• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

চাল আমদানি ইস্যু

কৃষকদের জন্য এবার সুখবর দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৭ জুন ২০১৮, ১২:৪৯ | আপডেট : ২৭ জুন ২০১৮, ১২:৫৭
প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে চাল আমদানিতে সরকার আবারও ২৮ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার পর বাংলাদেশ ব্যাংক এবার আরও কড়াকড়ি আরোপ করলো। এখন থেকে শূন্য মার্জিনে কেউ চাল আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবেন না।

মঙ্গলবার এ শর্ত বেঁধে দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিপত্র জারি করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, কৃষকরা যাতে ধান-চালের ন্যায্য মূল্য পায়- তা নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

দেশে বন্যার কারণে চালের স্বাভাবিক সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাজারে চালের সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ১৯ জুন জারি একটি সার্কুলার জারি করা হয়। ওই সার্কুলারে চাল আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে শূন্য মার্জিনে ঋণপত্র খোলার নিদের্শনা দেয়া হয়েছিল।

ওই আদেশের ফলে চাল আমদানির এলসি খোলার জন্য গ্রাহক বা আমদানিকারককে কোনও টাকা দিতে হতো না। এলসির পুরো অর্থ ব্যাংকই দিয়ে দিত।

সবশেষ সার্কুলারে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বছর ধানের ‘সন্তোষজনক’ উৎপাদন হয়েছে।

“কৃষক ও স্থানীয় চাল উৎপাদকদের ধান-চাল এর ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করাসহ কৃষকদের ধান চাষে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এছাড়া সরকার খাদ্যশস্যের মজুদ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে সংরক্ষণের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে। এ সব উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চাল আমদানির ক্ষেত্রে ঋণ ঝুঁকি বিবেচনায় ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে মার্জিনের হার নির্ধারণ করে ঋণপত্র খোলার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হলো। তবে কোনও অবস্থায় শূন্য মার্জিনে ঋণপত্র স্থাপন করা যাবে না।”

গত ৭ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় চাল আমদানির উপর আবারও ২৮ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বাজেট বক্তব্যে তিনি বলেন, কৃষকের উৎপাদিত ধান-চালের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহার করে সর্বোচ্চ আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ এবং রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ পুনঃআরোপ করা হয়েছে।

এসআর/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়