এবং অন্যটি জানুয়ারি মাসে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় সঞ্চয়পত্রে সুদের হার যৌক্তিকরণ, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে সোনায় গণ্ডগোল, ব্যাংকের সুদ নির্ধারিত ৯ ও ৬ শতাংশে আনা ও কালো টাকা পাচারের বিষয়েও বক্তব্য দেন।

এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টা, প্রধান অর্থনীতিবিদ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়