• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

৩১৭ কোটি টাকায় মেরামত হবে ৫৫০টি খাদ্য গুদাম

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১০ জুলাই ২০১৮, ১৫:০৮ | আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৮, ১৫:১৫
দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্য বিতরণ ও মজুদ করার ব্যবস্থা উন্নত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য সারাদেশে ৫৫০টি গুদাম মেরামত ও নতুন ২০টি গুদাম নির্মাণ করা হবে। এতে ব্যয় হবে ৩১৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়। আজকের সভায় মোট ৬টি প্রকল্প দেয়া হয়।

সভা শেষে প্রকল্পগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

‘সারাদেশে পুরাতন খাদ্য গুদাম ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদির মেরামত এবং নতুন অবকাঠামো নির্মাণ’ প্রকল্প সম্পর্কে এম এ মান্নান বলেন, এ প্রকল্পে আমাদের ৩১৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা খরচ হবে। যার পুরোটাই সরকারি অর্থায়নে হবে।

তিনি বলেন, আমরা খাদ্যে প্রায় সয়ংসম্পূর্ণ। আমাদের খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণ ধরে রাখতে হবে। আর এর জন্য আমাদের বিতরণ ও মজুদ করার ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। আর এর জন্য এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সারাদেশে ৮টি বিভাগের ৬২টি জেলার ১৯৪টি উপজেলা ও ৭টি সিটি করপোরেশন প্রকল্প এলাকা এটি বাস্তবায়ন হবে।এখানে ৫৫০টি গুদাম ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবধাদির মেরামত করা হবে। ২০টির নতুন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, তেজগাঁওয়ের সরকারি খাদ্যগুদামের অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে। তেজগাঁওয়ের সরকারি খাদ্যগুদাম দেখে প্রধানমন্ত্রী অবাক হয়েছেন, খাদ্য গুদাম ময়লা, ভাঙা, পানি পড়ে।’

এম এ মান্নান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, পূর্বাচলে নির্মাণাধীন বাংলাদেশ-চায়না ফেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণ শেষ হলেই সেখানে বাণিজ্য মেলা হবে। এ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী দ্রুত শেষ করতে বলেছেন। যদিও প্রকল্পটির মেয়াদ জুলাই ২০১৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২০ সাল পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০১৯ সালেই চীন সরকার এটা নির্মাণ করে দিতে চেয়েছে। সকল অবকাঠামো চীনে নির্মিত হবে শুধু পূর্বাচলে এগুলো ফিটিং করা হবে।’

এসআর/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়